Dhaka ০৯:২৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
হাসপাতালের বাথরুম নিজেই পরিষ্কার করতে চাইলেন কৃষিমন্ত্রী সিগন্যালে ত্রুটি থাকায় তিন ঘণ্টায় ১৮ ট্রেন বিলম্বিত আটলান্টিক মহাসাগরে প্রাণ গেল ৮০ জনেরও বেশি অভিবাসীর পরকীয়ায় বাধা,পার্কে একত্রিত হয়ে বিষপান নতুন সংসার শুরু করেছেন হিরো আলমের সাবেক স্ত্রী রিয়া মনি অর্ধেক ঋণ, অর্ধেক অনুদানে উদ্যোক্তাদের সর্বোচ্চ ২০ লাখ টাকা অর্থায়ন তরুণ উদ্যোক্তাদের সর্বোচ্চ ২০ লাখ টাকা দেবে বাংলাদেশ ব্যাংক মানবতাবিরোধী অপরাধ: কাদের-সাদ্দামসহ ৭ জনের মামলার রায় আগামী সপ্তাহে মস্কোর দিয়ে ধেয়ে আসা ৩৭ ড্রোন ধ্বংস করল রাশিয়া সংখ্যালঘু বা সংখ্যাগুরু নয়, সবাইকে বাংলাদেশি ভাবার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

বেনাপোল বন্দরে ভাসছে কোটি টাকার পণ্য

জেলা প্রতিনিধি
12 / 100 SEO Score

 

টানা বর্ষণে দেশের বৃহত্তম স্থলবন্দর বেনাপোলে ভয়াবহ জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। এতে বন্দরের একাধিক শেডে পানি ঢুকে কোটি কোটি টাকার আমদানি-রপ্তানির পণ্য পানিতে ভাসছে। পানি নিষ্কাশনের দুর্বল ব্যবস্থার কারণে ব্যবসায়ীদের বড় ধরনের ক্ষতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

বন্দর ব্যবহারকারীরা জানান, দেশের বৃহৎ স্থলবন্দর বেনাপোলে বন্দর শেড ইয়ার্ডসহ বিভিন্ন স্থাপনা নির্মিত হলেও নাজুক ড্রেনেজ ব্যবস্থা। ফলে সামান্য বৃষ্টি হলেই পানিতে তলিয়ে যায় আমদানিকৃত মালামাল। ক্ষতিগ্রস্ত হয় আমদানি-রপ্তানির সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা। গত কয়েকদিনের টানা বৃষ্টিতে বন্দরের তিন নম্বর গেটের সামনে পাঁচটি শেডে পানিতে তলিয়েছে বিভিন্ন ধরনের মালামাল।

আমদানি-রপ্তানির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট রফিকুল ইসলাম ও আরমান হোসেন বলেন, পানিতে ক্ষতি হলেও আমদানিকারকরা কোনো ক্ষতিপূরণ পান না। ফলে আমরা ক্ষতিগ্রস্ত হই।

বেনাপোল বন্দরের ব্যবসায়ী আব্দুল অলিম গণমাধ্যমকে বলেন, বন্দরে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকায় চলাচলে মারাত্মক অসুবিধা হচ্ছে। কয়েকটি পণ্যাগারে পানি ঢুকে অনেক আমদানিকারকের লাখ লাখ টাকার মালামাল পানিতে ভিজে নষ্ট হয়ে গেছে। বন্দরের ভাড়া প্রতিবছর বাড়লেও তারা বন্দরের উন্নয়নে কোনো ভূমিকা নিচ্ছে না। অধিকাংশ অবকাঠামো দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা ছাড়া তৈরি হওয়ায় বৃষ্টির সময় জলাবদ্ধতা তৈরি হচ্ছে। বারবার আশ্বাস দিলেও স্থায়ী সমাধান করা হচ্ছে না।

