Dhaka ০৬:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ফিক্সিং কাণ্ডে বিপিএলের ৩ অভিযুক্তকে বহিষ্কার বিসিবির মক্কা প্যাক্টে অংশ নিতে পরিস্থিতি যাচাই-বাছাই করছে বাংলাদেশ: শামা ওবায়েদ ‘বোয়িং কেনায় ধন্যবাদ, শিগগিরই সাক্ষাতের প্রত্যাশায় আছি’ বহুদলীয় গণতন্ত্রই নয়, সংসদীয় গণতন্ত্রও বিএনপির হাত ধরে এসেছে: প্রধানমন্ত্রী সপ্তাহখানেকের মধ্যে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক হবে: রিজভী এআইভিত্তিক বাজার গোয়েন্দা ব্যবস্থা চালুর পরিকল্পনা টিসিবির রাজশাহীতে রেললাইনে ভাঙন, ২ ঘণ্টা পর ট্রেন যোগাযোগ স্বাভাবিক বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী: জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা এ বছরই পারমাণবিক বিদ্যুতের যুগে বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর তিন সদস্যের মর্মান্তিক মৃত্যু

৩৫০০ টাকায় ‘লাইফটাইম মেম্বারশিপ’ দিতেন পর্নো ভিডিও বানানো সুমাইয়া

8 / 100 SEO Score

 

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পর্নোগ্রাফিক কনটেন্ট তৈরি, প্রচার ও বাণিজ্যিকভাবে বিক্রির অভিযোগে সুমাইয়া সাঈদ (২৫) নামের এক ইনস্টাগ্রাম ইনফ্লুয়েন্সার এবং তার প্রধান সহযোগী খাজা সাকলাইন ফারুককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। এ ছাড়া মেয়ের অনৈতিক কার্যক্রম জেনেও তাতে সম্মতি দেওয়া এবং ওই উপার্জনের অর্থ গ্রহণের অভিযোগে সুমাইয়ার বাবা মো. আবু সাঈদকেও সংশ্লিষ্ট মামলার আসামি করা হয়েছে।

ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম (দক্ষিণ) বিভাগের একটি দল রাজধানীর ভাটারা ও বাড্ডা এলাকায় ধারাবাহিক অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে।

ডিবি সূত্র জানায়, গত ১০ আগস্ট নিয়মিত সাইবার নজরদারির সময় সুমাইয়ার ইনস্টাগ্রাম ও টেলিগ্রাম অ্যাকাউন্টে আপত্তিকর কনটেন্ট ও তা বিক্রির প্রচারণা শনাক্ত হয়। চক্রটি বিকাশ ও নগদের মতো মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসের (এমএফএস) মাধ্যমে অর্থ গ্রহণ করে অশ্লীল ছবি ও ভিডিও সরবরাহ করত। এমনকি গ্রাহকদের আকৃষ্ট করতে ৩ হাজার ৫০০ টাকায় ‘লাইফটাইম প্যাকেজ’ দেওয়ার বিজ্ঞাপনও প্রচার করা হতো।

ডিজিটাল নজরদারির মাধ্যমে অবস্থান নিশ্চিত হওয়ার পর গত ১১ আগস্ট রাতে ভাটারা থানা এলাকার একটি ফ্ল্যাটে অভিযান চালিয়ে সুমাইয়াকে আটক করে ডিবি। তল্লাশিকালে তার কাছ থেকে একটি আইফোন ১৭ প্রো ম্যাক্স ও একটি ওয়ানপ্লাস স্মার্টফোন জব্দ করা হয়। পরবর্তীতে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বাড্ডা এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয় সহযোগী খাজা সাকলাইন ফারুককে।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে প্রাপ্ত তথ্যের বরাতে গোয়েন্দা কর্মকর্তারা জানান, সুমাইয়া ও তার সহযোগীরা মিলে একটি সংঘবদ্ধ চক্র পরিচালনা করছিলেন। অন্যদিকে সুমাইয়ার বাবা মেয়ের এসব কার্যক্রম সম্পর্কে অবহিত থাকার পরও কোনো বাধা দেননি; বরং এই অনৈতিক আয়ের অর্থ নিয়মিত নিতেন বলে তদন্তে প্রমাণ মিলেছে।

এ ঘটনায় রাজধানীর রমনা মডেল থানায় পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২-এর আওতায় একটি মামলা করা হয়েছে। ঘটনার গভীর তদন্ত, চক্রের মূল নেটওয়ার্ক উদঘাটন এবং অন্যান্য পলাতক সদস্যদের আইনের আওতায় আনতে গ্রেপ্তার দুজনকে আদালতে হাজির করে তিন দিনের রিমান্ড আবেদন করেছে পুলিশ।

 

Tag :

Recent Comments

No comments to show.

