Dhaka ০৭:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬, ১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
২০৩০ লক্ষ্য নিয়ে রেলের রোডম্যাপ দাউদকান্দিতে চালবোঝাই ট্রাক উল্টে নিহত ৭ শেষ হলো বৈশাখী শোভাযাত্রা, ‘ফ্রি প্যালেস্টাইন’ প্ল্যাকার্ডে ভিন্ন বার্তা মার্কিন নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে হরমুজ পার করলো চীনা জাহাজ শুরু বৈশাখী শোভাযাত্রা, চারুকলা থেকে বর্ণিল আয়োজনে মানুষের ঢল ইরানি নারী ফুটবল দলের অধিনায়কের বাজেয়াপ্ত সম্পদ ফেরত দিচ্ছে সরকার আজও সাতসকালে ‘অস্বাস্থ্যকর’ ঢাকার বাতাস রমনার বটমূলে ছায়ানটের বর্ষবরণ: ‘জাগো আলোক-লগ্নে’ গানে নববর্ষের সূচনা টাঙ্গাইলে আজ ‘কৃষক কার্ড’ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী বৈশাখী শোভাযাত্রা ঘিরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কড়া নিরাপত্তা

অস্ট্রেলিয়া এশিয়া কাপের জন্য ফের ঢাকায় আনিকা

12 / 100 SEO Score

১-২১ মার্চ অস্ট্রেলিয়ায় এশিয়ান কাপ নারী ফুটবল টুর্নামেন্ট। এই টুর্নামেন্টের জন্য বৃটিশ কোচ পিটার বাটলার ২৬ সদস্যের বাংলাদেশ দল চূড়ান্ত করেছেন। সাধারণত ২৩ সদস্যের স্কোয়াড হলেও এবার এএফসি স্কোয়াডে ২৬ জনকে রাখার সুযোগ দিচ্ছে। এই স্কোয়াডে রয়েছেন সুইডিশ প্রবাসী ফুটবলার আনিকা রায়ান সিদ্দিকী। তিনি ঢাকায় দিন চারেক ট্রায়াল দিয়ে সুইডেনে ফিরেছিলেন। ১৪ ফেব্রুয়ারি জাতীয় দলের আনুষ্ঠানিক অনুশীলন শুরুর পর আজ আবার ঢাকায় এসেছেন এই সুইডিশ প্রবাসী ফুটবলার।

ট্রায়ালের জন্য আনিকা নিজ খরচে এসেছিলেন। কোচ পিটার বাটলার তাকে চূড়ান্ত স্কোয়াডে রাখায় এবার ফেডারেশনের খরচে পুনরায় ঢাকায় এসেছেন। সকাল নয়টার দিকে এসে সরাসরি টিম হোটেলে উঠেছেন। আজ অনুশীলনের সুযোগ পাননি। পিটার বাটলার তাকে নিজে অনুশীলনে দেখেননি। অস্ট্রেলিয়ান ফিটনেস কোচ লর্ডের রিপোর্ট অনুযায়ী বাটলার আনিকাকে ২৬ জনের দলে রেখেছেন। অথচ সাবিনা, মাসুরার মতো পরীক্ষিত ফুটবলারদের তিনি ক্যাম্পে ডাকেনও না।

বাংলাদেশ ১৯ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাতে অস্ট্রেলিয়ায় রওনা হবে। থাইল্যান্ডে যাত্রাবিরতি দিয়ে ২০ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় সিডনি পৌঁছাবে। বাংলাদেশ সিডনির ভ্যালেন্টাইন পার্কে ক্যাম্প করবে। ২৫ ফেব্রুয়ারি সিডনির ওয়েস্টার্ন ইউনাইটেড দলের সঙ্গে একটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবে। ১ মার্চ থেকে টুর্নামেন্ট আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু। তাই ২৭ মার্চ এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশনের আনুষ্ঠানিক হোটেলে উঠবে বাংলাদেশ দল। ২০-২৬ ফেব্রুয়ারি অস্ট্রেলিয়ায় বাংলাদেশ নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় থাকবে।

