Dhaka ০৭:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ফ্লিকের শততম ম্যাচে ইয়ামালের প্রথম হ্যাটট্রিকে বার্সার বড় জয়

12 / 100 SEO Score

বার্সেলোনা হ্যান্সি ফ্লিকের শততম ম্যাচে বড় জয় পেল। ভিয়ারিয়ালের বিপক্ষে ন্যু ক্যাম্পে ৪-১ গোলে জিতেছে তারা। জার্মান কোচের মাইলফলকের ম্যাচে ক্যারিয়ারের প্রথম হ্যাটট্রিক করেছেন লামিনে ইয়ামাল।

চমৎকার ট্রেবলে মৌসুমে লিগ গোলের সংখ্যা ১৩ করলেন ইয়ামাল। স্টপেজ টাইমে রবার্ট লেভানডোভস্কি ভিয়ারিয়ালের জালে বল পাঠিয়ে জয়ের ব্যবধান তিন গোলের করেন।

হাফটাইমের পর পাপা গুয়ে তৃতীয় স্থানে থাকা ভিয়ারিয়ালকে আশার আলো দেখান। তার গোলে ব্যবধান ২-১ এ কমায় অতিথিরা। কিন্তু বার্সা সহজেই ঘরের মাঠে লিগ জয়ের শতভাগ রেকর্ড ধরে রাখে। দ্বিতীয় স্থানে থাকা রিয়াল মাদ্রিদের চেয়ে এক ম্যাচ বেশি খেলে ৪ পয়েন্টে এগিয়ে থেকে শীর্ষে কাতালানরা। সোমবার এই ব্যবধান একে নামাতে গেতাফের মুখোমুখি হবে মাদ্রিদ ক্লাব।

কিক অফের আগে ফ্লিক তার মাইলফলক ছোঁয়া প্রসঙ্গে বলেন, ‘এই সংখ্যায় পৌঁছানো বিশাল সম্মানের।’ সাবেক জার্মান কোচের স্মরণীয় ম্যাচে অসাধারণ ণৈপুণ্য দেখান ইয়ামাল। ম্যাচটা নিজের করে নেন ১৮ বছর বয়সী ফরোয়ার্ড।

বার্সেলোনা ছন্দ তুলতে কিছুটা সময় নিয়েছে। শুরুতে তাদের একমাত্র প্রচেষ্টা ফারমিন লোপেজের শট ব্লকড হয়। ভিয়ারিয়াল পাল্টা আক্রমণ চালিয়ে গোল আদায়ের চেষ্টা করেছে। স্বাগতিক রক্ষণ চিড়ে সার্জি কারডোনার ক্রস কাছের পোস্ট দিয়ে বেরিয়ে যায়। জুলেস কোন্দে অবিশ্বাস্যভাবে গোলবারের পাশ দিয়ে বল মেরে বার্সাকে হতাশ করেন।

২৮ মিনিট পর কাতালানরা গোলের দেখা পায়। ইয়ামাল স্কোরশিটে নাম লেখান। টানা পাঁচ ম্যাচে গোল করার পর তিন খেলায় গোলখরায় ছিলেন স্পেনের কিশোর ফুটবলার। লোপেজের বাড়ানো বলে সেই খরা বাঁ পায়ের গোলে কাটান তিনি।

৯ মিনিট পর আরও চমৎকার গোল করেন ইয়ামাল। টাচলাইন থেকে বল দখলে নিয়ে কারডোনার গা ঘেষে বেরিয়ে যান। তারপর আলবার্তো মোলেইরোকে পরাস্ত করে ১৪ গজ দূর থেকে কোনাকুনি বাঁকানো শটে স্কোর ২-০ করেন তিনি।

ভিয়ারিয়াল ব্যবধান কমানোর বেশ কাছে ছিল। নিকোলাস পেপের ক্রস বারের পাশ দিয়ে মারেন আয়োজে পেরেজ। তবে বার্সেলোনা তাদের প্রত্যেক সুযোগ থেকে গোলের হুঙ্কার দিয়েছে।

রাফিনহার ফ্রি কিক প্রতিহত করেন লুইজ জুনিয়র। কোন্দে জালে বল ঠেললেও অফসাইড ফ্ল্যাগ ওড়ে। প্রথমার্ধের শেষ মুহূর্তে হ্যাটট্রিকের সুযোগ নষ্ট করেন ইয়ামাল।

ম্যাচ পুনরায় শুরু হওয়ার চার মিনিট পর সান্তিয়াগো মরিনোর কর্নারকে গোলে পরিণত করেন গুয়ে। গোল হজমের পর আরও দুইবার জাল কাঁপায় বার্সা। গোলবারের পাশ দিয়ে ইয়ামাল বল মারার পর ঠিক হ্যাটট্রিকের দেখা পেয়েছেন ইয়ামাল। একবিংশ শতাব্দির সর্বকনিষ্ঠ বার্সা খেলোয়াড় হিসেবে ৬৯তম মিনিটে পেদ্রির অ্যাসিস্টে জাল কাঁপান তিনি।

বদলি নামা লেভানডোভস্কি শেষ গোল করেন। অফসাইডের ফ্ল্যাগ উড়লেও ভিএআরে গোল বহাল থাকে।

 

