Dhaka ০৯:৩১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

থাইল্যান্ডে ছড়িয়ে পড়েছে ভাইরাস, একে একে মারা যাচ্ছে বাঘ

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৬:৪৫:০০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৩ Time View
9 / 100 SEO Score

থাইল্যান্ডের উত্তরাঞ্চলে অত্যন্ত সংক্রামক ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ছে। এতে করে সেখানে এখন পর্যন্ত ৭২টি বাঘের মৃত্যু হয়েছে। প্রাণঘাতি এ ভাইরাসের সংক্রমণ আটকাতে প্রাণপণ চেষ্টা করছেন কর্মকর্তারা।

গতকাল শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) এক প্রতিবেদনে সংবাদমাধ্যম দ্য গা্র্ডিয়ান জানিয়েছে, মূলত খাঁচায় বন্দি থাকা বাঘই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা যাচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে চিড়িয়াখানার কর্মীরা বাঘের খাঁচায় জীবাণুনাশক ব্যবহার এবং বেঁচে থাকা প্রাণীগুলিকে ভ্যাকসিন দেওয়ার ব্যবস্থা করছেন।

ঠিক কোন ভাইরাসে এত বাঘের মৃত্যু হলো সেটি নিশ্চিত নয়। সরকারের আঞ্চলিক চিয়াং মাই প্রাণী অফিস থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে বাঘের মৃত্যুর জন্য ক্যানিন ডিসটেম্পার ভাইরাসের কথা বলা হয়েছে। এছাড়া প্রাণীবিদরা মাইকোপ্লাসমার উপস্থিতিও পাচ্ছেন বাঘগুলোর দেহে।

থাই কৃষি মন্ত্রণালয়ের প্রাণীসম্পদ বিভাগের মহাপরিচালক সোমচুয়ান রতনমুঙ্গলাকানন বলেছিলেন, মৃত্যু হওয়া বাঘগুলো ফেলিন পেনলিউকোপেনিয়াতে আক্রান্ত হয়েছে।

তিনি বলেন, অসুস্থ বাঘগুলোকে শেষ মুহূর্তে গিয়ে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। তিনি বিশ্লেষণ করে বলেন. যখন কোনো কুকুর বা বিড়াল অসুস্থ হয় তখন এগুলোকে তাৎক্ষণিকভাবে চিকিৎসা দেওয়া যায়। কারণ এসব প্রাণী মানুষের কাছাকাছি থাকে। কিন্তু মানুষ যেহেতু বাঘের থেকে দূরে থাকেন তাই কোনো বাঘ অসুস্থ হয়ে এটি সঙ্গে সঙ্গে বোঝা যায় না। যখন বোঝা যায় তখন অসুস্থ বাঘ গুরুতর অসুস্থ হয়ে যায়।

সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

 

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

আলোচিত সংবাদ

থাইল্যান্ডে ছড়িয়ে পড়েছে ভাইরাস, একে একে মারা যাচ্ছে বাঘ

Update Time : ০৬:৪৫:০০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
9 / 100 SEO Score

থাইল্যান্ডের উত্তরাঞ্চলে অত্যন্ত সংক্রামক ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ছে। এতে করে সেখানে এখন পর্যন্ত ৭২টি বাঘের মৃত্যু হয়েছে। প্রাণঘাতি এ ভাইরাসের সংক্রমণ আটকাতে প্রাণপণ চেষ্টা করছেন কর্মকর্তারা।

গতকাল শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) এক প্রতিবেদনে সংবাদমাধ্যম দ্য গা্র্ডিয়ান জানিয়েছে, মূলত খাঁচায় বন্দি থাকা বাঘই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা যাচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে চিড়িয়াখানার কর্মীরা বাঘের খাঁচায় জীবাণুনাশক ব্যবহার এবং বেঁচে থাকা প্রাণীগুলিকে ভ্যাকসিন দেওয়ার ব্যবস্থা করছেন।

ঠিক কোন ভাইরাসে এত বাঘের মৃত্যু হলো সেটি নিশ্চিত নয়। সরকারের আঞ্চলিক চিয়াং মাই প্রাণী অফিস থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে বাঘের মৃত্যুর জন্য ক্যানিন ডিসটেম্পার ভাইরাসের কথা বলা হয়েছে। এছাড়া প্রাণীবিদরা মাইকোপ্লাসমার উপস্থিতিও পাচ্ছেন বাঘগুলোর দেহে।

থাই কৃষি মন্ত্রণালয়ের প্রাণীসম্পদ বিভাগের মহাপরিচালক সোমচুয়ান রতনমুঙ্গলাকানন বলেছিলেন, মৃত্যু হওয়া বাঘগুলো ফেলিন পেনলিউকোপেনিয়াতে আক্রান্ত হয়েছে।

তিনি বলেন, অসুস্থ বাঘগুলোকে শেষ মুহূর্তে গিয়ে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। তিনি বিশ্লেষণ করে বলেন. যখন কোনো কুকুর বা বিড়াল অসুস্থ হয় তখন এগুলোকে তাৎক্ষণিকভাবে চিকিৎসা দেওয়া যায়। কারণ এসব প্রাণী মানুষের কাছাকাছি থাকে। কিন্তু মানুষ যেহেতু বাঘের থেকে দূরে থাকেন তাই কোনো বাঘ অসুস্থ হয়ে এটি সঙ্গে সঙ্গে বোঝা যায় না। যখন বোঝা যায় তখন অসুস্থ বাঘ গুরুতর অসুস্থ হয়ে যায়।

সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান