Dhaka ০৭:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬, ১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :

দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে বাসডুবি: প্রাণহানি বেড়ে ২০

12 / 100 SEO Score

রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে পদ্মা নদীতে বাসডুবির ঘটনায় এ পর্যন্ত মোট ২০ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এর মধ্যে ১৪ জন নারী ও ৬ জন পুরুষ রয়েছেন।

বুধবার (২৫ মার্চ) বিকেলে কুষ্টিয়া থেকে ঢাকাগামী সৌহার্দ্য পরিবহনের একটি বাস ফেরিঘাটের পন্টুন থেকে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নদীতে পড়ে গেলে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।

বিকেল সোয়া ৫টার দিকে বাসটি দুর্ঘটনার কবলে পড়ার পর বিআইডব্লিউটিএ-এর উদ্ধারকারী জাহাজ ‘হামজা’ এবং ফায়ার সার্ভিস ও কোস্টগার্ডের ডুবুরি দল উদ্ধার কাজ শুরু করে। প্রতিকূল আবহাওয়া ও তীব্র স্রোতের প্রতিকূলতা পেরিয়ে রাত সাড়ে ১১টার দিকে বাসটি নদী থেকে টেনে তোলা হয়। উদ্ধার অভিযানের এই পর্যায়ে ভোর সাড়ে ৪টা পর্যন্ত ২০ জনের মৃত্যু নিশ্চিত হওয়া গেছে।

দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে সরকার দুটি পৃথক তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। একটির নেতৃত্বে আছেন রাজবাড়ীর অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এবং অপরটির নেতৃত্বে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মহিদুল ইসলাম। কমিটি দুটিকে তিন কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

নৌপরিবহন ও সেতু প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসান জানিয়েছেন, নিহতদের দাফনের জন্য জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে পরিবার প্রতি প্রাথমিকভাবে ২৫ হাজার টাকা এবং আহতদের চিকিৎসার জন্য ১৫ হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে। এছাড়া ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর স্থায়ী পুনর্বাসনের বিষয়ে সরকার উদ্যোগ গ্রহণ করবে। বর্তমানে উদ্ধার অভিযান ও নিহতের নাম-পরিচয় শনাক্তের কাজ চলমান রয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দুর্ঘটনার খবর পাওয়ার পর থেকেই সার্বক্ষণিক খোঁজ-খবর রাখছেন এবং প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দিচ্ছেন। নিখোঁজদের সন্ধানে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও উদ্ধারকারী দল তল্লাশি অব্যাহত রেখেছে।

 

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে বাসডুবি: প্রাণহানি বেড়ে ২০

Update Time : ০৪:৫১:২০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬
12 / 100 SEO Score

রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে পদ্মা নদীতে বাসডুবির ঘটনায় এ পর্যন্ত মোট ২০ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এর মধ্যে ১৪ জন নারী ও ৬ জন পুরুষ রয়েছেন।

বুধবার (২৫ মার্চ) বিকেলে কুষ্টিয়া থেকে ঢাকাগামী সৌহার্দ্য পরিবহনের একটি বাস ফেরিঘাটের পন্টুন থেকে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নদীতে পড়ে গেলে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।

বিকেল সোয়া ৫টার দিকে বাসটি দুর্ঘটনার কবলে পড়ার পর বিআইডব্লিউটিএ-এর উদ্ধারকারী জাহাজ ‘হামজা’ এবং ফায়ার সার্ভিস ও কোস্টগার্ডের ডুবুরি দল উদ্ধার কাজ শুরু করে। প্রতিকূল আবহাওয়া ও তীব্র স্রোতের প্রতিকূলতা পেরিয়ে রাত সাড়ে ১১টার দিকে বাসটি নদী থেকে টেনে তোলা হয়। উদ্ধার অভিযানের এই পর্যায়ে ভোর সাড়ে ৪টা পর্যন্ত ২০ জনের মৃত্যু নিশ্চিত হওয়া গেছে।

দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে সরকার দুটি পৃথক তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। একটির নেতৃত্বে আছেন রাজবাড়ীর অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এবং অপরটির নেতৃত্বে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মহিদুল ইসলাম। কমিটি দুটিকে তিন কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

নৌপরিবহন ও সেতু প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসান জানিয়েছেন, নিহতদের দাফনের জন্য জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে পরিবার প্রতি প্রাথমিকভাবে ২৫ হাজার টাকা এবং আহতদের চিকিৎসার জন্য ১৫ হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে। এছাড়া ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর স্থায়ী পুনর্বাসনের বিষয়ে সরকার উদ্যোগ গ্রহণ করবে। বর্তমানে উদ্ধার অভিযান ও নিহতের নাম-পরিচয় শনাক্তের কাজ চলমান রয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দুর্ঘটনার খবর পাওয়ার পর থেকেই সার্বক্ষণিক খোঁজ-খবর রাখছেন এবং প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দিচ্ছেন। নিখোঁজদের সন্ধানে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও উদ্ধারকারী দল তল্লাশি অব্যাহত রেখেছে।