Dhaka ০৮:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

এমবাপ্পের হ্যাটট্রিকে সোসিয়েদাদকে উড়িয়ে দিলো রিয়াল মাদ্রিদ

ক্রীড়া প্রতিবেদক
4 / 100 SEO Score

 

ম্যাচের ৪০ মিনিটে এগিয়ে যাওয়ার আনন্দ বেশিক্ষণ টেকেনি, বিরতির ঠিক আগমুহূর্তে গোল হজম করে উল্টো সান্তিয়াগো বার্নাব্যুর দর্শকদের দুয়ো শুনতে হয়েছিল রিয়াল মাদ্রিদকে। তবে সেই ক্ষোভকেই যেন বারুদে রূপ দিল হোসে মরিনিয়োর দল। বিরতির পর কিলিয়ান এমবাপ্পের বিধ্বংসী হ্যাটট্রিকে রিয়াল সোসিয়েদাদকে ৪-১ গোলে উড়িয়ে দিয়েছে রিয়াল মাদ্রিদ। দলের এই বড় জয়ে ভিনিসিয়ুস জুনিয়র একটি করে গোল ও অ্যাসিস্ট এবং জুড বেলিংহ্যাম করেছেন জোড়া অ্যাসিস্ট।

সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে মৌসুমের প্রথম ম্যাচ খেলতে নেমে প্রথমার্ধ ছিল স্বাগতিক লস ব্লাঙ্কোসদের জন্য মিশ্র অভিজ্ঞতার। লিড নেওয়ার পর তারা গোল হজম করে রক্ষণের দুর্বলতায়। আর বিরতির পর চেপে ধরে সোসিয়েদাদকে। তাদের পক্ষে এক গোল করে ব্যবধান কমান লুকা সুসিক।

যদিও একাদশ মিনিটে প্রথম সুযোগটি পেয়েছিল সোসিয়েদাদ। মিকেল ওইয়ারজাবাল ডি-বক্সের ফাঁকা জায়গায় বল পেয়ে শট নিলেও, সেটি ঠেকিয়ে দিয়েছেন থিবো কোর্তোয়া। একইভাবে প্রতিপক্ষের ডি-বক্সেও ভিনিসিয়ুস ফাঁকায় বল পেয়েছিলেন। তার শটও পা দিয়ে রুখে দিয়েছেন সোসিয়েদাদ গোলরক্ষক অ্যালেক্স রেমিরো। ৩৫ মিনিটে সফরকারীদের আরেকটি শট বেরিয়ে যায় দূরের পোস্ট ঘেঁষে।

এরপর রিয়াল প্রথম লিড নেয় ৪০ মিনিটে। ফেদে ভালভার্দের দারুণ এক পাস এক স্পর্শে নিয়ন্ত্রণে নিয়ে প্রতিপক্ষের একজনকে এড়িয়ে নিখুঁত শটে জালে জড়ান এমবাপ্পে। সেই উল্লাস বেশিক্ষণ স্থায়ী হতে দেয়নি সোসিয়েদাদ। তাদের একটি শট রিয়াল ডিফেন্ডারের পায়ে লেগে ফেরার পর ক্রোয়াট মিডফিল্ডার সুসিক এসে কোনাকুনি শটে রিয়ালের জাল কাঁপান। স্কোরলাইন পরিণত হয় ১-১ এ।

বিরতির পর রিয়াল আক্রমণে জোর দেয়। ফলে আবারও লিডে ফেরে ৬০ মিনিটে, বেলিংহ্যামের সঙ্গে একবার বল দেওয়া-নেওয়ার মাঝেই জায়গা বানিয়ে এমবাপ্পে কোনাকুনি শটে গোলরক্ষককে পরাস্ত করেন। ইংলিশ তারকার আরেকটি অ্যাসিস্টে ৬৮ মিনিটে গোল করলেন ভিনিসিয়ুসও। সোসিয়েদাদ রক্ষণের দুর্বলতা কাজে লাগিয়ে বাইলাইন থেকে বল বাড়িয়েছিলেন বেলিংহ্যাম।

এমবাপ্পে হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন ৮০ মিনিটে, একইসঙ্গে নিশ্চিত হয় রিয়ালের বড় জয়। ব্রাজিল তারকা ভিনিসিয়ুস প্রতিপক্ষের একজনের দুই পায়ের ফাঁক দিয়ে থ্রু বল বাড়ান ফরাসি তারকার উদ্দেশে, তিনি ছয় গজ বক্সের ঠিক বাইরে থেকে শটে সোসিয়েদাদকে চতুর্থ গোল হজম করান। ভিএআরে আরেকটি গোল বাতিল না হলে স্কোরশিটে নাম উঠতে পারত ব্রাহিম দিয়াজেরও। তবে অসুবিধা হয়নি রিয়ালের, টানা দুই জয়ে তারা এখন লা লিগার টেবিলের শীর্ষে।

 

Tag :

Recent Comments

No comments to show.

