আর্জেন্টিনার কাছে হার: রেফারির সমালোচনা করায় মিশরের কোচসহ তিনজন নিষিদ্ধ
২০২৬ বিশ্বকাপে শেষ ষোলোয় আর্জেন্টিনার কাছে ৩–২ গোলে হেরে বিদায় নিয়েছিল মিশর। সেই ম্যাচে রেফারির সমালোচনা করায় মিশর কোচ হোসাম হাসান ও ফরোয়ার্ড মোস্তফা জিকোসহ তিনজনকে নিষিদ্ধ করেছে ফিফা। সোমবার (১৯ অক্টোবর) খবরটি জানিয়েছে মিশর ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (ইএফএ)।
মিসর কোচ হোসাম হাসানকে তিন ম্যাচ ও ফরোয়ার্ড মোস্তফা জিকোকে পাঁচ ম্যাচ নিষিদ্ধ করেছে ফিফা। এছাড়া মিশর কোচ হাসানের যমজ ভাই এবং মিশরের জাতীয় দলের পরিচালক ইব্রাহিম হাসানকেও তিন ম্যাচ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
রেফারির ভুলকে মিশরের বিদায়ের কারণ হিসেবে দায়ী করায় শাস্তি পেয়েছেন ৬০ বছর বয়সী কোচ হাসান। হারের পর সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেছিলেন, ‘মাঠের ভেতরে কিছু সিদ্ধান্ত এবং মাঠের বাইরে কিছু বিষয় ম্যাচের ফলকে প্রভাবিত করেছে। হয়তো তারা চেয়েছিল বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা টুর্নামেন্টে টিকে থাকুক। হয়তো তারা চেয়েছিল মেসি প্রতিযোগিতায় থাকুক।’
হাসান আরও বলেছিলেন, ‘বাস্তব জীবন অন্যায্য হতে পারে, কিন্তু খেলাধুলায়ও কেন ন্যায্যতা থাকবে না?’ এই ম্যাচের ফল এবং যেভাবে সবকিছু ঘটেছে, তাতে আমি সন্তুষ্ট নই। বলতে চাই “দুর্ভাগ্য”, কিন্তু বাস্তবে আমাদের সঙ্গে অন্যায় করা হয়েছে।’
জিকো শাস্তি পেয়েছেন ম্যাচ–পরবর্তী সাক্ষাৎকারে রেফারি ফ্রাঁসোয়া লেতেক্সিয়েকে নিয়ে কটূক্তি করার জন্য। তিনি বলেছিলেন, ‘রেফারি অন্যায় করেছেন, অন্যায় করেছেন। রেফারি একদমই ফেয়ার ছিলেন না। তিনি একজন জালিম। এটি স্পষ্ট ও দিবালোকের মতো পরিষ্কার তিনি অবিচার করেছেন।’
মিশর ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের (ইএফএ) বিবৃতিতে বলা হয়, ‘সিদ্ধান্ত অনুযায়ী হোসাম হাসান ও ইব্রাহিম হাসান দুজনেই তিন ম্যাচ করে এবং জিকো পাঁচ ম্যাচের জন্য নিষিদ্ধ হয়েছেন।’
আপিলের আইনি দিক খতিয়ে দেখতে এবং সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে ফিফার শৃঙ্খলা কমিটির কাছে এই শাস্তির বিস্তারিত কারণ জানতে চেয়েছে মিশর ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন।
এই নিষেধাজ্ঞার কারণে আগামী নভেম্বরে আফ্রিকা কাপ অব নেশনস বাছাইপর্বে পরবর্তী রাউন্ডে মালাউইয়ের বিপক্ষে ম্যাচে হোসাম হাসান ও ইব্রাহিম হাসানকে পাচ্ছে না মিশর। মার্চের আন্তর্জাতিক বিরতিতে প্রথম ম্যাচেও তাদের অনুপস্থিত থাকার কথা। জিকোকে জাতীয় দলের বাইরে থাকতে হবে আগামী জুন পর্যন্ত।



















