Dhaka ০৯:৫৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পুঁজিবাজার, এনবিআর ও ব্যাংকিং খাতকে বিকেন্দ্রীভূত করা হবে

নিজস্ব প্রতিবেদক
8 / 100 SEO Score

 

দ্রুত সময়ের মধ্যে পুঁজিবাজার, এনবিআরসহ দেশের আর্থিক খাতগুলোকে বিকেন্দ্রীভূত করা হবে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

বুধবার (২০ মে) রাজধানীর কারওয়ান বাজারে ফিন্যান্সিয়াল রিপোর্টিং কাউন্সিল আয়োজিত সামিটে তিনি এ কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের অর্থনীতি গত কয়েক বছর অস্থিরতার মধ্য দিয়ে গেছে। অনেক প্রতিষ্ঠান অকার্যকর হয়ে গেছে। বিপুল সংখ্যক শিল্প কারখানা হারিয়ে যাবার অন্যতম কারণ হচ্ছে সঠিক হিসাব ব্যবস্থা না থাকা।

তিনি বলেন, ব্যাংকগুলো থেকে এতগুলো টাকা বের করে নিয়ে যাওয়া হয়েছে কোম্পানিগুলো ফলস রিপ্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে তারা স্টক মার্কেটে লিস্টেড হয়েছে।

অর্থমন্ত্রী বলেন, দেশের ভালো ভালো কোম্পানি এখন পুঁজির ঘাটতিতে আছে। ন্যায্য প্রতিযোগিতা না থাকার কারণে এমনটা হয়েছে। ব্যাংকে টাকা রাখেন আমানতকারীরা। শেয়ারের মালিকানা থাকায় পর্ষদে বসে উদ্যোক্তারা ঋণ আবেদন মঞ্জুর করে দেন। অনেক ক্ষেত্রেই স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির ঘাটতি আছে।

তিনি আরও বলেন, ব্যক্তি নিজেকে ব্যাংকের মালিক দাবি করতে পারেন না; ব্যাংকের মালিকানা শেয়ারহোল্ডারদের, আর ব্যাংকের অর্থ আমানতকারীদের।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর অর্থবিষয়ক উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেন, অতীতে আর্থিক রিপোর্ট ছিল খামখেয়ালিপনায় ভরা, এতে প্রতারিত হয়েছে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা। সম্পদের সঠিক মূল্য যাচাই না করে বড় বড় ঋণ দেওয়ার কারণে ব্যাংকগুলো খেলাপি ঋণের মুখে পড়েছে এবং একের পর এক আর্থিক কেলেঙ্কারি ঘটেছে।

 

Recent Comments

No comments to show.

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

পুঁজিবাজার, এনবিআর ও ব্যাংকিং খাতকে বিকেন্দ্রীভূত করা হবে

Update Time : ১০:৫৪:০৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২০ মে ২০২৬
8 / 100 SEO Score

 

দ্রুত সময়ের মধ্যে পুঁজিবাজার, এনবিআরসহ দেশের আর্থিক খাতগুলোকে বিকেন্দ্রীভূত করা হবে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

বুধবার (২০ মে) রাজধানীর কারওয়ান বাজারে ফিন্যান্সিয়াল রিপোর্টিং কাউন্সিল আয়োজিত সামিটে তিনি এ কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের অর্থনীতি গত কয়েক বছর অস্থিরতার মধ্য দিয়ে গেছে। অনেক প্রতিষ্ঠান অকার্যকর হয়ে গেছে। বিপুল সংখ্যক শিল্প কারখানা হারিয়ে যাবার অন্যতম কারণ হচ্ছে সঠিক হিসাব ব্যবস্থা না থাকা।

তিনি বলেন, ব্যাংকগুলো থেকে এতগুলো টাকা বের করে নিয়ে যাওয়া হয়েছে কোম্পানিগুলো ফলস রিপ্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে তারা স্টক মার্কেটে লিস্টেড হয়েছে।

অর্থমন্ত্রী বলেন, দেশের ভালো ভালো কোম্পানি এখন পুঁজির ঘাটতিতে আছে। ন্যায্য প্রতিযোগিতা না থাকার কারণে এমনটা হয়েছে। ব্যাংকে টাকা রাখেন আমানতকারীরা। শেয়ারের মালিকানা থাকায় পর্ষদে বসে উদ্যোক্তারা ঋণ আবেদন মঞ্জুর করে দেন। অনেক ক্ষেত্রেই স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির ঘাটতি আছে।

তিনি আরও বলেন, ব্যক্তি নিজেকে ব্যাংকের মালিক দাবি করতে পারেন না; ব্যাংকের মালিকানা শেয়ারহোল্ডারদের, আর ব্যাংকের অর্থ আমানতকারীদের।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর অর্থবিষয়ক উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেন, অতীতে আর্থিক রিপোর্ট ছিল খামখেয়ালিপনায় ভরা, এতে প্রতারিত হয়েছে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা। সম্পদের সঠিক মূল্য যাচাই না করে বড় বড় ঋণ দেওয়ার কারণে ব্যাংকগুলো খেলাপি ঋণের মুখে পড়েছে এবং একের পর এক আর্থিক কেলেঙ্কারি ঘটেছে।