Dhaka ০৭:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬, ১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :

২০৩০ লক্ষ্য নিয়ে রেলের রোডম্যাপ

নিজেস্ব প্রতিবেদক
12 / 100 SEO Score

২০৩০ সালকে সামনে রেখে দেশের রেল খাতকে আধুনিক, দক্ষ ও যাত্রীবান্ধব করে গড়ে তুলতে দীর্ঘমেয়াদি একটি সমন্বিত রোডম্যাপ প্রণয়নের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এতে অবকাঠামো উন্নয়ন, নতুন ট্রেন সংযোজন, প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং সেবার মানোন্নয়নকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।

দেশের রেল পরিবহন ব্যবস্থার উন্নয়নে ১৮০ দিনের মধ্যে দৃশ্যমান অগ্রগতি নিশ্চিত করতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর এ নির্দেশনার আলোকে ইতোমধ্যে কাজ শুরু করেছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সূত্র জানায়, প্রাথমিকভাবে ঢাকা-পাবনা-ঢাকা এবং ঢাকা-খুলনা-ঢাকা রুটে দুটি নতুন আন্তঃনগর ট্রেন চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি দীর্ঘদিন অচল থাকা ডেমু ট্রেনগুলো সংস্কার করে কমিউটার ট্রেনে রূপান্তরের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ কাজে বেসরকারি অংশীদারিত্বের মাধ্যমে দ্রুত বাস্তবায়নের চেষ্টা চলছে।

যাত্রীসেবার মানোন্নয়নে বিশেষ উদ্যোগ হিসেবে প্রতিবন্ধী ব্যক্তি, ৬৫ বছরের বেশি বয়সী নাগরিক এবং শিক্ষার্থীদের জন্য স্বল্প দূরত্বের কমিউটার ট্রেনে টিকিট মূল্যে ২৫ শতাংশ ছাড় দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

এছাড়া ২০২৬-২৭ অর্থবছরের মধ্যে রেল খাতের উন্নয়ন দর্শনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ প্রকল্প নির্ধারণ এবং প্রয়োজনীয় বাজেট সংস্থানের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। একই সঙ্গে ২০৩০ সাল পর্যন্ত অগ্রাধিকারভিত্তিক কার্যক্রম বাস্তবায়নে একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ প্রণয়নের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

অবকাঠামোগত উন্নয়নের অংশ হিসেবে সৈয়দপুর রেলওয়ে ওয়ার্কশপ এবং সেন্ট্রাল লোকোমোটিভ ওয়ার্কশপ আধুনিকায়নের কাজ দ্রুত এগিয়ে নেওয়ার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট প্রকল্পগুলোতে আধুনিক অ্যাসেম্বলিং সুবিধা সংযোজন এবং অর্থায়ন নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

স্থানীয়ভাবে লোকোমোটিভ ও ক্যারেজ উৎপাদনের সক্ষমতা বাড়াতে রেলের নিজস্ব জমিতে ম্যানুফ্যাকচারিং প্ল্যান্ট স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে বিদেশি বিনিয়োগ ও বেসরকারি অংশীদারিত্ব আহ্বান করা হয়েছে। পাশাপাশি ওয়ার্কশপ আধুনিকায়ন এবং লোকোমোটিভ রক্ষণাবেক্ষণে সার্ভিস কন্ট্রাক্ট চালুর পরিকল্পনাও রয়েছে।

রেলওয়ের মহাপরিচালক আফজাল হোসেন জানান, প্রধানমন্ত্রীর দিকনির্দেশনা অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট সব বিভাগকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে এবং দ্রুত সময়ের মধ্যে দৃশ্যমান অগ্রগতি নিশ্চিত করতে কাজ চলছে। তিনি বলেন, “রেল খাতে আধুনিকায়ন, যাত্রীসেবা বৃদ্ধি এবং প্রযুক্তিগত সক্ষমতা উন্নয়নই এখন আমাদের প্রধান লক্ষ্য।”