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

ফ্লিকের শততম ম্যাচে ইয়ামালের প্রথম হ্যাটট্রিকে বার্সার বড় জয়

Update Time : ০৬:১২:২২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১ মার্চ ২০২৬
12 / 100 SEO Score

বার্সেলোনা হ্যান্সি ফ্লিকের শততম ম্যাচে বড় জয় পেল। ভিয়ারিয়ালের বিপক্ষে ন্যু ক্যাম্পে ৪-১ গোলে জিতেছে তারা। জার্মান কোচের মাইলফলকের ম্যাচে ক্যারিয়ারের প্রথম হ্যাটট্রিক করেছেন লামিনে ইয়ামাল।

চমৎকার ট্রেবলে মৌসুমে লিগ গোলের সংখ্যা ১৩ করলেন ইয়ামাল। স্টপেজ টাইমে রবার্ট লেভানডোভস্কি ভিয়ারিয়ালের জালে বল পাঠিয়ে জয়ের ব্যবধান তিন গোলের করেন।

হাফটাইমের পর পাপা গুয়ে তৃতীয় স্থানে থাকা ভিয়ারিয়ালকে আশার আলো দেখান। তার গোলে ব্যবধান ২-১ এ কমায় অতিথিরা। কিন্তু বার্সা সহজেই ঘরের মাঠে লিগ জয়ের শতভাগ রেকর্ড ধরে রাখে। দ্বিতীয় স্থানে থাকা রিয়াল মাদ্রিদের চেয়ে এক ম্যাচ বেশি খেলে ৪ পয়েন্টে এগিয়ে থেকে শীর্ষে কাতালানরা। সোমবার এই ব্যবধান একে নামাতে গেতাফের মুখোমুখি হবে মাদ্রিদ ক্লাব।

কিক অফের আগে ফ্লিক তার মাইলফলক ছোঁয়া প্রসঙ্গে বলেন, ‘এই সংখ্যায় পৌঁছানো বিশাল সম্মানের।’ সাবেক জার্মান কোচের স্মরণীয় ম্যাচে অসাধারণ ণৈপুণ্য দেখান ইয়ামাল। ম্যাচটা নিজের করে নেন ১৮ বছর বয়সী ফরোয়ার্ড।

বার্সেলোনা ছন্দ তুলতে কিছুটা সময় নিয়েছে। শুরুতে তাদের একমাত্র প্রচেষ্টা ফারমিন লোপেজের শট ব্লকড হয়। ভিয়ারিয়াল পাল্টা আক্রমণ চালিয়ে গোল আদায়ের চেষ্টা করেছে। স্বাগতিক রক্ষণ চিড়ে সার্জি কারডোনার ক্রস কাছের পোস্ট দিয়ে বেরিয়ে যায়। জুলেস কোন্দে অবিশ্বাস্যভাবে গোলবারের পাশ দিয়ে বল মেরে বার্সাকে হতাশ করেন।

২৮ মিনিট পর কাতালানরা গোলের দেখা পায়। ইয়ামাল স্কোরশিটে নাম লেখান। টানা পাঁচ ম্যাচে গোল করার পর তিন খেলায় গোলখরায় ছিলেন স্পেনের কিশোর ফুটবলার। লোপেজের বাড়ানো বলে সেই খরা বাঁ পায়ের গোলে কাটান তিনি।

৯ মিনিট পর আরও চমৎকার গোল করেন ইয়ামাল। টাচলাইন থেকে বল দখলে নিয়ে কারডোনার গা ঘেষে বেরিয়ে যান। তারপর আলবার্তো মোলেইরোকে পরাস্ত করে ১৪ গজ দূর থেকে কোনাকুনি বাঁকানো শটে স্কোর ২-০ করেন তিনি।

ভিয়ারিয়াল ব্যবধান কমানোর বেশ কাছে ছিল। নিকোলাস পেপের ক্রস বারের পাশ দিয়ে মারেন আয়োজে পেরেজ। তবে বার্সেলোনা তাদের প্রত্যেক সুযোগ থেকে গোলের হুঙ্কার দিয়েছে।

রাফিনহার ফ্রি কিক প্রতিহত করেন লুইজ জুনিয়র। কোন্দে জালে বল ঠেললেও অফসাইড ফ্ল্যাগ ওড়ে। প্রথমার্ধের শেষ মুহূর্তে হ্যাটট্রিকের সুযোগ নষ্ট করেন ইয়ামাল।

ম্যাচ পুনরায় শুরু হওয়ার চার মিনিট পর সান্তিয়াগো মরিনোর কর্নারকে গোলে পরিণত করেন গুয়ে। গোল হজমের পর আরও দুইবার জাল কাঁপায় বার্সা। গোলবারের পাশ দিয়ে ইয়ামাল বল মারার পর ঠিক হ্যাটট্রিকের দেখা পেয়েছেন ইয়ামাল। একবিংশ শতাব্দির সর্বকনিষ্ঠ বার্সা খেলোয়াড় হিসেবে ৬৯তম মিনিটে পেদ্রির অ্যাসিস্টে জাল কাঁপান তিনি।

বদলি নামা লেভানডোভস্কি শেষ গোল করেন। অফসাইডের ফ্ল্যাগ উড়লেও ভিএআরে গোল বহাল থাকে।