Dhaka ১২:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নাগরিক সহায়তায় বাকিতে কেনাকাটা ব্যবস্থা ইরানের

দূর্নীতির বার্তা ডেস্ক
9 / 100 SEO Score

 

নাগরিকেরা যাতে বাকিতে প্রয়োজনীয় পণ্য কিনতে পারেন এবং পরে ঋণ পরিশোধের নিশ্চয়তা পান—এমন একটি পরিকল্পনা নিয়েছে ইরানের সরকার। এর পেছনে সহায়ক হিসেবে থাকবে দেশটি।

বিবিসির প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ওই পরিকল্পনায় সরকারি সহায়তা পায়—এমন পরিবারগুলো প্রতি দুই মাসে একবার দোকান থেকে মৌলিক পণ্য বাকিতে কিনতে পারবে। যার মূল্য তাদের প্রাপ্ত সহায়তার অঙ্কের বেশি হবে না।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই পরিকল্পনার অর্থায়ন করা হবে বেসরকারি কোম্পানির মাধ্যমে। সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে ইরানে বহু পণ্যের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।

এদিকে তেহরানভিত্তিক পত্রিকা ‘ডোনিয়া-ই-ইকতেসাদ’ চলতি বছরে মূল্যস্ফীতির হার নিয়ে তিনটি সম্ভাব্য পূর্বাভাস তুলে ধরেছে।

পত্রিকাটি জানায়, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যদি কোনো সমঝোতায় পৌঁছানো যায়, তাহলে সর্বোত্তম পরিস্থিতিতে মূল্যস্ফীতি প্রায় ৪৯ শতাংশে সীমিত থাকতে পারে।

যদি ‘না যুদ্ধ, না শান্তি’ পরিস্থিতি অব্যাহত থাকে—যেমনটি গত বছর ১২ দিনের যুদ্ধের পর এবং এ বছর মার্কিন–ইসরাইলি হামলার আগে দেখা গিয়েছিল—তাহলে মূল্যস্ফীতি ৬৭ শতাংশে পৌঁছাতে পারে। যুদ্ধ পরিস্থিতি আরও তীব্র আকার নিলে ইরান অতিমূল্যস্ফীতির পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে, যেখানে মূল্যস্ফীতির হার প্রায় ১২৩ শতাংশে দাঁড়াতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

Tag :

Recent Comments

No comments to show.

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

twelve + 11 =

About Author Information

নাগরিক সহায়তায় বাকিতে কেনাকাটা ব্যবস্থা ইরানের

Update Time : ০৪:২৩:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
9 / 100 SEO Score

 

নাগরিকেরা যাতে বাকিতে প্রয়োজনীয় পণ্য কিনতে পারেন এবং পরে ঋণ পরিশোধের নিশ্চয়তা পান—এমন একটি পরিকল্পনা নিয়েছে ইরানের সরকার। এর পেছনে সহায়ক হিসেবে থাকবে দেশটি।

বিবিসির প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ওই পরিকল্পনায় সরকারি সহায়তা পায়—এমন পরিবারগুলো প্রতি দুই মাসে একবার দোকান থেকে মৌলিক পণ্য বাকিতে কিনতে পারবে। যার মূল্য তাদের প্রাপ্ত সহায়তার অঙ্কের বেশি হবে না।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই পরিকল্পনার অর্থায়ন করা হবে বেসরকারি কোম্পানির মাধ্যমে। সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে ইরানে বহু পণ্যের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।

এদিকে তেহরানভিত্তিক পত্রিকা ‘ডোনিয়া-ই-ইকতেসাদ’ চলতি বছরে মূল্যস্ফীতির হার নিয়ে তিনটি সম্ভাব্য পূর্বাভাস তুলে ধরেছে।

পত্রিকাটি জানায়, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যদি কোনো সমঝোতায় পৌঁছানো যায়, তাহলে সর্বোত্তম পরিস্থিতিতে মূল্যস্ফীতি প্রায় ৪৯ শতাংশে সীমিত থাকতে পারে।

যদি ‘না যুদ্ধ, না শান্তি’ পরিস্থিতি অব্যাহত থাকে—যেমনটি গত বছর ১২ দিনের যুদ্ধের পর এবং এ বছর মার্কিন–ইসরাইলি হামলার আগে দেখা গিয়েছিল—তাহলে মূল্যস্ফীতি ৬৭ শতাংশে পৌঁছাতে পারে। যুদ্ধ পরিস্থিতি আরও তীব্র আকার নিলে ইরান অতিমূল্যস্ফীতির পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে, যেখানে মূল্যস্ফীতির হার প্রায় ১২৩ শতাংশে দাঁড়াতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।