ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ৩০ কিলোমিটার যানজট
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ক্যান্টনমেন্ট এলাকা থেকে চৌদ্দগ্রাম উপজেলার মিয়াবাজার পর্যন্ত ৩০ কিলোমিটার যানজটরে সৃষ্টি হয়ছে। এতে যাত্রীবাহী বাস, পণ্যবাহী ট্রাক, কাভার্ডভ্যানসহ সব ধরনের যানবাহনের চালক এবং যাত্রীরা ভোগান্তির শিকার হন।
কুমিল্লা ময়নামতি হাইওয়ে থানার ওসি আব্দুল মুমিন জানান, মহাসড়কের আমতলী বিশ্বরোড এলাকায় বড় বড় গর্ত সৃষ্টি হয়েছে। এসব গর্তের কারণে সেখানে এসে সব ধরনের যানবাহন থমকে যাচ্ছে। এতে পেছনে শত শত যানবাহনের জটলা সৃষ্টি হচ্ছে। তাছাড়া মহাসড়কের কয়েকটি পয়েন্টে সড়ক ও জনপদ (সওজ) বিভাগ সংস্কার কাজ করছে। ফলে যানজট সৃষ্টি হয়েছে। আমরা যানজট নিরসনে কাজ করছি।
চালক এবং যাত্রীরা জানান, শুক্রবার ভোরে যানজট আমতলী এলাকা থেকে মিয়ার বাজার পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ে। এই ৩০ কিলোমিটার যানজট পাড়ি দিতে ৩-৪ ঘণ্টা সময় লাগছে। বিশেষ করে রোগীবাহী অ্যাম্বুলেন্সগুলো বিপাকে পড়েছে। এদিকে মহাসড়কের পাশে সিএনজি ফিলিং স্টেশনগুলোতে দীর্ঘ সারি যানজটের আরেক কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
লক্ষ্মীপুর থেকে ঢাকাগামী ইকোনো পরিবহণের যাত্রী হেলাল উদ্দিন বলেন, মিয়ার বাজার থেকে যানজট শুরু হয়েছে। প্রায় ৪ ঘণ্টায় ৩০ কিলোমিটার যানজট পাড়ি দিয়েছি। আমাদের আজকের ভোগান্তি মনে রাখার মতো।
চট্টগ্রাম থেকে ঢাকাগামী হানিফ পরিবহণের যাত্রী আব্দুর রাজ্জাক বলেন, আমতলী এলাকায় ১ কিলোমিটার খানাখন্দ এবং মহাসড়কের পাশে সিএনজি ফিলিং স্টেশনের দীর্ঘ সারি যানজটের একমাত্র কারণ।
হাইওয়ে কুমিল্লা রিজিয়নের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শাহিনুর আলম বলেন, আমতলী এলাকায় মহাসড়কে অনেক বড় বড় গর্ত সৃষ্টি হয়েছে। সেখানে যানবাহনের ধীরগতিতে যানজট সৃষ্টি হয়েছে। আমরা যানজট নিরসনে কাজ করছি।















