Dhaka ১১:৩৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬, ৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঈদ শেষে ঢাকায় ফিরতে শুরু করেছে নগরবাসী

নিজস্ব প্রতিবেদক
8 / 100 SEO Score

 

পবিত্র ঈদুল আজহার ছুটি শেষ হতে চলায় রাজধানী ঢাকায় ফিরতে শুরু করেছেন কর্মজীবী মানুষ ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার নাগরিকরা। তবে অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার ফিরতি যাত্রায় চাপ কম থাকায় সড়ক, রেল ও নৌপথে যাত্রীদের ভোগান্তি তুলনামূলকভাবে কম দেখা গেছে।

রোববার (৩১ মে) সকাল থেকেই গাবতলী, মহাখালী ও সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল, কমলাপুর রেলস্টেশন এবং সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালে রাজধানীমুখী যাত্রীদের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। তবে কোথাও অতিরিক্ত ভিড় বা বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয়নি। পরিবহন চলাচলও ছিল স্বাভাবিক।

বিশেষ করে দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন জেলা থেকে লঞ্চে করে ঢাকায় ফিরতে শুরু করেছেন যাত্রীরা। সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালে আসা যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, নদীপথে যাত্রা ছিল স্বস্তিদায়ক। লঞ্চগুলোতে যাত্রী ছিল, তবে অতিরিক্ত চাপ বা ভিড়ের কারণে কোনো ভোগান্তি পোহাতে হয়নি। নির্ধারিত সময়েই বেশিরভাগ লঞ্চ রাজধানীতে পৌঁছেছে এবং অতিরিক্ত যাত্রীচাপও ছিল না।

একইভাবে ময়মনসিংহ, জামালপুর, শেরপুর, কিশোরগঞ্জ ও গাজীপুরসহ বিভিন্ন জেলা থেকে ছেড়ে আসা বাসগুলোতেও যাত্রীর সংখ্যা ছিল স্বাভাবিক। যাত্রীরা সহজেই বাস থেকে নেমে গন্তব্যে যেতে পেরেছেন। যাত্রীচাপ কম থাকায় অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগও পাওয়া যায়নি।

পরিবহন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দীর্ঘ ছুটির কারণে সবাই একসঙ্গে রাজধানীতে ফিরছেন না। অনেকেই ধাপে ধাপে ফিরছেন, ফলে যাত্রীচাপ কয়েক দিনে ভাগ হয়ে গেছে। এতে পরিবহন ব্যবস্থাপনা সহজ হয়েছে এবং ভোগান্তিও কমেছে।

অন্যদিকে, ঈদের সময় বাড়ি যেতে না পারা অনেক মানুষ এখন পরিবার নিয়ে গ্রামের পথে রওনা হচ্ছেন। ফলে রাজধানীর বিভিন্ন পরিবহন কেন্দ্রে ঢাকামুখী ও গ্রামমুখী দুই ধরনের যাত্রীর উপস্থিতি দেখা যাচ্ছে। তবুও কোথাও বড় ধরনের চাপ বা বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়নি।

যাত্রীরা বলছেন, ফাঁকা সড়ক, স্বাভাবিক যান চলাচল এবং পর্যাপ্ত পরিবহন সুবিধার কারণে এবারের ঢাকা ফেরা আগের তুলনায় অনেক বেশি স্বস্তিদায়ক। তবে ছুটি শেষ হওয়ার আগমুহূর্তে বিকেল ও সন্ধ্যার দিকে রাজধানীমুখী যাত্রীর সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, ঈদুল আজহা উপলক্ষে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ২৫ মে থেকে ৩১ মে পর্যন্ত টানা ছুটি ভোগ করছেন। আগামীকাল থেকে অফিস-আদালত, ব্যাংক ও অধিকাংশ সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান খুলবে।

 

Recent Comments

No comments to show.

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

ঈদ শেষে ঢাকায় ফিরতে শুরু করেছে নগরবাসী

Update Time : ০৫:৫০:১০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩১ মে ২০২৬
8 / 100 SEO Score

 

পবিত্র ঈদুল আজহার ছুটি শেষ হতে চলায় রাজধানী ঢাকায় ফিরতে শুরু করেছেন কর্মজীবী মানুষ ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার নাগরিকরা। তবে অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার ফিরতি যাত্রায় চাপ কম থাকায় সড়ক, রেল ও নৌপথে যাত্রীদের ভোগান্তি তুলনামূলকভাবে কম দেখা গেছে।

রোববার (৩১ মে) সকাল থেকেই গাবতলী, মহাখালী ও সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল, কমলাপুর রেলস্টেশন এবং সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালে রাজধানীমুখী যাত্রীদের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। তবে কোথাও অতিরিক্ত ভিড় বা বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয়নি। পরিবহন চলাচলও ছিল স্বাভাবিক।

বিশেষ করে দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন জেলা থেকে লঞ্চে করে ঢাকায় ফিরতে শুরু করেছেন যাত্রীরা। সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালে আসা যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, নদীপথে যাত্রা ছিল স্বস্তিদায়ক। লঞ্চগুলোতে যাত্রী ছিল, তবে অতিরিক্ত চাপ বা ভিড়ের কারণে কোনো ভোগান্তি পোহাতে হয়নি। নির্ধারিত সময়েই বেশিরভাগ লঞ্চ রাজধানীতে পৌঁছেছে এবং অতিরিক্ত যাত্রীচাপও ছিল না।

একইভাবে ময়মনসিংহ, জামালপুর, শেরপুর, কিশোরগঞ্জ ও গাজীপুরসহ বিভিন্ন জেলা থেকে ছেড়ে আসা বাসগুলোতেও যাত্রীর সংখ্যা ছিল স্বাভাবিক। যাত্রীরা সহজেই বাস থেকে নেমে গন্তব্যে যেতে পেরেছেন। যাত্রীচাপ কম থাকায় অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগও পাওয়া যায়নি।

পরিবহন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দীর্ঘ ছুটির কারণে সবাই একসঙ্গে রাজধানীতে ফিরছেন না। অনেকেই ধাপে ধাপে ফিরছেন, ফলে যাত্রীচাপ কয়েক দিনে ভাগ হয়ে গেছে। এতে পরিবহন ব্যবস্থাপনা সহজ হয়েছে এবং ভোগান্তিও কমেছে।

অন্যদিকে, ঈদের সময় বাড়ি যেতে না পারা অনেক মানুষ এখন পরিবার নিয়ে গ্রামের পথে রওনা হচ্ছেন। ফলে রাজধানীর বিভিন্ন পরিবহন কেন্দ্রে ঢাকামুখী ও গ্রামমুখী দুই ধরনের যাত্রীর উপস্থিতি দেখা যাচ্ছে। তবুও কোথাও বড় ধরনের চাপ বা বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়নি।

যাত্রীরা বলছেন, ফাঁকা সড়ক, স্বাভাবিক যান চলাচল এবং পর্যাপ্ত পরিবহন সুবিধার কারণে এবারের ঢাকা ফেরা আগের তুলনায় অনেক বেশি স্বস্তিদায়ক। তবে ছুটি শেষ হওয়ার আগমুহূর্তে বিকেল ও সন্ধ্যার দিকে রাজধানীমুখী যাত্রীর সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, ঈদুল আজহা উপলক্ষে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ২৫ মে থেকে ৩১ মে পর্যন্ত টানা ছুটি ভোগ করছেন। আগামীকাল থেকে অফিস-আদালত, ব্যাংক ও অধিকাংশ সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান খুলবে।