Dhaka ০৬:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ভাগ্যিস আরও গোল খাইনি: ড্রয়ে স্বস্তি ব্রাজিলের

ক্রীড়া প্রতিবেদক
12 / 100 SEO Score

 

বিশ্বকাপের মঞ্চে জয়ের লক্ষ্য নিয়েই মাঠে নেমেছিল ব্রাজিল। কিন্তু মরক্কোর বিপক্ষে প্রত্যাশার ধারেকাছেও যেতে পারেনি পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। প্রথমার্ধে ছিল এলোমেলো ফুটবল, ভুলে ভরা পারফরম্যান্স আর গোল হজমের শঙ্কা।

শেষ পর্যন্ত ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের গোলে ১-১ ড্র করে হার এড়ালেও নিজেদের খেলা নিয়ে সন্তুষ্ট নন ব্রাজিলিয়ান ফুটবলাররা। বরং আরও বড় ব্যবধানে হারতে না হওয়াকেই স্বস্তির কারণ হিসেবে দেখছেন মিডফিল্ডার দানিলো।

তবে বিরতির পর কৌশলগত পরিবর্তনের কারণে ব্রাজিল হার এড়াতে পেরেছে আর এই ঘুরে দাঁড়ানোই পরের ম্যাচের আগে ড্রেসিংরুমে কিছুটা আত্মবিশ্বাস জোগাচ্ছে বলে মনে করেন তিনি। ব্রাজিল যে বিশ্বকাপে ‘স্বপ্নের শুরু’ পায়নি, সেটি স্বীকার করে নিয়েছেন অভিজ্ঞ মিডফিল্ডার কাসেমিরোও।

যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে ২১ মিনিটে পিছিয়ে পড়ে ব্রাজিল। ১১ মিনিট পর ভিনিসিয়ুস জুনিয়র সমতা এনে দিলে সেই স্কোরলাইনেই ম্যাচ শেষ হয়।

ম্যাচের ৮০তম মিনিটে বদলি হিসেবে নামা দানিলো প্রথম ৪৫ মিনিটের পারফরম্যান্স নিয়ে বলেন, ‘প্রথমার্ধে আমরা খুবই বাজে খেলেছি। মাঠে আমাদের অবস্থান, টেকনিক, ট্যাকটিক্স—কোনো দিক থেকেই আমরা ভালো ছিলাম না।’

বোতাফোগোয় খেলা এই মিডফিল্ডারের মতে, ম্যাচের শুরু থেকে মানসিকভাবে চাপে ছিল ব্রাজিল। এতটাই বেশি যে প্রথমার্ধেই আরও গোল হজমের ঝুঁকি ছিল, ‘আমরা খুবই স্নায়ুচাপে ছিলাম, উদ্বিগ্নও ছিলাম। ফলে নিজেদের ভুলের কারণেই বারবার বিপদে পড়েছি। ভাগ্যিস, প্রথমার্ধে আরও বেশি গোল হজম করে পিছিয়ে পড়িনি।’

মিডফিল্ডার কাসেমিরোও মনে করেন দল দ্বিতীয়ার্ধে ভালো খেলেছে। এ ক্ষেত্রে ম্যাচের শুরু থেকে মরক্কোর কোনো চাপ ছিল না, বিপরীতে ব্রাজিলের মধ্যে উদ্বেগ ছিল বলে জানান তিনি।

খেলা শেষে সাংবাদিকদের কাসিমেরো বলেন, ‘আমরা জানতাম ম্যাচটি কঠিন হবে, তাদের খেলোয়াড়েরাও বেশ মানসম্পন্ন। আমরা সব সময় জয় দিয়ে শুরু করতে চাই, কিন্তু এই ম্যাচটা ছিল একটি দুর্দান্ত প্রতিপক্ষের বিপক্ষে। ম্যাচটা “স্বপ্নের মতো শুরু” ছিল না।’

যদিও জয়ের দেখা মেলেনি, তবু ঘুরে দাঁড়ানোর মানসিকতা থেকে ইতিবাচক দিক খুঁজে নিচ্ছেন দানিলো ও কাসেমিরো। তাদের বিশ্বাস, মরক্কোর বিপক্ষে পাওয়া এই শিক্ষা ও দ্বিতীয়ার্ধের উন্নত পারফরম্যান্স পরের ম্যাচে হাইতির বিপক্ষে আরও আত্মবিশ্বাসী ব্রাজিলকে দেখা যাবে।

 

Recent Comments

No comments to show.

