Dhaka ১০:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কাদার নিচে মিলছে একের পর এক মরদেহ

4 / 100 SEO Score

 

নেপালের রাসুয়া জেলায় ভয়াবহ আকস্মিক বন্যার পর পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠেছে। কাদার নিচ থেকে উদ্ধার করা হচ্ছে একের পর এক মরদেহ।

বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) দেশটির পুলিশ জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত ৩৮৯ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। প্রবল স্রোত, ভূমিধস ও কাদার স্রোতে ঘরবাড়ি ও অবকাঠামো ধ্বংস হয়ে যাওয়ায় উদ্ধার অভিযান এখনও চলছে।

সংবাদমাধ্যম বিবিসি বাংলাদেশ সময় রাত সাড়ে ১০টার দিকে জানায়, নেপাল পুলিশ তাদের নতুন তথ্যে ৩৮৯টি মরদেহ উদ্ধারের কথা বলেছে। এর আগে এ সংখ্যাটি ছিল ৩৫৯। এতে দেখা যাচ্ছে ঘণ্টায় ঘণ্টায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে চলছে।

এদিকে পুলিশ জানিয়েছে, বন্যায় আক্রান্ত পরিবারগুলোকে এখন অন্যত্র সরানো হচ্ছে। এছাড়া আরেকবার বন্যা হলে যেসব মানুষ ঝুঁকিতে পড়তে পারেন তাদেরও সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

গতকাল সকালে হঠাৎ করে রাসুয়ার দিকে ধেয়ে আসে আকস্মিক ঢল। এ সময় সেখানে ত্রিশূলি এবং নারায়নি নদীর পানি বেড়ে যায়। আর ভোটকোশি নদীর পানি ফুলেফেঁপে ওঠে। পাহাড়ের ওপর থেকে নেমে আসা পানিতে যুক্ত হয় ভূমিধসের কাদামাটি, পাথর।

এই বানের শক্তি এতই বেশি ছিল যে এটি তার পথে থাকা সবধরনের অবকাঠামো সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস করে দিয়েছে। ঘরবাড়ি, সেতু, গাছপালা, বৈদ্যুতিক খুঁটি- সব ভাসিয়ে নিয়ে গেছে এটি।

নেপালের পাশাপাশি চীনের স্বায়ত্বশাসিত অঞ্চল তিব্বতও ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সেখানে অন্তত ৩০০ জন মানুষ নিখোঁজ আছেন। গতকাল চীন তিব্বতে তিনজনের মৃত্যুর তথ্য দিয়েছিল।

সূত্র: বিবিসি

Recent Comments

No comments to show.

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

twelve + 5 =

About Author Information

কাদার নিচে মিলছে একের পর এক মরদেহ

Update Time : ০৭:১৩:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬
4 / 100 SEO Score

 

নেপালের রাসুয়া জেলায় ভয়াবহ আকস্মিক বন্যার পর পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠেছে। কাদার নিচ থেকে উদ্ধার করা হচ্ছে একের পর এক মরদেহ।

বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) দেশটির পুলিশ জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত ৩৮৯ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। প্রবল স্রোত, ভূমিধস ও কাদার স্রোতে ঘরবাড়ি ও অবকাঠামো ধ্বংস হয়ে যাওয়ায় উদ্ধার অভিযান এখনও চলছে।

সংবাদমাধ্যম বিবিসি বাংলাদেশ সময় রাত সাড়ে ১০টার দিকে জানায়, নেপাল পুলিশ তাদের নতুন তথ্যে ৩৮৯টি মরদেহ উদ্ধারের কথা বলেছে। এর আগে এ সংখ্যাটি ছিল ৩৫৯। এতে দেখা যাচ্ছে ঘণ্টায় ঘণ্টায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে চলছে।

এদিকে পুলিশ জানিয়েছে, বন্যায় আক্রান্ত পরিবারগুলোকে এখন অন্যত্র সরানো হচ্ছে। এছাড়া আরেকবার বন্যা হলে যেসব মানুষ ঝুঁকিতে পড়তে পারেন তাদেরও সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

গতকাল সকালে হঠাৎ করে রাসুয়ার দিকে ধেয়ে আসে আকস্মিক ঢল। এ সময় সেখানে ত্রিশূলি এবং নারায়নি নদীর পানি বেড়ে যায়। আর ভোটকোশি নদীর পানি ফুলেফেঁপে ওঠে। পাহাড়ের ওপর থেকে নেমে আসা পানিতে যুক্ত হয় ভূমিধসের কাদামাটি, পাথর।

এই বানের শক্তি এতই বেশি ছিল যে এটি তার পথে থাকা সবধরনের অবকাঠামো সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস করে দিয়েছে। ঘরবাড়ি, সেতু, গাছপালা, বৈদ্যুতিক খুঁটি- সব ভাসিয়ে নিয়ে গেছে এটি।

নেপালের পাশাপাশি চীনের স্বায়ত্বশাসিত অঞ্চল তিব্বতও ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সেখানে অন্তত ৩০০ জন মানুষ নিখোঁজ আছেন। গতকাল চীন তিব্বতে তিনজনের মৃত্যুর তথ্য দিয়েছিল।

সূত্র: বিবিসি