Dhaka ০৫:১৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬, ৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিজিএমইএ নেতাদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক

নিজস্ব প্রতিবেদক
12 / 100 SEO Score

 

দেশের তৈরি পোশাক শিল্পের সংকট নিরসন, রপ্তানি বাণিজ্যের টেকসই প্রবৃদ্ধি এবং ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা নিয়ে বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি নেতাদের সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

সোমবার (১১ মে) দুপুরে বাংলাদেশ সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে এ উচ্চপর্যায়ের বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়। বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বাবু প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন।

এতে উপস্থিত ছিলেন- গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সুমন, শিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক মিলন, বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির এবং উপদেষ্টা মাহদী আমিন।

বৈঠকে বিশেষভাবে পণ্য বৈচিত্র্যকরণ, রপ্তানি খাতের সম্ভাবনা সম্প্রসারণ এবং বৈশ্বিক বাজারে বাংলাদেশের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা আরও শক্তিশালী করার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়।

প্রধানমন্ত্রী রপ্তানি বাণিজ্যে বহুমুখীকরণ, বিশেষ করে কৃত্রিম তন্তু বা ম্যান-মেইড ফাইবারের (এমএমএফ) ব্যবহার বাড়িয়ে উচ্চমূল্যের পোশাক তৈরির মাধ্যমে বিশ্ববাজারে বাংলাদেশের প্রতিযোগী সক্ষমতা বৃদ্ধির বিষয়ে বিজিএমইএকে নেতৃত্ব দেওয়ার আহবান জানিয়েছেন।

বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বন্ধ কারখানাগুলো পুনরায় সচল করতে সরকারের বিশেষ তহবিল গঠনের সময়োপযোগী সিদ্ধান্তকে আন্তরিকভাবে স্বাগত জানান এবং এ প্রক্রিয়ায় সর্বোচ্চ স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে কারখানা নির্বাচনের ক্ষেত্রে অত্যন্ত সতর্কতা অবলম্বনের আহ্বান জানান, যাতে কোনোভাবেই অর্থের অপব্যবহার না হয়।

একইসঙ্গে তিনি বর্তমানে বৈশ্বিক ও অভ্যন্তরীণ প্রতিকূলতার মুখে টিকে থাকার সংগ্রাম করা কারখানাগুলোকে বিশেষ নীতি সহায়তা দেওয়ার প্রস্তাব করেন, যাতে করে কারখানাগুলো বন্ধ হওয়া থেকে রক্ষা পায় এবং লাখ লাখ শ্রমিকের কর্মসংস্থান সুরক্ষিত থাকে।

বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী বিজিএমইএর প্রস্তাবনার সঙ্গে একমত পোষণ করে বলেন, তার সরকার বন্ধ কারখানা সচল করা এবং সচল থাকা সংগ্রামী কারখানাগুলোকে সুরক্ষা দেওয়া, এই উভয় বিষয়কেই একইভাবে গুরুত্ব প্রদান করবে। বিজিএমইএর সুপারিশের ভিত্তিতে প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত কারখানাগুলোর জন্য প্রয়োজনীয় নীতি সহায়তা নিশ্চিত করা হবে বলে তিনি জানান।

বিজিএমইএ প্রতিনিধিদলে আরও ছিলেন- সিনিয়র সহসভাপতি ইনামুল হক খান, সহসভাপতি রেজোয়ান সেলিম, সহসভাপতি (অর্থ) মিজানুর রহমান, সহসভাপতি ভিদিয়া অমৃত খান, সহসভাপতি শিহাব উদ্দোজা চৌধুরী এবং সহসভাপতি মোহাম্মদ রফিক চৌধুরী।

বৈঠকে দেশের শিল্পখাত এবং অর্থনীতির টেকসই উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রীর সময়োপযোগী দিকনির্দেশনা, আন্তরিক সহযোগিতা এবং সদিচ্ছার জন্য বিজিএমইএর পক্ষ থেকে গভীর কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করা হয়েছে।

Recent Comments

No comments to show.

