Dhaka ০৫:৫৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শুরু বৈশাখী শোভাযাত্রা, চারুকলা থেকে বর্ণিল আয়োজনে মানুষের ঢল

12 / 100 SEO Score

 

বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদ থেকে শুরু হয়েছে ঐতিহ্যবাহী বৈশাখী শোভাযাত্রা। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সকাল ৯টায় শুরু হওয়া এ শোভাযাত্রায় অংশ নেয় নানা বয়স ও শ্রেণিপেশার মানুষ।

রাজধানীর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়-এর চারুকলা অনুষদ থেকে বের হওয়া এই শোভাযাত্রায় ছিল রঙিন মুখোশ, বিশাল মোটিফ ও লোকজ শিল্পের বহুমাত্রিক উপস্থাপনা। অংশগ্রহণকারীদের ঢলে মুখর হয়ে ওঠে পুরো এলাকা।

নিরাপত্তার বিষয়টি মাথায় রেখে শোভাযাত্রা ঘিরে নেওয়া হয় কঠোর ব্যবস্থা। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি বিভিন্ন নিরাপত্তা সংস্থা সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে ছিল।

এর আগে ভোরে রমনার বটমূলে অনুষ্ঠিত হয় বর্ষবরণের প্রভাতী আয়োজন, যেখানে সম্মিলিত কণ্ঠে ‘জাগো আলোক-লগনে’ গান পরিবেশনের মাধ্যমে নতুন বছরকে স্বাগত জানানো হয়। প্রায় দুই ঘণ্টার আয়োজনে মোট ২২টি গান পরিবেশিত হয়।

বর্ষবরণের এই উৎসব ঘিরে রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে মানুষের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। অনেকের কাছে এটি শুধু সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান নয়, বরং শেকড়ে ফিরে যাওয়ার এক আবেগঘন উপলক্ষ।

শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণকারীদের কণ্ঠে উঠে আসে সাম্প্রতিক বাউল শিল্পীদের ওপর হামলার প্রতিবাদও। একই সঙ্গে তারা একটি অসাম্প্রদায়িক, সাংস্কৃতিক বাংলাদেশের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

 

Tag :

Recent Comments

No comments to show.

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

শুরু বৈশাখী শোভাযাত্রা, চারুকলা থেকে বর্ণিল আয়োজনে মানুষের ঢল

Update Time : ০৫:৩০:৩৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬
12 / 100 SEO Score

 

বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদ থেকে শুরু হয়েছে ঐতিহ্যবাহী বৈশাখী শোভাযাত্রা। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সকাল ৯টায় শুরু হওয়া এ শোভাযাত্রায় অংশ নেয় নানা বয়স ও শ্রেণিপেশার মানুষ।

রাজধানীর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়-এর চারুকলা অনুষদ থেকে বের হওয়া এই শোভাযাত্রায় ছিল রঙিন মুখোশ, বিশাল মোটিফ ও লোকজ শিল্পের বহুমাত্রিক উপস্থাপনা। অংশগ্রহণকারীদের ঢলে মুখর হয়ে ওঠে পুরো এলাকা।

নিরাপত্তার বিষয়টি মাথায় রেখে শোভাযাত্রা ঘিরে নেওয়া হয় কঠোর ব্যবস্থা। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি বিভিন্ন নিরাপত্তা সংস্থা সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে ছিল।

এর আগে ভোরে রমনার বটমূলে অনুষ্ঠিত হয় বর্ষবরণের প্রভাতী আয়োজন, যেখানে সম্মিলিত কণ্ঠে ‘জাগো আলোক-লগনে’ গান পরিবেশনের মাধ্যমে নতুন বছরকে স্বাগত জানানো হয়। প্রায় দুই ঘণ্টার আয়োজনে মোট ২২টি গান পরিবেশিত হয়।

বর্ষবরণের এই উৎসব ঘিরে রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে মানুষের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। অনেকের কাছে এটি শুধু সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান নয়, বরং শেকড়ে ফিরে যাওয়ার এক আবেগঘন উপলক্ষ।

শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণকারীদের কণ্ঠে উঠে আসে সাম্প্রতিক বাউল শিল্পীদের ওপর হামলার প্রতিবাদও। একই সঙ্গে তারা একটি অসাম্প্রদায়িক, সাংস্কৃতিক বাংলাদেশের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।