Dhaka ১০:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পরিসংখ্যানে এগিয়ে মেসি নাকি এমবাপ্পে

8 / 100 SEO Score

 

একজন ৩৯ বছর বয়সেও ফুটবল বিশ্বকে মুগ্ধ করে চলেছেন, অন্যজন ক্যারিয়ারের সেরা সময়ে গোলের পর গোল করে যাচ্ছেন। ভিন্ন লিগ, ভিন্ন প্রেক্ষাপট এবং ভিন্ন চ্যালেঞ্জের মাঝেও ২০২৫–২৬ মৌসুমে লিওনেল মেসি ও কিলিয়ান এমবাপ্পের পারফরম্যান্স নিয়ে নতুন করে শুরু হয়েছে তুলনা। গোল, অ্যাসিস্ট, ড্রিবল, রেটিং ও দলীয় সাফল্য সব পরিসংখ্যান মিলিয়ে প্রশ্ন একটাই, এগিয়ে কে, মেসি নাকি এমবাপ্পে?

পরিসংখ্যান বলছে দলীয় সাফল্যের বিচারে এগিয়ে আর্জেন্টাইন মহাতারকা। তার নেতৃত্বে ইন্টার মায়ামি ইতিহাসে প্রথমবারের মতো এমএসএল শিরোপা জেতে। একই সঙ্গে আর্জেন্টিনাকে টানা দ্বিতীয়বার বিশ্বকাপের ফাইনালে তুললেও শেষ পর্যন্ত রানার্সআপ হয় আলবিসেলেস্তেরা।

ব্যক্তিগত পরিসংখ্যানে গোলের হিসাবে অবশ্য এগিয়ে এমবাপ্পে। ৬০ ম্যাচে করেছেন ৫৮ গোল, যার মধ্যে পেনাল্টি ছাড়া গোল ৪৩টি। সঙ্গে আছে ১৩টি অ্যাসিস্ট ও ১৩৬টি সফল ড্রিবল। লা লিগা, উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ এবং ২০২৬ বিশ্বকাপ; তিন প্রতিযোগিতাতেই সর্বোচ্চ গোলদাতা ছিলেন ফরাসি এই ফরোয়ার্ড।

অন্যদিকে মেসি ৪৯ ম্যাচে করেছেন ৪৫ গোল, যার মধ্যে পেনাল্টি ছাড়া ৪১টি। তবে গোল করানোর ক্ষেত্রে মেসি ছিলেন অনেক এগিয়ে। সতীর্থদের দিয়ে করিয়েছেন ৩০টি গোল এবং সফল ড্রিবল করেছেন ১১৭টি। পারফরম্যান্স রেটিংয়েও এমবাপ্পেকে ছাড়িয়ে গেছেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক। মেসির গড় রেটিং ৮.৫৫, যেখানে এমবাপ্পের ৭.৭৫।

বিশ্বকাপেও ইতিহাস গড়েছেন দুজনই। জার্মান কিংবদন্তি মিরোস্লাভ ক্লোসের সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড ভেঙে ফেলেন তারা। মেসি বিশ্বকাপ ক্যারিয়ার শেষ করেন ২১ গোল নিয়ে, যার মধ্যে ২০২৬ আসরে করেন ৮টি। আর এমবাপ্পে ২২ গোল নিয়ে বিশ্বকাপ ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতা হন। এবারের আসরেও ১০ গোল করে জেতেন গোল্ডেন বুট।

বিশ্বকাপ শেষে মেসি আবার ইন্টার মায়ামির হয়ে মাঠে নামবেন এবং টানা দ্বিতীয় এমএলএস শিরোপা জয়ের লক্ষ্যে খেলবেন। অন্যদিকে এমবাপ্পের সামনে অপেক্ষা করছে নতুন অধ্যায়। রিয়াল মাদ্রিদে নতুন কোচ জোসে মরিনহোর অধীনে এবং ফ্রান্সে জিনেদিন জিদানের নেতৃত্বে নতুন যাত্রা শুরু করবেন তিনি। লক্ষ্য থাকবে, শিরোপাহীন একটি মৌসুমের হতাশা কাটিয়ে নতুন সাফল্যের পথে ফেরা।

Recent Comments

No comments to show.