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

ভাগ্যিস আরও গোল খাইনি: ড্রয়ে স্বস্তি ব্রাজিলের

Update Time : ০৮:২৬:০৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬
12 / 100 SEO Score

 

বিশ্বকাপের মঞ্চে জয়ের লক্ষ্য নিয়েই মাঠে নেমেছিল ব্রাজিল। কিন্তু মরক্কোর বিপক্ষে প্রত্যাশার ধারেকাছেও যেতে পারেনি পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। প্রথমার্ধে ছিল এলোমেলো ফুটবল, ভুলে ভরা পারফরম্যান্স আর গোল হজমের শঙ্কা।

শেষ পর্যন্ত ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের গোলে ১-১ ড্র করে হার এড়ালেও নিজেদের খেলা নিয়ে সন্তুষ্ট নন ব্রাজিলিয়ান ফুটবলাররা। বরং আরও বড় ব্যবধানে হারতে না হওয়াকেই স্বস্তির কারণ হিসেবে দেখছেন মিডফিল্ডার দানিলো।

তবে বিরতির পর কৌশলগত পরিবর্তনের কারণে ব্রাজিল হার এড়াতে পেরেছে আর এই ঘুরে দাঁড়ানোই পরের ম্যাচের আগে ড্রেসিংরুমে কিছুটা আত্মবিশ্বাস জোগাচ্ছে বলে মনে করেন তিনি। ব্রাজিল যে বিশ্বকাপে ‘স্বপ্নের শুরু’ পায়নি, সেটি স্বীকার করে নিয়েছেন অভিজ্ঞ মিডফিল্ডার কাসেমিরোও।

যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে ২১ মিনিটে পিছিয়ে পড়ে ব্রাজিল। ১১ মিনিট পর ভিনিসিয়ুস জুনিয়র সমতা এনে দিলে সেই স্কোরলাইনেই ম্যাচ শেষ হয়।

ম্যাচের ৮০তম মিনিটে বদলি হিসেবে নামা দানিলো প্রথম ৪৫ মিনিটের পারফরম্যান্স নিয়ে বলেন, ‘প্রথমার্ধে আমরা খুবই বাজে খেলেছি। মাঠে আমাদের অবস্থান, টেকনিক, ট্যাকটিক্স—কোনো দিক থেকেই আমরা ভালো ছিলাম না।’

বোতাফোগোয় খেলা এই মিডফিল্ডারের মতে, ম্যাচের শুরু থেকে মানসিকভাবে চাপে ছিল ব্রাজিল। এতটাই বেশি যে প্রথমার্ধেই আরও গোল হজমের ঝুঁকি ছিল, ‘আমরা খুবই স্নায়ুচাপে ছিলাম, উদ্বিগ্নও ছিলাম। ফলে নিজেদের ভুলের কারণেই বারবার বিপদে পড়েছি। ভাগ্যিস, প্রথমার্ধে আরও বেশি গোল হজম করে পিছিয়ে পড়িনি।’

মিডফিল্ডার কাসেমিরোও মনে করেন দল দ্বিতীয়ার্ধে ভালো খেলেছে। এ ক্ষেত্রে ম্যাচের শুরু থেকে মরক্কোর কোনো চাপ ছিল না, বিপরীতে ব্রাজিলের মধ্যে উদ্বেগ ছিল বলে জানান তিনি।

খেলা শেষে সাংবাদিকদের কাসিমেরো বলেন, ‘আমরা জানতাম ম্যাচটি কঠিন হবে, তাদের খেলোয়াড়েরাও বেশ মানসম্পন্ন। আমরা সব সময় জয় দিয়ে শুরু করতে চাই, কিন্তু এই ম্যাচটা ছিল একটি দুর্দান্ত প্রতিপক্ষের বিপক্ষে। ম্যাচটা “স্বপ্নের মতো শুরু” ছিল না।’

যদিও জয়ের দেখা মেলেনি, তবু ঘুরে দাঁড়ানোর মানসিকতা থেকে ইতিবাচক দিক খুঁজে নিচ্ছেন দানিলো ও কাসেমিরো। তাদের বিশ্বাস, মরক্কোর বিপক্ষে পাওয়া এই শিক্ষা ও দ্বিতীয়ার্ধের উন্নত পারফরম্যান্স পরের ম্যাচে হাইতির বিপক্ষে আরও আত্মবিশ্বাসী ব্রাজিলকে দেখা যাবে।