বিশেষজ্ঞদের মতে, ঘোষিত এসব উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে দেশের রেল যোগাযোগ ব্যবস্থায় গুণগত পরিবর্তন আসবে এবং যাত্রীসেবার মান উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নত হবে।দেশের রেল পরিবহন ব্যবস্থার উন্নয়নে ১৮০ দিনের মধ্যে দৃশ্যমান অগ্রগতি নিশ্চিত করতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর এ নির্দেশনার আলোকে ইতোমধ্যে কাজ শুরু করেছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সূত্র জানায়, প্রাথমিকভাবে ঢাকা-পাবনা-ঢাকা এবং ঢাকা-খুলনা-ঢাকা রুটে দুটি নতুন আন্তঃনগর ট্রেন চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি দীর্ঘদিন অচল থাকা ডেমু ট্রেনগুলো সংস্কার করে কমিউটার ট্রেনে রূপান্তরের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এ কাজে বেসরকারি অংশীদারিত্বের মাধ্যমে দ্রুত বাস্তবায়নের চেষ্টা চলছে।যাত্রীসেবার মানোন্নয়নে বিশেষ উদ্যোগ হিসেবে প্রতিবন্ধী ব্যক্তি, ৬৫ বছরের বেশি বয়সী নাগরিক এবং শিক্ষার্থীদের জন্য স্বল্প দূরত্বের কমিউটার ট্রেনে টিকিট মূল্যে ২৫ শতাংশ ছাড় দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

এছাড়া ২০২৬-২৭ অর্থবছরের মধ্যে রেল খাতের উন্নয়ন দর্শনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ প্রকল্প নির্ধারণ এবং প্রয়োজনীয় বাজেট সংস্থানের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। একই সঙ্গে ২০৩০ সাল পর্যন্ত অগ্রাধিকারভিত্তিক কার্যক্রম বাস্তবায়নে একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ প্রণয়নের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

অবকাঠামোগত উন্নয়নের অংশ হিসেবে সৈয়দপুর রেলওয়ে ওয়ার্কশপ এবং সেন্ট্রাল লোকোমোটিভ ওয়ার্কশপ আধুনিকায়নের কাজ দ্রুত এগিয়ে নেওয়ার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট প্রকল্পগুলোতে আধুনিক অ্যাসেম্বলিং সুবিধা সংযোজন এবং অর্থায়ন নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

স্থানীয়ভাবে লোকোমোটিভ ও ক্যারেজ উৎপাদনের সক্ষমতা বাড়াতে রেলের নিজস্ব জমিতে ম্যানুফ্যাকচারিং প্ল্যান্ট স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এ লক্ষ্যে বিদেশি বিনিয়োগ ও বেসরকারি অংশীদারিত্ব আহ্বান করা হয়েছে। পাশাপাশি ওয়ার্কশপ আধুনিকায়ন এবং লোকোমোটিভ রক্ষণাবেক্ষণে সার্ভিস কন্ট্রাক্ট চালুর পরিকল্পনাও রয়েছে।

রেলওয়ের মহাপরিচালক আফজাল হোসেন জানান, প্রধানমন্ত্রীর দিকনির্দেশনা অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট সব বিভাগকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে এবং দ্রুত সময়ের মধ্যে দৃশ্যমান অগ্রগতি নিশ্চিত করতে কাজ চলছে। তিনি বলেন, “রেল খাতে আধুনিকায়ন, যাত্রীসেবা বৃদ্ধি এবং প্রযুক্তিগত সক্ষমতা উন্নয়নই এখন আমাদের প্রধান লক্ষ্য।”

বিশেষজ্ঞদের মতে, ঘোষিত এসব উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে দেশের রেল যোগাযোগ ব্যবস্থায় গুণগত পরিবর্তন আসবে এবং যাত্রীসেবার মান উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নত হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

