Dhaka ০৭:১৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

এলপিজি আমদানি এখনই সংকট কাটাতে পারবে না

  • Sanowar Hossain
  • Update Time : ০২:১২:০৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬
  • ২৪ Time View
9 / 100 SEO Score

দেশজুড়ে রান্নার গ্যাসের সংকট এবং অস্বাভাবিক দামবৃদ্ধির মুখে সরকার বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনকে (বিপিসি) জিটুজি (সরকার টু সরকার) ভিত্তিতে এলপি গ্যাস আমদানির অনুমতি দিয়েছে। সরকার আশা করছে, এতে সরবরাহ ব্যবস্থায় যে ঘাটতি তৈরি হয়েছে তা দূর হবে এবং সংকট কাটবে।

তবে বিপিসির একাধিক কর্মকর্তা বলছেন, এখনই এই উদ্যোগ স্বস্তি আনবে এমন সম্ভাবনা কম। কারণ, এলপিজি পরিবহনের জন্য প্রয়োজনীয় বিশেষায়িত লাইটারেজ জাহাজ এবং ডেডিকেটেড জেটি বিপিসির নেই। এই লজিস্টিক ঘাটতির কারণে এখনই আমদানি শুরু করা সম্ভব হচ্ছে না।

এত দিন দেশে এলপিজি আমদানির পুরোটাই বেসরকারি খাতের নিয়ন্ত্রণে ছিল। বর্তমান ব্যবস্থায় বিপিসি কেবল বাল্ক বা খোলা আকারে এলপিজি আমদানি করতে পারবে, যা পরে বেসরকারি অপারেটররা তাদের টার্মিনালে সিলিন্ডারজাত করে বাজারে ছাড়বে। বিপিসি সরাসরি খুচরা বিক্রি বা সিলিন্ডারজাতকরণের সঙ্গে যুক্ত থাকবে না।

বাজারসংশ্লিষ্টরা বলছেন, বর্তমান সংকটের পেছনে দুর্বল বাজার ব্যবস্থাপনা এবং তদারকির অভাবও দায়ী। কিন্তু সরকার সরবরাহের দিকেই বেশি জোর দিচ্ছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে বিপিসির এক কর্মকর্তা বলেন, ‘আমরা আগে কখনো এভাবে এলপিজি আমদানি করিনি, তাই আমাদের অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা আছে। আমরা আমদানি করলেও তা সরাসরি ভোক্তার কাছে বিক্রি করব না। সেই বেসরকারি কোম্পানিগুলোই বিতরণ করবে, যারা এখন বাজার নিয়ন্ত্রণ করছে। ফলে তারা চাইলেই সরবরাহ ও দামে প্রভাব খাটাতে পারবে।’

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

আলোচিত সংবাদ

এলপিজি আমদানি এখনই সংকট কাটাতে পারবে না

Update Time : ০২:১২:০৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬
9 / 100 SEO Score

দেশজুড়ে রান্নার গ্যাসের সংকট এবং অস্বাভাবিক দামবৃদ্ধির মুখে সরকার বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনকে (বিপিসি) জিটুজি (সরকার টু সরকার) ভিত্তিতে এলপি গ্যাস আমদানির অনুমতি দিয়েছে। সরকার আশা করছে, এতে সরবরাহ ব্যবস্থায় যে ঘাটতি তৈরি হয়েছে তা দূর হবে এবং সংকট কাটবে।

তবে বিপিসির একাধিক কর্মকর্তা বলছেন, এখনই এই উদ্যোগ স্বস্তি আনবে এমন সম্ভাবনা কম। কারণ, এলপিজি পরিবহনের জন্য প্রয়োজনীয় বিশেষায়িত লাইটারেজ জাহাজ এবং ডেডিকেটেড জেটি বিপিসির নেই। এই লজিস্টিক ঘাটতির কারণে এখনই আমদানি শুরু করা সম্ভব হচ্ছে না।

এত দিন দেশে এলপিজি আমদানির পুরোটাই বেসরকারি খাতের নিয়ন্ত্রণে ছিল। বর্তমান ব্যবস্থায় বিপিসি কেবল বাল্ক বা খোলা আকারে এলপিজি আমদানি করতে পারবে, যা পরে বেসরকারি অপারেটররা তাদের টার্মিনালে সিলিন্ডারজাত করে বাজারে ছাড়বে। বিপিসি সরাসরি খুচরা বিক্রি বা সিলিন্ডারজাতকরণের সঙ্গে যুক্ত থাকবে না।

বাজারসংশ্লিষ্টরা বলছেন, বর্তমান সংকটের পেছনে দুর্বল বাজার ব্যবস্থাপনা এবং তদারকির অভাবও দায়ী। কিন্তু সরকার সরবরাহের দিকেই বেশি জোর দিচ্ছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে বিপিসির এক কর্মকর্তা বলেন, ‘আমরা আগে কখনো এভাবে এলপিজি আমদানি করিনি, তাই আমাদের অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা আছে। আমরা আমদানি করলেও তা সরাসরি ভোক্তার কাছে বিক্রি করব না। সেই বেসরকারি কোম্পানিগুলোই বিতরণ করবে, যারা এখন বাজার নিয়ন্ত্রণ করছে। ফলে তারা চাইলেই সরবরাহ ও দামে প্রভাব খাটাতে পারবে।’