পরীক্ষা সনদ নিয়ে অনিশ্চয়তায় পঞ্চগড়ের ২৪০ প্রশিক্ষনার্থী
প্রশিক্ষণ শেষ হওয়ার ৪ মাসেও মেলেনি পঞ্চগড়ের ২৪০ প্রশিক্ষনার্থীর পরীক্ষা সনদ । কথা ছিল, জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (এনএসডিএ) অধীনে মূল্যায়ন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলে দক্ষতার সনদ পাওয়ার কথা থাতলেও নির্ধারিত সময় পেরিয়ে গেলেও হয়নি মূল্যায়ন পরীক্ষা ।এর ফলে প্রশিক্ষণ শেষে সনদ পাওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তায় পড়েছেন পঞ্চগড়ের ২৪০ শিক্ষার্থী।
পঞ্চগড় সদর উপজেলার পোস্ট অফিসসংলগ্ন একটি ভবনে ‘পঞ্চগড় স্কিল ডেভেলপমেন্ট একাডেমি’ নামের প্রতিষ্ঠানটিতে কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীন বাংলাদেশ সরকার ও বিশ্বব্যাংকের যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত এক্সেলেরেটিং এন্ড স্ট্রেন্থনিং স্কিলস্ ফর ইকোনমিক ট্রান্সফরমেশন (অ্যাসেট) প্রকল্পের আওতায় এসব শিক্ষার্থী প্রশিক্ষণ নেন।
প্রশিক্ষণার্থীরা জানান, চলতি বছরের জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি মাসে বিভিন্ন ব্যাচে পাঁচটি ট্রেডে প্রশিক্ষণে ভর্তি হন তারা। প্রশিক্ষণ শেষে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে মূল্যায়ন পরীক্ষা হওয়ার কথা থাকলেও ৪ মাসের বেশি সময় পেরিয়ে গেছে। এখনো পরীক্ষার আয়োজন করা হয়নি। এমনকি কবে পরীক্ষা হবে, সে বিষয়েও তাদের স্পষ্ট করে কিছু জানানো হয়নি।
পঞ্চগড় স্কিল ডেভেলপমেন্ট একাডেমিতে গিয়ে কয়েকজন প্রশিক্ষণার্থীর সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, দক্ষতা অর্জনের আশায় তারা প্রশিক্ষণে ভর্তি হয়েছিলেন। প্রশিক্ষণ শেষে সনদ পাওয়ার কথা থাকায় অনেকেই ভবিষ্যতে চাকরি বা কাজের ক্ষেত্রে তা কাজে লাগানোর পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে পরীক্ষা না হওয়ায় এখন সেই পরিকল্পনা অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।
প্রশিক্ষণার্থীদের কয়েকজন অভিযোগ করেন, প্রশিক্ষণের সময় তাদের কাছ থেকে দেড় থেকে দুই হাজার টাকা পর্যন্ত নেওয়া হয়েছে। তবে কী খাতে এসব টাকা নেওয়া হয়েছে, সে বিষয়ে তাদের স্পষ্ট কোনো ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি।
প্রশিক্ষণার্থীদের অভিযোগের বিষয়ে পঞ্চগড় স্কিল ডেভেলপমেন্ট একাডেমির পরিচালক মনিষা সোমা বলেন, আমরা এখনো পরীক্ষার অনুমতি পাইনি। এ জন্যই পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব হয়নি। শিগ্গিরই রংপুরে পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হচ্ছে।
তবে পরীক্ষার অনুমতি না পাওয়ার কারণ এবং প্রশিক্ষণার্থীদের কাছ থেকে টাকা নেওয়ার অভিযোগের বিষয়ে তিনি বিস্তারিত কিছু জানাননি।
পঞ্চগড় জেলা প্রশাসক মোসা. শুকুরিয়া পারভীন বলেন, বিষয়টি সম্পর্কে খোঁজখবর নেওয়া হবে। অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।