২০৩০ লক্ষ্য নিয়ে রেলের রোডম্যাপ

Update Time : ০৬:৫৯:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬
12 / 100 SEO Score

২০৩০ সালকে সামনে রেখে দেশের রেল খাতকে আধুনিক, দক্ষ ও যাত্রীবান্ধব করে গড়ে তুলতে দীর্ঘমেয়াদি একটি সমন্বিত রোডম্যাপ প্রণয়নের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এতে অবকাঠামো উন্নয়ন, নতুন ট্রেন সংযোজন, প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং সেবার মানোন্নয়নকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।

দেশের রেল পরিবহন ব্যবস্থার উন্নয়নে ১৮০ দিনের মধ্যে দৃশ্যমান অগ্রগতি নিশ্চিত করতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর এ নির্দেশনার আলোকে ইতোমধ্যে কাজ শুরু করেছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সূত্র জানায়, প্রাথমিকভাবে ঢাকা-পাবনা-ঢাকা এবং ঢাকা-খুলনা-ঢাকা রুটে দুটি নতুন আন্তঃনগর ট্রেন চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি দীর্ঘদিন অচল থাকা ডেমু ট্রেনগুলো সংস্কার করে কমিউটার ট্রেনে রূপান্তরের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ কাজে বেসরকারি অংশীদারিত্বের মাধ্যমে দ্রুত বাস্তবায়নের চেষ্টা চলছে।

যাত্রীসেবার মানোন্নয়নে বিশেষ উদ্যোগ হিসেবে প্রতিবন্ধী ব্যক্তি, ৬৫ বছরের বেশি বয়সী নাগরিক এবং শিক্ষার্থীদের জন্য স্বল্প দূরত্বের কমিউটার ট্রেনে টিকিট মূল্যে ২৫ শতাংশ ছাড় দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

এছাড়া ২০২৬-২৭ অর্থবছরের মধ্যে রেল খাতের উন্নয়ন দর্শনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ প্রকল্প নির্ধারণ এবং প্রয়োজনীয় বাজেট সংস্থানের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। একই সঙ্গে ২০৩০ সাল পর্যন্ত অগ্রাধিকারভিত্তিক কার্যক্রম বাস্তবায়নে একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ প্রণয়নের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

অবকাঠামোগত উন্নয়নের অংশ হিসেবে সৈয়দপুর রেলওয়ে ওয়ার্কশপ এবং সেন্ট্রাল লোকোমোটিভ ওয়ার্কশপ আধুনিকায়নের কাজ দ্রুত এগিয়ে নেওয়ার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট প্রকল্পগুলোতে আধুনিক অ্যাসেম্বলিং সুবিধা সংযোজন এবং অর্থায়ন নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

স্থানীয়ভাবে লোকোমোটিভ ও ক্যারেজ উৎপাদনের সক্ষমতা বাড়াতে রেলের নিজস্ব জমিতে ম্যানুফ্যাকচারিং প্ল্যান্ট স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে বিদেশি বিনিয়োগ ও বেসরকারি অংশীদারিত্ব আহ্বান করা হয়েছে। পাশাপাশি ওয়ার্কশপ আধুনিকায়ন এবং লোকোমোটিভ রক্ষণাবেক্ষণে সার্ভিস কন্ট্রাক্ট চালুর পরিকল্পনাও রয়েছে।

রেলওয়ের মহাপরিচালক আফজাল হোসেন জানান, প্রধানমন্ত্রীর দিকনির্দেশনা অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট সব বিভাগকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে এবং দ্রুত সময়ের মধ্যে দৃশ্যমান অগ্রগতি নিশ্চিত করতে কাজ চলছে। তিনি বলেন, “রেল খাতে আধুনিকায়ন, যাত্রীসেবা বৃদ্ধি এবং প্রযুক্তিগত সক্ষমতা উন্নয়নই এখন আমাদের প্রধান লক্ষ্য।”

