Dhaka ০৬:১৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০১ মার্চ ২০২৬, ১৭ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :

বিমানবন্দরে আটকা হাজারো প্রবাসী, ভিসার মেয়াদ-কানেক্টিং ফ্লাইট নিয়ে শঙ্কা

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৬:০৭:৪৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১ মার্চ ২০২৬
  • ১ Time View
14 / 100 SEO Score

শরীয়তপুর থেকে সকাল ৭টায় রওনা দিয়েছি এবং দুপুর ১২টায় বিমানবন্দরে পৌঁছেছি। আমার সৌদি আরবের ফ্লাইট ছিল রাত ৩টা ২৫ মিনিটে। কিন্তু বিমানবন্দরে এসে দেখি সব ফ্লাইট বাতিল। কোথাও কোনো তথ্য নেই। কোথায় থাকব, কী করব—সবই অজানা।’

শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) রাতে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের বহির্গমন টার্মিনালের বাইরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এমনটিই জানাচ্ছিলেন সৌদির দাম্মাম প্রবাসী তাহের মোহাম্মদ আসিফ।

বিকেলে ইরানসহ মধ্যপ্রাচ্যের আকাশসীমা বন্ধ থাকায় ঢাকা থেকে মধ্যপ্রাচ্যগামী সব ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। এই কারণে বিমানবন্দরে হাজার হাজার প্রবাসী দীর্ঘ প্রতীক্ষায় থাকছেন। সঙ্গে আছেন তাদের পৌঁছে দিতে আসা স্বজনরাও। দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আগত যাত্রীরা ঢাকায় থাকবেন নাকি নিজ জেলায় ফিরবেন সে বিষয়েও সিদ্ধান্ত নিতে পারছেন না।

দীর্ঘ অনিশ্চয়তা ও অপেক্ষার কারণে অনেকের ভিসার মেয়াদ এবং সংযোগ ফ্লাইটের সময়সীমা মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়েছে। বিশেষ করে যারা কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত, সৌদি আরব ও ইতালিগামী ট্রানজিট যাত্রী—তাদের মধ্যে উদ্বেগ সবচেয়ে বেশি।

আফসান রহমান সায়েম নামে সৌদি আরবগামী এক প্রবাসী বলেন, আমার ভিসার মাত্র তিন দিন বাকি। রোববারের মধ্যে না গেলে হয়তো পুরো প্রসেসটাই নতুন করে করতে হবে। এতে লাখ লাখ টাকা ক্ষতি। আমরা শুধু চাই পরিষ্কার ঘোষণা দেওয়া হোক ফ্লাইট হবে কি হবে না। অন্তত সিদ্ধান্তটা জানলে আমরা পরবর্তী ব্যবস্থা নিতে পারতাম। এখন না পারছি ফিরতে, না পারছি যেতে।

মনোয়ার হোসেন কাওসার নামে আরেক প্রবাসী যাত্রী বলেন, আমাদের এখনো কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য দেওয়া হয়নি। বিকেল থেকে আমরা এখানে দাঁড়িয়ে আছি শুধু নিশ্চিত খবরের অপেক্ষায়। আমরা দেখেছি মন্ত্রী (বিমান মন্ত্রী) ভেতরে প্রবেশ করেছেন, কিন্তু বাইরে এসে আমাদের কিছু জানাননি। আদৌ ফ্লাইট চালু হবে কিনা—এসব বিষয়ে আমাদের সঙ্গে কেউ কথা বলছে না।

এদিকে বিমানবন্দরের ভেতরে বাতিল হওয়া ফ্লাইটের অপেক্ষারত যাত্রীদের খোঁজখবর নিতে সন্ধ্যার পর বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা বিমানবন্দরে যান। সেখানে তিনি যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং ভোগান্তির বিষয়টি শোনেন।

মন্ত্রী টার্মিনালের বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখার পর এয়ারলাইন্স ও বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষকে দ্রুত বিকল্প ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন। তিনি প্রয়োজন হলে যাত্রীদের হোটেল সুবিধা, খাবার ও আপডেট তথ্য দেওয়াসহ সব ধরনের সহযোগিতা করার নির্দেশনা দেন।

শনিবার রাতে যাত্রীদের সঙ্গে দেখা করে কথা বলেছেন ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন (কায়কোবাদ)। তিনি বলেন, সরকার মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং সব কঠিন পরিস্থিতিতে দেশবাসী ও হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আটকে পড়া যাত্রীদের নিরাপত্তা ও কল্যাণকে অগ্রাধিকার হিসেবে রেখেছে।

মন্ত্রী বলেন, পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে দ্রুত যাত্রীদের যাত্রা নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় চালিয়ে যাচ্ছে সরকার এবং সবাইকে ধৈর্য ধারণ করার আহ্বান জানান।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জরুরি বৈঠক, প্রবাসীদের নিরাপত্তায় কূটনৈতিক তৎপরতা বৃদ্ধি ইরানসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে বিরোধপূর্ণ পরিস্থিতি এবং উদ্ভূত উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে ওই অঞ্চলে অবস্থানরত বাংলাদেশি নাগরিকদের নিরাপত্তা নিয়ে বাংলাদেশ সরকার গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে সন্ধ্যায় বৈঠকে বসে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

