Dhaka ১১:২৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
হাসপাতালের বাথরুম নিজেই পরিষ্কার করতে চাইলেন কৃষিমন্ত্রী সিগন্যালে ত্রুটি থাকায় তিন ঘণ্টায় ১৮ ট্রেন বিলম্বিত আটলান্টিক মহাসাগরে প্রাণ গেল ৮০ জনেরও বেশি অভিবাসীর পরকীয়ায় বাধা,পার্কে একত্রিত হয়ে বিষপান নতুন সংসার শুরু করেছেন হিরো আলমের সাবেক স্ত্রী রিয়া মনি অর্ধেক ঋণ, অর্ধেক অনুদানে উদ্যোক্তাদের সর্বোচ্চ ২০ লাখ টাকা অর্থায়ন তরুণ উদ্যোক্তাদের সর্বোচ্চ ২০ লাখ টাকা দেবে বাংলাদেশ ব্যাংক মানবতাবিরোধী অপরাধ: কাদের-সাদ্দামসহ ৭ জনের মামলার রায় আগামী সপ্তাহে মস্কোর দিয়ে ধেয়ে আসা ৩৭ ড্রোন ধ্বংস করল রাশিয়া সংখ্যালঘু বা সংখ্যাগুরু নয়, সবাইকে বাংলাদেশি ভাবার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

উত্তরা শপিংমল লুটপাটে ১১ জন রিমান্ডে

8 / 100 SEO Score

রাজধানীর উত্তরায় গুজবকে কেন্দ্র করে শপিংমলে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় ১১ আসামির দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কামাল উদ্দীন পুলিশের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন।ঘটনার মূল পরিকল্পনাকারী ও উসকানিদাতাদের শনাক্ত করা, লুট হওয়া প্রায় ১৫ লাখ টাকার মালামাল উদ্ধার এবং এ ঘটনায় জড়িত অন্যান্য অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের গ্রেফতারের জন্য আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদ প্রয়োজন জানিয়ে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উত্তরা পশ্চিম থানার উপপরিদর্শক মো. সুমন মিয়া আসামিদের আদালতে হাজির করে সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন।

পরবর্তীতে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা রিমান্ড বাতিল চেয়ে জামিন আবেদন করলে উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আদালত দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের প্রসিকিউশন বিভাগের উপপরিদর্শক শামীম। রিমান্ডে নেওয়া আসামিরা হলেন—মো. মনির আলম (৩২), মো. মজিবর রহমান (২০), মো. হৃদয় (১৯), মো. মঞ্জুরুল (৩২), মো. মহব্বত আলী (১৮), শাহ পরান (১৯), মো. শাকিল (১৯), মো. রশিদুল ইসলাম ওরফে রশিদ (২৭), মো. সাজু (২৪), মো. লিটন (২৪) ও জিহাদ (১৯)।

মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, ঘটনার দিন রাত আনুমানিক সাড়ে ৯টার দিকে উত্তরা পশ্চিম থানার ১৩ নম্বর সেক্টরের সোনারগাঁও জনপথ সড়কে অবস্থিত একটি শপিং কমপ্লেক্সের সামনে এক রিকশাচালক ও নিরাপত্তারক্ষীর মধ্যে বাগ্‌বিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে রিকশাচালক ও তার সঙ্গে থাকা আরও কয়েকজন নিরাপত্তারক্ষীর ওপর হামলা চালান।
পরবর্তীতে ঘটনাকে কেন্দ্র করে গুজব ছড়িয়ে পড়লে ৬০০ থেকে ৭০০ উত্তেজিত মানুষ লাঠিসোঁটা ও রড নিয়ে শপিং কমপ্লেক্সে হামলা চালায়। হামলাকারীরা কমপ্লেক্সটির নিচতলা ও দোতলার গ্লাস ভাঙচুর করে এবং ভেতরে থাকা কয়েকটি দোকানে লুটপাট চালায়।এ সময় ‘খাজানা ভ্যারাইটিজ স্টোর’ থেকে প্রায় ১০ লাখ টাকার মালামাল এবং ‘কেজেড মিটেশন জুয়েলারি’ দোকান থেকে প্রায় ৫ লাখ টাকার গয়না লুট করা হয়। ঘটনায় শপিং কমপ্লেক্সটির প্রায় ৯ কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

Tag :

Recent Comments

No comments to show.

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

11 + seven =

About Author Information

উত্তরা শপিংমল লুটপাটে ১১ জন রিমান্ডে

Update Time : ০৩:৪৭:২০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬
8 / 100 SEO Score

রাজধানীর উত্তরায় গুজবকে কেন্দ্র করে শপিংমলে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় ১১ আসামির দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কামাল উদ্দীন পুলিশের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন।ঘটনার মূল পরিকল্পনাকারী ও উসকানিদাতাদের শনাক্ত করা, লুট হওয়া প্রায় ১৫ লাখ টাকার মালামাল উদ্ধার এবং এ ঘটনায় জড়িত অন্যান্য অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের গ্রেফতারের জন্য আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদ প্রয়োজন জানিয়ে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উত্তরা পশ্চিম থানার উপপরিদর্শক মো. সুমন মিয়া আসামিদের আদালতে হাজির করে সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন।

পরবর্তীতে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা রিমান্ড বাতিল চেয়ে জামিন আবেদন করলে উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আদালত দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের প্রসিকিউশন বিভাগের উপপরিদর্শক শামীম। রিমান্ডে নেওয়া আসামিরা হলেন—মো. মনির আলম (৩২), মো. মজিবর রহমান (২০), মো. হৃদয় (১৯), মো. মঞ্জুরুল (৩২), মো. মহব্বত আলী (১৮), শাহ পরান (১৯), মো. শাকিল (১৯), মো. রশিদুল ইসলাম ওরফে রশিদ (২৭), মো. সাজু (২৪), মো. লিটন (২৪) ও জিহাদ (১৯)।

মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, ঘটনার দিন রাত আনুমানিক সাড়ে ৯টার দিকে উত্তরা পশ্চিম থানার ১৩ নম্বর সেক্টরের সোনারগাঁও জনপথ সড়কে অবস্থিত একটি শপিং কমপ্লেক্সের সামনে এক রিকশাচালক ও নিরাপত্তারক্ষীর মধ্যে বাগ্‌বিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে রিকশাচালক ও তার সঙ্গে থাকা আরও কয়েকজন নিরাপত্তারক্ষীর ওপর হামলা চালান।
পরবর্তীতে ঘটনাকে কেন্দ্র করে গুজব ছড়িয়ে পড়লে ৬০০ থেকে ৭০০ উত্তেজিত মানুষ লাঠিসোঁটা ও রড নিয়ে শপিং কমপ্লেক্সে হামলা চালায়। হামলাকারীরা কমপ্লেক্সটির নিচতলা ও দোতলার গ্লাস ভাঙচুর করে এবং ভেতরে থাকা কয়েকটি দোকানে লুটপাট চালায়।এ সময় ‘খাজানা ভ্যারাইটিজ স্টোর’ থেকে প্রায় ১০ লাখ টাকার মালামাল এবং ‘কেজেড মিটেশন জুয়েলারি’ দোকান থেকে প্রায় ৫ লাখ টাকার গয়না লুট করা হয়। ঘটনায় শপিং কমপ্লেক্সটির প্রায় ৯ কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।