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

3 × 1 =

About Author Information

৩৫০০ টাকায় ‘লাইফটাইম মেম্বারশিপ’ দিতেন পর্নো ভিডিও বানানো সুমাইয়া

Update Time : ০১:৫৬:৫৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬
8 / 100 SEO Score

 

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পর্নোগ্রাফিক কনটেন্ট তৈরি, প্রচার ও বাণিজ্যিকভাবে বিক্রির অভিযোগে সুমাইয়া সাঈদ (২৫) নামের এক ইনস্টাগ্রাম ইনফ্লুয়েন্সার এবং তার প্রধান সহযোগী খাজা সাকলাইন ফারুককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। এ ছাড়া মেয়ের অনৈতিক কার্যক্রম জেনেও তাতে সম্মতি দেওয়া এবং ওই উপার্জনের অর্থ গ্রহণের অভিযোগে সুমাইয়ার বাবা মো. আবু সাঈদকেও সংশ্লিষ্ট মামলার আসামি করা হয়েছে।

ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম (দক্ষিণ) বিভাগের একটি দল রাজধানীর ভাটারা ও বাড্ডা এলাকায় ধারাবাহিক অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে।

ডিবি সূত্র জানায়, গত ১০ আগস্ট নিয়মিত সাইবার নজরদারির সময় সুমাইয়ার ইনস্টাগ্রাম ও টেলিগ্রাম অ্যাকাউন্টে আপত্তিকর কনটেন্ট ও তা বিক্রির প্রচারণা শনাক্ত হয়। চক্রটি বিকাশ ও নগদের মতো মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসের (এমএফএস) মাধ্যমে অর্থ গ্রহণ করে অশ্লীল ছবি ও ভিডিও সরবরাহ করত। এমনকি গ্রাহকদের আকৃষ্ট করতে ৩ হাজার ৫০০ টাকায় ‘লাইফটাইম প্যাকেজ’ দেওয়ার বিজ্ঞাপনও প্রচার করা হতো।

ডিজিটাল নজরদারির মাধ্যমে অবস্থান নিশ্চিত হওয়ার পর গত ১১ আগস্ট রাতে ভাটারা থানা এলাকার একটি ফ্ল্যাটে অভিযান চালিয়ে সুমাইয়াকে আটক করে ডিবি। তল্লাশিকালে তার কাছ থেকে একটি আইফোন ১৭ প্রো ম্যাক্স ও একটি ওয়ানপ্লাস স্মার্টফোন জব্দ করা হয়। পরবর্তীতে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বাড্ডা এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয় সহযোগী খাজা সাকলাইন ফারুককে।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে প্রাপ্ত তথ্যের বরাতে গোয়েন্দা কর্মকর্তারা জানান, সুমাইয়া ও তার সহযোগীরা মিলে একটি সংঘবদ্ধ চক্র পরিচালনা করছিলেন। অন্যদিকে সুমাইয়ার বাবা মেয়ের এসব কার্যক্রম সম্পর্কে অবহিত থাকার পরও কোনো বাধা দেননি; বরং এই অনৈতিক আয়ের অর্থ নিয়মিত নিতেন বলে তদন্তে প্রমাণ মিলেছে।

এ ঘটনায় রাজধানীর রমনা মডেল থানায় পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২-এর আওতায় একটি মামলা করা হয়েছে। ঘটনার গভীর তদন্ত, চক্রের মূল নেটওয়ার্ক উদঘাটন এবং অন্যান্য পলাতক সদস্যদের আইনের আওতায় আনতে গ্রেপ্তার দুজনকে আদালতে হাজির করে তিন দিনের রিমান্ড আবেদন করেছে পুলিশ।