Dhaka ০৫:১৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

এসআর গ্রুপের শতকোটি টাকার যৌথ বিনিয়োগ

8 / 100 SEO Score

 

বাংলাদেশের অন্যতম শিল্পগোষ্ঠী এসআর গ্রুপের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান এসআর কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের সঙ্গে চীন, কানাডা ও জার্মানির তিন প্রতিষ্ঠানের প্রায় ১০০ কোটি টাকার বৈদেশিক প্রত্যক্ষ বিনিয়োগের (এফডিআই) যৌথ বিনিয়োগ চুক্তি হয়েছে। এ বিনিয়োগের আওতায় বাংলাদেশে একটি আধুনিক ট্রাইক্লোরোইসায়ানুরিক এসিড উৎপাদন কারখানা স্থাপন করা হবে। যৌথ উদ্যোগে বাস্তবায়ন হতে যাওয়া প্রকল্পটির উৎপাদিত পণ্যের শতভাগ বিদেশে রপ্তানির লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে।

এই বিনিয়োগের আওতায় বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠিত হবে একটি আধুনিক ট্রাইক্লোরোইসায়ানুরিক এসিড উৎপাদন কারখানা। যৌথ উদ্যোগ প্রতিষ্ঠান এসআর প্যাসিফিক ক্যামিকেল ইন্ডাস্ট্রিজ লি. প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে।

বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

প্রকল্পের আওতায় এসআর কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের উৎপাদিত ক্লোরিন কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহার করা হবে। কারখানায় উৎপাদিত ট্রাইক্লোরোইসায়ানুরিক এসিড-এর শতভাগ বিদেশে রপ্তানির লক্ষ্যে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

ইতোমধ্যে প্ল্যান্ট স্থাপনের প্রাথমিক কার্যক্রম শুরু হয়েছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী ২০২৭ সালের দ্বিতীয় প্রান্তিক থেকে বাণিজ্যিক উৎপাদন ও রপ্তানি কার্যক্রম শুরু করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে এসআর কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আসিফ রব্বানী এবং পুয়াং কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শিনকে ওয়াং নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। অনুষ্ঠানে এসআর গ্রুপের প্রধান কৌশলগত উপদেষ্টা মেহবুব চৌধুরীসহ উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এ যৌথ বিনিয়োগ বাংলাদেশের রাসায়নিক শিল্পে আন্তর্জাতিক মানের প্রযুক্তি ও উৎপাদন সক্ষমতা সম্প্রসারণের পাশাপাশি প্রযুক্তি ও দক্ষতা বিনিময়, রপ্তানি বহুমুখীকরণ এবং বৈদেশিক বিনিয়োগ আকর্ষণে নতুন সুযোগ তৈরি করবে।

একই সঙ্গে স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত কাঁচামালের ব্যবহার বৃদ্ধি, নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং রাসায়নিক পণ্য রপ্তানির মাধ্যমে দেশের বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে প্রকল্পটি ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।

Tag :

Recent Comments

No comments to show.

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

one + 8 =

About Author Information

এসআর গ্রুপের শতকোটি টাকার যৌথ বিনিয়োগ

Update Time : ০৩:৪৩:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
8 / 100 SEO Score

 

বাংলাদেশের অন্যতম শিল্পগোষ্ঠী এসআর গ্রুপের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান এসআর কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের সঙ্গে চীন, কানাডা ও জার্মানির তিন প্রতিষ্ঠানের প্রায় ১০০ কোটি টাকার বৈদেশিক প্রত্যক্ষ বিনিয়োগের (এফডিআই) যৌথ বিনিয়োগ চুক্তি হয়েছে। এ বিনিয়োগের আওতায় বাংলাদেশে একটি আধুনিক ট্রাইক্লোরোইসায়ানুরিক এসিড উৎপাদন কারখানা স্থাপন করা হবে। যৌথ উদ্যোগে বাস্তবায়ন হতে যাওয়া প্রকল্পটির উৎপাদিত পণ্যের শতভাগ বিদেশে রপ্তানির লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে।

এই বিনিয়োগের আওতায় বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠিত হবে একটি আধুনিক ট্রাইক্লোরোইসায়ানুরিক এসিড উৎপাদন কারখানা। যৌথ উদ্যোগ প্রতিষ্ঠান এসআর প্যাসিফিক ক্যামিকেল ইন্ডাস্ট্রিজ লি. প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে।

বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

প্রকল্পের আওতায় এসআর কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের উৎপাদিত ক্লোরিন কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহার করা হবে। কারখানায় উৎপাদিত ট্রাইক্লোরোইসায়ানুরিক এসিড-এর শতভাগ বিদেশে রপ্তানির লক্ষ্যে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

ইতোমধ্যে প্ল্যান্ট স্থাপনের প্রাথমিক কার্যক্রম শুরু হয়েছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী ২০২৭ সালের দ্বিতীয় প্রান্তিক থেকে বাণিজ্যিক উৎপাদন ও রপ্তানি কার্যক্রম শুরু করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে এসআর কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আসিফ রব্বানী এবং পুয়াং কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শিনকে ওয়াং নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। অনুষ্ঠানে এসআর গ্রুপের প্রধান কৌশলগত উপদেষ্টা মেহবুব চৌধুরীসহ উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এ যৌথ বিনিয়োগ বাংলাদেশের রাসায়নিক শিল্পে আন্তর্জাতিক মানের প্রযুক্তি ও উৎপাদন সক্ষমতা সম্প্রসারণের পাশাপাশি প্রযুক্তি ও দক্ষতা বিনিময়, রপ্তানি বহুমুখীকরণ এবং বৈদেশিক বিনিয়োগ আকর্ষণে নতুন সুযোগ তৈরি করবে।

একই সঙ্গে স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত কাঁচামালের ব্যবহার বৃদ্ধি, নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং রাসায়নিক পণ্য রপ্তানির মাধ্যমে দেশের বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে প্রকল্পটি ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।