সিডনি, পার্থ ও গোল্ডকোস্টে ১২ দল এশিয়া কাপে অংশগ্রহণ করবে। তিন ভেন্যুতে ১২ দলের জন্য এএফসি ৯ টি অনুশীলন ভেন্যু আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেছে। বাংলাদেশের গ্রুপ পর্যায়ের প্রথম দুই ম্যাচ সিডনিতে। সিডনির চারটি অনুশীলন ভেন্যু জুবিলি স্টেডিয়াম, মার্কোনি স্টেডিয়াম, ওয়ান্ডারার্স ফুটবল পার্ক ও ভ্যালেন্টাইন স্পোর্টস পার্ক। ২৭ ফেব্রুয়ারি-৫ মার্চ বাংলাদেশ এই ভেন্যুগুলোতে অনুশীলন করবে। কোন দিন কোন ভেন্যুতে সেটা এএফসি ও অস্ট্রেলিয়ান ফুটবল ফেডারেশন পরবর্তীতে জানাবে।

৬ মার্চ সিডনিতে দ্বিতীয় ম্যাচ খেলবে বাংলাদেশ। পরের দিন দুপুরে কোয়ান্টাস এয়ারলাইন্সে বাংলাদেশ দল দুপুর আড়াইটায় পার্থে পৌঁছাবে। ৯ মার্চ পার্থের রেঙ্কট্যাঙ্গুলার স্টেডিয়ামে উজবেকিস্তানের বিপক্ষে গ্রুপের শেষ ম্যাচ খেলবে বাংলাদেশ। ৭ ও ৮ মার্চ পার্থের লিটিস স্টেডিয়াম, কিংসওয়ে রিজার্ভ ও স্যাম ক্যার ফুটবল সেন্টারের কোনো এক ভেন্যুতে অনুশীলন করবে বাংলাদেশ।

অস্ট্রেলিয়া ২০২৩ সালে নারী বিশ্বকাপ আয়োজন করেছিল। তখনও অস্ট্রেলিয়া দলগুলোকে সেরা অনুশীলন মাঠ দিয়েছে। নারী এশিয়া কাপের ক্ষেত্রেও অস্ট্রেলিয়া সর্বোচ্চ মানের অনুশীলন মাঠ দেয়ার ব্যবস্থা করেছে। এক বিবৃতিতে অস্ট্রেলিয়ান আয়োজক কমিটির পরিচালক সারাহ ওয়ালশ বলেন, ‘সুন্দর টুর্নামেন্ট শুধু ম্যাচের দিনই নয়। দলগুলোর প্রস্তুতির জন্য ভালো মানের অনুশীলন মাঠ দরকার। যা ভালো ম্যাচের অন্যতম শর্ত। এজন্য ফুটবল অস্ট্রেলিয়া সর্বোচ্চ মানের অনুশীলন ভেন্যু সুযোগ-সুবিধা প্রদানে বদ্ধ পরিকর।’

 

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

অস্ট্রেলিয়া এশিয়া কাপের জন্য ফের ঢাকায় আনিকা

Update Time : ০১:৫১:৪১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
12 / 100 SEO Score

১-২১ মার্চ অস্ট্রেলিয়ায় এশিয়ান কাপ নারী ফুটবল টুর্নামেন্ট। এই টুর্নামেন্টের জন্য বৃটিশ কোচ পিটার বাটলার ২৬ সদস্যের বাংলাদেশ দল চূড়ান্ত করেছেন। সাধারণত ২৩ সদস্যের স্কোয়াড হলেও এবার এএফসি স্কোয়াডে ২৬ জনকে রাখার সুযোগ দিচ্ছে। এই স্কোয়াডে রয়েছেন সুইডিশ প্রবাসী ফুটবলার আনিকা রায়ান সিদ্দিকী। তিনি ঢাকায় দিন চারেক ট্রায়াল দিয়ে সুইডেনে ফিরেছিলেন। ১৪ ফেব্রুয়ারি জাতীয় দলের আনুষ্ঠানিক অনুশীলন শুরুর পর আজ আবার ঢাকায় এসেছেন এই সুইডিশ প্রবাসী ফুটবলার।