এতে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম, প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির এবং পররাষ্ট্র সচিব উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠককালে তারা তেহরানে অবস্থিত বাংলাদেশ মিশনের প্রধানের সঙ্গেও টেলিফোনে আলোচনা করেন। মন্ত্রণালয় দেশে আটকে পড়া কর্মী ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা ও সহায়তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছে। এছাড়া সরকারের পক্ষ থেকে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশের প্রতি নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার গুরুত্ব পুনর্ব্যক্ত করে পরিস্থিতির শান্তিপূর্ণ সমাধানের জন্য কূটনৈতিক প্রক্রিয়া জোরদারের আহ্বান জানানো হয়েছে।

ফ্লাইট স্থগিত থাকার বিষয়ে যাত্রীদের উদ্দেশ্যে বিশেষ বার্তা দিয়েছে ইউএস‑বাংলা এয়ারলাইন্স এবং বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স। উভয়ই জানিয়েছে, নিরাপত্তার অবনতির কারণে ফ্লাইট পরিচালনা ঝুঁকিপূর্ণ বিবেচনা করা হচ্ছে। যাত্রীদের বিমানের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ না করে বিমানবন্দরে না আসার জন্য বিশেষ অনুরোধ করা হয়েছে।

এদিকে রাতে এক বার্তায় বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) জানায়, মধ্যপ্রাচ্যের আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি অবনতির কারণে কুয়েত, কাতার, বাহরাইন ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের আকাশসীমা সাময়িকভাবে বন্ধ রয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে, যাত্রীদের নিজ নিজ এয়ারলাইন্স ও ট্রাভেল এজেন্সির সঙ্গে যোগাযোগ পূর্বক যাত্রা নিশ্চিত করার জন্য অনুরোধ জানানো যাচ্ছে।

প্রবাসীদের রাত্রী যাপনের সুযোগ: মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার কারণে কিছু ফ্লাইট বাতিল হওয়ায় যাত্রীদের অপ্রত্যাশিত অসুবিধা দেখা দিয়েছে। প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় শনিবার এক বার্তায় জানান, যাদের ফ্লাইট বাতিল হয়েছে, তাদের জন্য রাত্রিযাপন সুবিধা প্রদান করা হবে, এবং যাত্রীদের প্রবাসী কল্যাণ ডেস্ক কিংবা লাউঞ্জে যোগাযোগ করতে অনুরোধ করা হয়েছে।

 

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

ফ্লিকের শততম ম্যাচে ইয়ামালের প্রথম হ্যাটট্রিকে বার্সার বড় জয়

বিমানবন্দরে আটকা হাজারো প্রবাসী, ভিসার মেয়াদ-কানেক্টিং ফ্লাইট নিয়ে শঙ্কা

Update Time : ০৬:০৭:৪৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১ মার্চ ২০২৬
14 / 100 SEO Score

শরীয়তপুর থেকে সকাল ৭টায় রওনা দিয়েছি এবং দুপুর ১২টায় বিমানবন্দরে পৌঁছেছি। আমার সৌদি আরবের ফ্লাইট ছিল রাত ৩টা ২৫ মিনিটে। কিন্তু বিমানবন্দরে এসে দেখি সব ফ্লাইট বাতিল। কোথাও কোনো তথ্য নেই। কোথায় থাকব, কী করব—সবই অজানা।’

শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) রাতে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের বহির্গমন টার্মিনালের বাইরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এমনটিই জানাচ্ছিলেন সৌদির দাম্মাম প্রবাসী তাহের মোহাম্মদ আসিফ।

বিকেলে ইরানসহ মধ্যপ্রাচ্যের আকাশসীমা বন্ধ থাকায় ঢাকা থেকে মধ্যপ্রাচ্যগামী সব ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। এই কারণে বিমানবন্দরে হাজার হাজার প্রবাসী দীর্ঘ প্রতীক্ষায় থাকছেন। সঙ্গে আছেন তাদের পৌঁছে দিতে আসা স্বজনরাও। দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আগত যাত্রীরা ঢাকায় থাকবেন নাকি নিজ জেলায় ফিরবেন সে বিষয়েও সিদ্ধান্ত নিতে পারছেন না।

দীর্ঘ অনিশ্চয়তা ও অপেক্ষার কারণে অনেকের ভিসার মেয়াদ এবং সংযোগ ফ্লাইটের সময়সীমা মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়েছে। বিশেষ করে যারা কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত, সৌদি আরব ও ইতালিগামী ট্রানজিট যাত্রী—তাদের মধ্যে উদ্বেগ সবচেয়ে বেশি।

আফসান রহমান সায়েম নামে সৌদি আরবগামী এক প্রবাসী বলেন, আমার ভিসার মাত্র তিন দিন বাকি। রোববারের মধ্যে না গেলে হয়তো পুরো প্রসেসটাই নতুন করে করতে হবে। এতে লাখ লাখ টাকা ক্ষতি। আমরা শুধু চাই পরিষ্কার ঘোষণা দেওয়া হোক ফ্লাইট হবে কি হবে না। অন্তত সিদ্ধান্তটা জানলে আমরা পরবর্তী ব্যবস্থা নিতে পারতাম। এখন না পারছি ফিরতে, না পারছি যেতে।