বিশেষজ্ঞদের মতে, ঘোষিত এসব উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে দেশের রেল যোগাযোগ ব্যবস্থায় গুণগত পরিবর্তন আসবে এবং যাত্রীসেবার মান উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নত হবে।দেশের রেল পরিবহন ব্যবস্থার উন্নয়নে ১৮০ দিনের মধ্যে দৃশ্যমান অগ্রগতি নিশ্চিত করতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর এ নির্দেশনার আলোকে ইতোমধ্যে কাজ শুরু করেছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সূত্র জানায়, প্রাথমিকভাবে ঢাকা-পাবনা-ঢাকা এবং ঢাকা-খুলনা-ঢাকা রুটে দুটি নতুন আন্তঃনগর ট্রেন চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি দীর্ঘদিন অচল থাকা ডেমু ট্রেনগুলো সংস্কার করে কমিউটার ট্রেনে রূপান্তরের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এ কাজে বেসরকারি অংশীদারিত্বের মাধ্যমে দ্রুত বাস্তবায়নের চেষ্টা চলছে।যাত্রীসেবার মানোন্নয়নে বিশেষ উদ্যোগ হিসেবে প্রতিবন্ধী ব্যক্তি, ৬৫ বছরের বেশি বয়সী নাগরিক এবং শিক্ষার্থীদের জন্য স্বল্প দূরত্বের কমিউটার ট্রেনে টিকিট মূল্যে ২৫ শতাংশ ছাড় দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

এছাড়া ২০২৬-২৭ অর্থবছরের মধ্যে রেল খাতের উন্নয়ন দর্শনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ প্রকল্প নির্ধারণ এবং প্রয়োজনীয় বাজেট সংস্থানের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। একই সঙ্গে ২০৩০ সাল পর্যন্ত অগ্রাধিকারভিত্তিক কার্যক্রম বাস্তবায়নে একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ প্রণয়নের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

অবকাঠামোগত উন্নয়নের অংশ হিসেবে সৈয়দপুর রেলওয়ে ওয়ার্কশপ এবং সেন্ট্রাল লোকোমোটিভ ওয়ার্কশপ আধুনিকায়নের কাজ দ্রুত এগিয়ে নেওয়ার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট প্রকল্পগুলোতে আধুনিক অ্যাসেম্বলিং সুবিধা সংযোজন এবং অর্থায়ন নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

স্থানীয়ভাবে লোকোমোটিভ ও ক্যারেজ উৎপাদনের সক্ষমতা বাড়াতে রেলের নিজস্ব জমিতে ম্যানুফ্যাকচারিং প্ল্যান্ট স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এ লক্ষ্যে বিদেশি বিনিয়োগ ও বেসরকারি অংশীদারিত্ব আহ্বান করা হয়েছে। পাশাপাশি ওয়ার্কশপ আধুনিকায়ন এবং লোকোমোটিভ রক্ষণাবেক্ষণে সার্ভিস কন্ট্রাক্ট চালুর পরিকল্পনাও রয়েছে।

রেলওয়ের মহাপরিচালক আফজাল হোসেন জানান, প্রধানমন্ত্রীর দিকনির্দেশনা অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট সব বিভাগকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে এবং দ্রুত সময়ের মধ্যে দৃশ্যমান অগ্রগতি নিশ্চিত করতে কাজ চলছে। তিনি বলেন, “রেল খাতে আধুনিকায়ন, যাত্রীসেবা বৃদ্ধি এবং প্রযুক্তিগত সক্ষমতা উন্নয়নই এখন আমাদের প্রধান লক্ষ্য।”

বিশেষজ্ঞদের মতে, ঘোষিত এসব উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে দেশের রেল যোগাযোগ ব্যবস্থায় গুণগত পরিবর্তন আসবে এবং যাত্রীসেবার মান উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নত হবে।