ইন্দোনেশিয়ার ফেরি দুর্ঘটনায় ১৬ দিনেও চলছে ফেরি উদ্ধার অভিযান
ইন্দোনেশিয়ায় জাভা সাগরে ডুবে যাওয়া যাত্রীবাহী ফেরির উদ্ধার অভিযান ১৬তম দিনেও অব্যাহত রয়েছে। বিপজ্জনক ধ্বংসাবশেষ, জ্বালানি তেল লিক ও ঘন গ্যাসের ঝুঁকি উপেক্ষা করে নিখোঁজ ৬৯ জনের সন্ধানে তল্লাশি চালাচ্ছেন ডুবুরিরা। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৬৬ জনের মৃত্যু হয়েছে।
দুর্ঘটনাকবলিত জাহাজের ভেতর থেকে অনবরত জ্বালানি তেল লিক হওয়া জ্বালানি তেল এবং যেকোনো মুহূর্তে ভেঙে পড়তে পারে এমন বিপজ্জনক কাঠামোর ঝুঁকি নিয়েই উদ্ধারকাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।
রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ৪হাজার ২৭৭ টনের ভার্গো ট্রান্সপোর্ট ৮ নামক এই ফেরিটি ৩০ জন ক্রু এবং অজ্ঞাত সংখ্যক যানবাহনসহ মোট ২৪৩ জন আরোহী নিয়ে যাত্রা করেছিল।
গত ১৩ সেপ্টেম্বর ভোরে পূর্ব জাভার সুরাবায়া থেকে দক্ষিণ কালিমান্তানের বাঞ্জারমাসিন যাওয়ার পথে বৈরী আবহাওয়ার কবলে পড়ে ফেরিটি সাগরে উল্টে যায়। যার মধ্যে এখন পর্যন্ত ১০৮ জনকে যাত্রী জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।
দেশটির অনুসন্ধান ও উদ্ধার সংস্থার জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা হার্দিয়ানস্যাহ পুত্রা বলেন, ১৬তম দিনের অভিযানে ডুবুরিরা বিপদজ্জনক ধ্বংসাবশেষের মধ্য দিয়ে তল্লাশি চালাচ্ছেন। নিখোঁজদের কেবিনে পাওয়া যেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে ডুবুরিদের সর্বোচ্চ ২৭ মিটার গভীরতায় যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
উদ্ধার সংস্থার জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা ই পুতু সুদায়ানা জানিয়েছেন, জাভা সাগরে ডুবে যাওয়া জাহাজটি থেকে উদ্ধার হওয়া কয়েকটি মরদেহ হেলিকপ্টারে করে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, কয়েক ডজন ডুবুরি জাহাজটির ভেতরে তল্লাশি চালাচ্ছেন। জাহাজটি একদিকে কাত হয়ে থাকা, অস্থিতিশীল কাঠামো এবং ভেতরে ছড়িয়ে থাকা ধারালো বস্তু তাদের জন্য ঝুঁকি তৈরি করছে। এর সঙ্গে ঘন গ্যাসের উপস্থিতি ও জ্বালানি লিক হওয়ার কারণে স্বাস্থ্যঝুঁকিও রয়েছে।

