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

13 + seven =

About Author Information

পরিসংখ্যানে এগিয়ে মেসি নাকি এমবাপ্পে

Update Time : ০৪:০৭:০০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬
8 / 100 SEO Score

 

একজন ৩৯ বছর বয়সেও ফুটবল বিশ্বকে মুগ্ধ করে চলেছেন, অন্যজন ক্যারিয়ারের সেরা সময়ে গোলের পর গোল করে যাচ্ছেন। ভিন্ন লিগ, ভিন্ন প্রেক্ষাপট এবং ভিন্ন চ্যালেঞ্জের মাঝেও ২০২৫–২৬ মৌসুমে লিওনেল মেসি ও কিলিয়ান এমবাপ্পের পারফরম্যান্স নিয়ে নতুন করে শুরু হয়েছে তুলনা। গোল, অ্যাসিস্ট, ড্রিবল, রেটিং ও দলীয় সাফল্য সব পরিসংখ্যান মিলিয়ে প্রশ্ন একটাই, এগিয়ে কে, মেসি নাকি এমবাপ্পে?

পরিসংখ্যান বলছে দলীয় সাফল্যের বিচারে এগিয়ে আর্জেন্টাইন মহাতারকা। তার নেতৃত্বে ইন্টার মায়ামি ইতিহাসে প্রথমবারের মতো এমএসএল শিরোপা জেতে। একই সঙ্গে আর্জেন্টিনাকে টানা দ্বিতীয়বার বিশ্বকাপের ফাইনালে তুললেও শেষ পর্যন্ত রানার্সআপ হয় আলবিসেলেস্তেরা।

ব্যক্তিগত পরিসংখ্যানে গোলের হিসাবে অবশ্য এগিয়ে এমবাপ্পে। ৬০ ম্যাচে করেছেন ৫৮ গোল, যার মধ্যে পেনাল্টি ছাড়া গোল ৪৩টি। সঙ্গে আছে ১৩টি অ্যাসিস্ট ও ১৩৬টি সফল ড্রিবল। লা লিগা, উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ এবং ২০২৬ বিশ্বকাপ; তিন প্রতিযোগিতাতেই সর্বোচ্চ গোলদাতা ছিলেন ফরাসি এই ফরোয়ার্ড।

অন্যদিকে মেসি ৪৯ ম্যাচে করেছেন ৪৫ গোল, যার মধ্যে পেনাল্টি ছাড়া ৪১টি। তবে গোল করানোর ক্ষেত্রে মেসি ছিলেন অনেক এগিয়ে। সতীর্থদের দিয়ে করিয়েছেন ৩০টি গোল এবং সফল ড্রিবল করেছেন ১১৭টি। পারফরম্যান্স রেটিংয়েও এমবাপ্পেকে ছাড়িয়ে গেছেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক। মেসির গড় রেটিং ৮.৫৫, যেখানে এমবাপ্পের ৭.৭৫।

বিশ্বকাপেও ইতিহাস গড়েছেন দুজনই। জার্মান কিংবদন্তি মিরোস্লাভ ক্লোসের সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড ভেঙে ফেলেন তারা। মেসি বিশ্বকাপ ক্যারিয়ার শেষ করেন ২১ গোল নিয়ে, যার মধ্যে ২০২৬ আসরে করেন ৮টি। আর এমবাপ্পে ২২ গোল নিয়ে বিশ্বকাপ ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতা হন। এবারের আসরেও ১০ গোল করে জেতেন গোল্ডেন বুট।

বিশ্বকাপ শেষে মেসি আবার ইন্টার মায়ামির হয়ে মাঠে নামবেন এবং টানা দ্বিতীয় এমএলএস শিরোপা জয়ের লক্ষ্যে খেলবেন। অন্যদিকে এমবাপ্পের সামনে অপেক্ষা করছে নতুন অধ্যায়। রিয়াল মাদ্রিদে নতুন কোচ জোসে মরিনহোর অধীনে এবং ফ্রান্সে জিনেদিন জিদানের নেতৃত্বে নতুন যাত্রা শুরু করবেন তিনি। লক্ষ্য থাকবে, শিরোপাহীন একটি মৌসুমের হতাশা কাটিয়ে নতুন সাফল্যের পথে ফেরা।