মনোয়ার হোসেন কাওসার নামে আরেক প্রবাসী যাত্রী বলেন, আমাদের এখনো কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য দেওয়া হয়নি। বিকেল থেকে আমরা এখানে দাঁড়িয়ে আছি শুধু নিশ্চিত খবরের অপেক্ষায়। আমরা দেখেছি মন্ত্রী (বিমান মন্ত্রী) ভেতরে প্রবেশ করেছেন, কিন্তু বাইরে এসে আমাদের কিছু জানাননি। আদৌ ফ্লাইট চালু হবে কিনা—এসব বিষয়ে আমাদের সঙ্গে কেউ কথা বলছে না।

এদিকে বিমানবন্দরের ভেতরে বাতিল হওয়া ফ্লাইটের অপেক্ষারত যাত্রীদের খোঁজখবর নিতে সন্ধ্যার পর বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা বিমানবন্দরে যান। সেখানে তিনি যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং ভোগান্তির বিষয়টি শোনেন।

মন্ত্রী টার্মিনালের বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখার পর এয়ারলাইন্স ও বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষকে দ্রুত বিকল্প ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন। তিনি প্রয়োজন হলে যাত্রীদের হোটেল সুবিধা, খাবার ও আপডেট তথ্য দেওয়াসহ সব ধরনের সহযোগিতা করার নির্দেশনা দেন।

শনিবার রাতে যাত্রীদের সঙ্গে দেখা করে কথা বলেছেন ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন (কায়কোবাদ)। তিনি বলেন, সরকার মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং সব কঠিন পরিস্থিতিতে দেশবাসী ও হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আটকে পড়া যাত্রীদের নিরাপত্তা ও কল্যাণকে অগ্রাধিকার হিসেবে রেখেছে।

মন্ত্রী বলেন, পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে দ্রুত যাত্রীদের যাত্রা নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় চালিয়ে যাচ্ছে সরকার এবং সবাইকে ধৈর্য ধারণ করার আহ্বান জানান।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জরুরি বৈঠক, প্রবাসীদের নিরাপত্তায় কূটনৈতিক তৎপরতা বৃদ্ধি ইরানসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে বিরোধপূর্ণ পরিস্থিতি এবং উদ্ভূত উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে ওই অঞ্চলে অবস্থানরত বাংলাদেশি নাগরিকদের নিরাপত্তা নিয়ে বাংলাদেশ সরকার গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে সন্ধ্যায় বৈঠকে বসে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

এতে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম, প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির এবং পররাষ্ট্র সচিব উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠককালে তারা তেহরানে অবস্থিত বাংলাদেশ মিশনের প্রধানের সঙ্গেও টেলিফোনে আলোচনা করেন। মন্ত্রণালয় দেশে আটকে পড়া কর্মী ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা ও সহায়তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছে। এছাড়া সরকারের পক্ষ থেকে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশের প্রতি নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার গুরুত্ব পুনর্ব্যক্ত করে পরিস্থিতির শান্তিপূর্ণ সমাধানের জন্য কূটনৈতিক প্রক্রিয়া জোরদারের আহ্বান জানানো হয়েছে।

ফ্লাইট স্থগিত থাকার বিষয়ে যাত্রীদের উদ্দেশ্যে বিশেষ বার্তা দিয়েছে ইউএস‑বাংলা এয়ারলাইন্স এবং বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স। উভয়ই জানিয়েছে, নিরাপত্তার অবনতির কারণে ফ্লাইট পরিচালনা ঝুঁকিপূর্ণ বিবেচনা করা হচ্ছে। যাত্রীদের বিমানের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ না করে বিমানবন্দরে না আসার জন্য বিশেষ অনুরোধ করা হয়েছে।

এদিকে রাতে এক বার্তায় বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) জানায়, মধ্যপ্রাচ্যের আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি অবনতির কারণে কুয়েত, কাতার, বাহরাইন ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের আকাশসীমা সাময়িকভাবে বন্ধ রয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে, যাত্রীদের নিজ নিজ এয়ারলাইন্স ও ট্রাভেল এজেন্সির সঙ্গে যোগাযোগ পূর্বক যাত্রা নিশ্চিত করার জন্য অনুরোধ জানানো যাচ্ছে।

প্রবাসীদের রাত্রী যাপনের সুযোগ: মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার কারণে কিছু ফ্লাইট বাতিল হওয়ায় যাত্রীদের অপ্রত্যাশিত অসুবিধা দেখা দিয়েছে। প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় শনিবার এক বার্তায় জানান, যাদের ফ্লাইট বাতিল হয়েছে, তাদের জন্য রাত্রিযাপন সুবিধা প্রদান করা হবে, এবং যাত্রীদের প্রবাসী কল্যাণ ডেস্ক কিংবা লাউঞ্জে যোগাযোগ করতে অনুরোধ করা হয়েছে।