এসব বিষয়ে বেনাপোল স্থল বন্দর উপ-পরিচালক কাজী রতন জানান, বেশকিছু শেডে রাখা মালামাল পানিতে ভিজেছে। পাওযার পাম্প দিয়ে পানি নিষ্কাশনের চেষ্টা চলছে। তবে অবিরাম বৃষ্টি হওয়ায় কিছুটা বেগ পেতে হচ্ছে। পানি বন্ধ হলে সমস্যা সমাধান হওয়ার আশা করেন তিনি। জলাবদ্ধতা নিরসনে স্থায়ী সমাধানে চেষ্টা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে বন্দর কর্তৃপক্ষ।

Recent Comments

No comments to show.

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

1 × five =

About Author Information

বেনাপোল বন্দরে ভাসছে কোটি টাকার পণ্য

Update Time : ০৫:৫৪:০৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬
12 / 100 SEO Score

 

টানা বর্ষণে দেশের বৃহত্তম স্থলবন্দর বেনাপোলে ভয়াবহ জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। এতে বন্দরের একাধিক শেডে পানি ঢুকে কোটি কোটি টাকার আমদানি-রপ্তানির পণ্য পানিতে ভাসছে। পানি নিষ্কাশনের দুর্বল ব্যবস্থার কারণে ব্যবসায়ীদের বড় ধরনের ক্ষতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

বন্দর ব্যবহারকারীরা জানান, দেশের বৃহৎ স্থলবন্দর বেনাপোলে বন্দর শেড ইয়ার্ডসহ বিভিন্ন স্থাপনা নির্মিত হলেও নাজুক ড্রেনেজ ব্যবস্থা। ফলে সামান্য বৃষ্টি হলেই পানিতে তলিয়ে যায় আমদানিকৃত মালামাল। ক্ষতিগ্রস্ত হয় আমদানি-রপ্তানির সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা। গত কয়েকদিনের টানা বৃষ্টিতে বন্দরের তিন নম্বর গেটের সামনে পাঁচটি শেডে পানিতে তলিয়েছে বিভিন্ন ধরনের মালামাল।

আমদানি-রপ্তানির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট রফিকুল ইসলাম ও আরমান হোসেন বলেন, পানিতে ক্ষতি হলেও আমদানিকারকরা কোনো ক্ষতিপূরণ পান না। ফলে আমরা ক্ষতিগ্রস্ত হই।

বেনাপোল বন্দরের ব্যবসায়ী আব্দুল অলিম গণমাধ্যমকে বলেন, বন্দরে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকায় চলাচলে মারাত্মক অসুবিধা হচ্ছে। কয়েকটি পণ্যাগারে পানি ঢুকে অনেক আমদানিকারকের লাখ লাখ টাকার মালামাল পানিতে ভিজে নষ্ট হয়ে গেছে। বন্দরের ভাড়া প্রতিবছর বাড়লেও তারা বন্দরের উন্নয়নে কোনো ভূমিকা নিচ্ছে না। অধিকাংশ অবকাঠামো দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা ছাড়া তৈরি হওয়ায় বৃষ্টির সময় জলাবদ্ধতা তৈরি হচ্ছে। বারবার আশ্বাস দিলেও স্থায়ী সমাধান করা হচ্ছে না।

এসব বিষয়ে বেনাপোল স্থল বন্দর উপ-পরিচালক কাজী রতন জানান, বেশকিছু শেডে রাখা মালামাল পানিতে ভিজেছে। পাওযার পাম্প দিয়ে পানি নিষ্কাশনের চেষ্টা চলছে। তবে অবিরাম বৃষ্টি হওয়ায় কিছুটা বেগ পেতে হচ্ছে। পানি বন্ধ হলে সমস্যা সমাধান হওয়ার আশা করেন তিনি। জলাবদ্ধতা নিরসনে স্থায়ী সমাধানে চেষ্টা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে বন্দর কর্তৃপক্ষ।