ট্রায়ালের জন্য আনিকা নিজ খরচে এসেছিলেন। কোচ পিটার বাটলার তাকে চূড়ান্ত স্কোয়াডে রাখায় এবার ফেডারেশনের খরচে পুনরায় ঢাকায় এসেছেন। সকাল নয়টার দিকে এসে সরাসরি টিম হোটেলে উঠেছেন। আজ অনুশীলনের সুযোগ পাননি। পিটার বাটলার তাকে নিজে অনুশীলনে দেখেননি। অস্ট্রেলিয়ান ফিটনেস কোচ লর্ডের রিপোর্ট অনুযায়ী বাটলার আনিকাকে ২৬ জনের দলে রেখেছেন। অথচ সাবিনা, মাসুরার মতো পরীক্ষিত ফুটবলারদের তিনি ক্যাম্পে ডাকেনও না।

বাংলাদেশ ১৯ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাতে অস্ট্রেলিয়ায় রওনা হবে। থাইল্যান্ডে যাত্রাবিরতি দিয়ে ২০ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় সিডনি পৌঁছাবে। বাংলাদেশ সিডনির ভ্যালেন্টাইন পার্কে ক্যাম্প করবে। ২৫ ফেব্রুয়ারি সিডনির ওয়েস্টার্ন ইউনাইটেড দলের সঙ্গে একটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবে। ১ মার্চ থেকে টুর্নামেন্ট আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু। তাই ২৭ মার্চ এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশনের আনুষ্ঠানিক হোটেলে উঠবে বাংলাদেশ দল। ২০-২৬ ফেব্রুয়ারি অস্ট্রেলিয়ায় বাংলাদেশ নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় থাকবে।

সিডনি, পার্থ ও গোল্ডকোস্টে ১২ দল এশিয়া কাপে অংশগ্রহণ করবে। তিন ভেন্যুতে ১২ দলের জন্য এএফসি ৯ টি অনুশীলন ভেন্যু আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেছে। বাংলাদেশের গ্রুপ পর্যায়ের প্রথম দুই ম্যাচ সিডনিতে। সিডনির চারটি অনুশীলন ভেন্যু জুবিলি স্টেডিয়াম, মার্কোনি স্টেডিয়াম, ওয়ান্ডারার্স ফুটবল পার্ক ও ভ্যালেন্টাইন স্পোর্টস পার্ক। ২৭ ফেব্রুয়ারি-৫ মার্চ বাংলাদেশ এই ভেন্যুগুলোতে অনুশীলন করবে। কোন দিন কোন ভেন্যুতে সেটা এএফসি ও অস্ট্রেলিয়ান ফুটবল ফেডারেশন পরবর্তীতে জানাবে।

৬ মার্চ সিডনিতে দ্বিতীয় ম্যাচ খেলবে বাংলাদেশ। পরের দিন দুপুরে কোয়ান্টাস এয়ারলাইন্সে বাংলাদেশ দল দুপুর আড়াইটায় পার্থে পৌঁছাবে। ৯ মার্চ পার্থের রেঙ্কট্যাঙ্গুলার স্টেডিয়ামে উজবেকিস্তানের বিপক্ষে গ্রুপের শেষ ম্যাচ খেলবে বাংলাদেশ। ৭ ও ৮ মার্চ পার্থের লিটিস স্টেডিয়াম, কিংসওয়ে রিজার্ভ ও স্যাম ক্যার ফুটবল সেন্টারের কোনো এক ভেন্যুতে অনুশীলন করবে বাংলাদেশ।

অস্ট্রেলিয়া ২০২৩ সালে নারী বিশ্বকাপ আয়োজন করেছিল। তখনও অস্ট্রেলিয়া দলগুলোকে সেরা অনুশীলন মাঠ দিয়েছে। নারী এশিয়া কাপের ক্ষেত্রেও অস্ট্রেলিয়া সর্বোচ্চ মানের অনুশীলন মাঠ দেয়ার ব্যবস্থা করেছে। এক বিবৃতিতে অস্ট্রেলিয়ান আয়োজক কমিটির পরিচালক সারাহ ওয়ালশ বলেন, ‘সুন্দর টুর্নামেন্ট শুধু ম্যাচের দিনই নয়। দলগুলোর প্রস্তুতির জন্য ভালো মানের অনুশীলন মাঠ দরকার। যা ভালো ম্যাচের অন্যতম শর্ত। এজন্য ফুটবল অস্ট্রেলিয়া সর্বোচ্চ মানের অনুশীলন ভেন্যু সুযোগ-সুবিধা প্রদানে বদ্ধ পরিকর।’