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

2 + 9 =

About Author Information

এমবাপ্পের হ্যাটট্রিকে সোসিয়েদাদকে উড়িয়ে দিলো রিয়াল মাদ্রিদ

Update Time : ০৪:১৬:৪২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬
4 / 100 SEO Score

 

ম্যাচের ৪০ মিনিটে এগিয়ে যাওয়ার আনন্দ বেশিক্ষণ টেকেনি, বিরতির ঠিক আগমুহূর্তে গোল হজম করে উল্টো সান্তিয়াগো বার্নাব্যুর দর্শকদের দুয়ো শুনতে হয়েছিল রিয়াল মাদ্রিদকে। তবে সেই ক্ষোভকেই যেন বারুদে রূপ দিল হোসে মরিনিয়োর দল। বিরতির পর কিলিয়ান এমবাপ্পের বিধ্বংসী হ্যাটট্রিকে রিয়াল সোসিয়েদাদকে ৪-১ গোলে উড়িয়ে দিয়েছে রিয়াল মাদ্রিদ। দলের এই বড় জয়ে ভিনিসিয়ুস জুনিয়র একটি করে গোল ও অ্যাসিস্ট এবং জুড বেলিংহ্যাম করেছেন জোড়া অ্যাসিস্ট।

সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে মৌসুমের প্রথম ম্যাচ খেলতে নেমে প্রথমার্ধ ছিল স্বাগতিক লস ব্লাঙ্কোসদের জন্য মিশ্র অভিজ্ঞতার। লিড নেওয়ার পর তারা গোল হজম করে রক্ষণের দুর্বলতায়। আর বিরতির পর চেপে ধরে সোসিয়েদাদকে। তাদের পক্ষে এক গোল করে ব্যবধান কমান লুকা সুসিক।

যদিও একাদশ মিনিটে প্রথম সুযোগটি পেয়েছিল সোসিয়েদাদ। মিকেল ওইয়ারজাবাল ডি-বক্সের ফাঁকা জায়গায় বল পেয়ে শট নিলেও, সেটি ঠেকিয়ে দিয়েছেন থিবো কোর্তোয়া। একইভাবে প্রতিপক্ষের ডি-বক্সেও ভিনিসিয়ুস ফাঁকায় বল পেয়েছিলেন। তার শটও পা দিয়ে রুখে দিয়েছেন সোসিয়েদাদ গোলরক্ষক অ্যালেক্স রেমিরো। ৩৫ মিনিটে সফরকারীদের আরেকটি শট বেরিয়ে যায় দূরের পোস্ট ঘেঁষে।

এরপর রিয়াল প্রথম লিড নেয় ৪০ মিনিটে। ফেদে ভালভার্দের দারুণ এক পাস এক স্পর্শে নিয়ন্ত্রণে নিয়ে প্রতিপক্ষের একজনকে এড়িয়ে নিখুঁত শটে জালে জড়ান এমবাপ্পে। সেই উল্লাস বেশিক্ষণ স্থায়ী হতে দেয়নি সোসিয়েদাদ। তাদের একটি শট রিয়াল ডিফেন্ডারের পায়ে লেগে ফেরার পর ক্রোয়াট মিডফিল্ডার সুসিক এসে কোনাকুনি শটে রিয়ালের জাল কাঁপান। স্কোরলাইন পরিণত হয় ১-১ এ।

বিরতির পর রিয়াল আক্রমণে জোর দেয়। ফলে আবারও লিডে ফেরে ৬০ মিনিটে, বেলিংহ্যামের সঙ্গে একবার বল দেওয়া-নেওয়ার মাঝেই জায়গা বানিয়ে এমবাপ্পে কোনাকুনি শটে গোলরক্ষককে পরাস্ত করেন। ইংলিশ তারকার আরেকটি অ্যাসিস্টে ৬৮ মিনিটে গোল করলেন ভিনিসিয়ুসও। সোসিয়েদাদ রক্ষণের দুর্বলতা কাজে লাগিয়ে বাইলাইন থেকে বল বাড়িয়েছিলেন বেলিংহ্যাম।

এমবাপ্পে হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন ৮০ মিনিটে, একইসঙ্গে নিশ্চিত হয় রিয়ালের বড় জয়। ব্রাজিল তারকা ভিনিসিয়ুস প্রতিপক্ষের একজনের দুই পায়ের ফাঁক দিয়ে থ্রু বল বাড়ান ফরাসি তারকার উদ্দেশে, তিনি ছয় গজ বক্সের ঠিক বাইরে থেকে শটে সোসিয়েদাদকে চতুর্থ গোল হজম করান। ভিএআরে আরেকটি গোল বাতিল না হলে স্কোরশিটে নাম উঠতে পারত ব্রাহিম দিয়াজেরও। তবে অসুবিধা হয়নি রিয়ালের, টানা দুই জয়ে তারা এখন লা লিগার টেবিলের শীর্ষে।