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

বিজিএমইএ নেতাদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক

Update Time : ০৪:৪৫:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২৬
12 / 100 SEO Score

 

দেশের তৈরি পোশাক শিল্পের সংকট নিরসন, রপ্তানি বাণিজ্যের টেকসই প্রবৃদ্ধি এবং ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা নিয়ে বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি নেতাদের সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

সোমবার (১১ মে) দুপুরে বাংলাদেশ সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে এ উচ্চপর্যায়ের বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়। বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বাবু প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন।

এতে উপস্থিত ছিলেন- গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সুমন, শিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক মিলন, বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির এবং উপদেষ্টা মাহদী আমিন।

বৈঠকে বিশেষভাবে পণ্য বৈচিত্র্যকরণ, রপ্তানি খাতের সম্ভাবনা সম্প্রসারণ এবং বৈশ্বিক বাজারে বাংলাদেশের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা আরও শক্তিশালী করার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়।

প্রধানমন্ত্রী রপ্তানি বাণিজ্যে বহুমুখীকরণ, বিশেষ করে কৃত্রিম তন্তু বা ম্যান-মেইড ফাইবারের (এমএমএফ) ব্যবহার বাড়িয়ে উচ্চমূল্যের পোশাক তৈরির মাধ্যমে বিশ্ববাজারে বাংলাদেশের প্রতিযোগী সক্ষমতা বৃদ্ধির বিষয়ে বিজিএমইএকে নেতৃত্ব দেওয়ার আহবান জানিয়েছেন।

বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বন্ধ কারখানাগুলো পুনরায় সচল করতে সরকারের বিশেষ তহবিল গঠনের সময়োপযোগী সিদ্ধান্তকে আন্তরিকভাবে স্বাগত জানান এবং এ প্রক্রিয়ায় সর্বোচ্চ স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে কারখানা নির্বাচনের ক্ষেত্রে অত্যন্ত সতর্কতা অবলম্বনের আহ্বান জানান, যাতে কোনোভাবেই অর্থের অপব্যবহার না হয়।

একইসঙ্গে তিনি বর্তমানে বৈশ্বিক ও অভ্যন্তরীণ প্রতিকূলতার মুখে টিকে থাকার সংগ্রাম করা কারখানাগুলোকে বিশেষ নীতি সহায়তা দেওয়ার প্রস্তাব করেন, যাতে করে কারখানাগুলো বন্ধ হওয়া থেকে রক্ষা পায় এবং লাখ লাখ শ্রমিকের কর্মসংস্থান সুরক্ষিত থাকে।

বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী বিজিএমইএর প্রস্তাবনার সঙ্গে একমত পোষণ করে বলেন, তার সরকার বন্ধ কারখানা সচল করা এবং সচল থাকা সংগ্রামী কারখানাগুলোকে সুরক্ষা দেওয়া, এই উভয় বিষয়কেই একইভাবে গুরুত্ব প্রদান করবে। বিজিএমইএর সুপারিশের ভিত্তিতে প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত কারখানাগুলোর জন্য প্রয়োজনীয় নীতি সহায়তা নিশ্চিত করা হবে বলে তিনি জানান।

বিজিএমইএ প্রতিনিধিদলে আরও ছিলেন- সিনিয়র সহসভাপতি ইনামুল হক খান, সহসভাপতি রেজোয়ান সেলিম, সহসভাপতি (অর্থ) মিজানুর রহমান, সহসভাপতি ভিদিয়া অমৃত খান, সহসভাপতি শিহাব উদ্দোজা চৌধুরী এবং সহসভাপতি মোহাম্মদ রফিক চৌধুরী।

বৈঠকে দেশের শিল্পখাত এবং অর্থনীতির টেকসই উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রীর সময়োপযোগী দিকনির্দেশনা, আন্তরিক সহযোগিতা এবং সদিচ্ছার জন্য বিজিএমইএর পক্ষ থেকে গভীর কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করা হয়েছে।