Dhaka ০৮:২২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আর্থিক প্রতারণার অভিযোগ, অভিনেতা সোহমের বিরুদ্ধে মামলা

10 / 100 SEO Score

তৃণমূল কংগ্রেসের তারকা প্রার্থী ও অভিনেতা সোহম চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে আর্থিক প্রতারণার অভিযোগে কলকাতা হাইকোর্টে মামলা হয়েছে।আগামী সপ্তাহে বিচারপতি গৌরাঙ্গ কান্তের এজলাসে মামলাটির শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে। ভোটের আগে নিজ দলের প্রার্থীর বিরুদ্ধে এমন অভিযোগে কিছুটা অস্বস্তিতে পড়েছে তৃণমূল শিবির।সোহমের বিরুদ্ধে অভিযোগ, ধার নেওয়া টাকা ফেরত দেননি তিনি। এ ঘটনায় শাহিদ ইমাম নামের এক ব্যক্তি আদালতের শরণাপন্ন হয়েছেন। সোহম চক্রবর্তী চণ্ডীপুরের বিদায়ী বিধায়ক। আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে দল তার আসন পরিবর্তন করে নদিয়ার করিমপুর থেকে প্রার্থী করেছে।

মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, ২০২১ সালে একটি চলচ্চিত্র নির্মাণের জন্য শাহিদ ইমামের সঙ্গে সোহমের এক কোটি টাকার চুক্তি হয়েছিল। সেই চুক্তি অনুযায়ী অভিনেতা ৬৮ লাখ টাকা গ্রহণ করেন। তবে শেষ পর্যন্ত ছবিটি নির্মিত হয়নি এবং অভিযোগ অনুযায়ী পুরো টাকা ফেরতও দেওয়া হয়নি। এ অর্থ ফেরত না পেয়ে আদালতের দ্বারস্থ হন শাহিদ।এর আগে একই বিষয়ে আদালতে মামলা করেছিলেন শাহিদ। বাদীর দাবি, টাকা দেওয়ার সময় তিনি যুব তৃণমূলের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। পরে ২০২২ সালে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার হয়ে প্রায় দুবছর কারাভোগের পর জামিনে মুক্তি পান। জেল থেকে বেরিয়ে তিনি সোহমের কাছে ধার করা টাকা ফেরত চান। কিন্তু সেই টাকা আর ফেরত পাননি।এর আগে আদালত উভয় পক্ষকে সালিশি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বিষয়টি মেটানোর নির্দেশ দিয়েছিল। তবে কোনো সমাধান না হওয়ায় পুনরায় মামলা করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন শাহিদ। টাকা চাইতে গেলে তাকে সোহম হুমকিও দিয়েছেন বলে অভিযোগ বাদীর। এদিকে করিমপুরে তৃণমূল প্রার্থীর বিরুদ্ধে আর্থিক প্রতারণার অভিযোগ সামনে আসতেই রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে। বিজেপির প্রার্থী সমরেন্দ্রনাথ ঘোষ বলেন, যিনি লাখ লাখ টাকার দুর্নীতির অভিযোগে অভিযুক্ত, তিনি নির্বাচিত হলে সাধারণ মানুষের দুর্দশা বাড়বে। মানুষ তাকে ভোট দেবেন না বলেই আমার বিশ্বাস।

অন্যদিকে তৃণমূলের করিমপুর ২ ব্লকের সভাপতি সৌমেন বিশ্বাস অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, এটি সম্পূর্ণ রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র। ভোটের আগে প্রার্থীর ভাবমূর্তি নষ্ট করতেই পুরোনো বিষয় সামনে আনা হচ্ছে।
সূত্র: আনন্দবাজার

Tag :

Recent Comments

No comments to show.

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

আর্থিক প্রতারণার অভিযোগ, অভিনেতা সোহমের বিরুদ্ধে মামলা

Update Time : ১২:২২:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬
10 / 100 SEO Score

তৃণমূল কংগ্রেসের তারকা প্রার্থী ও অভিনেতা সোহম চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে আর্থিক প্রতারণার অভিযোগে কলকাতা হাইকোর্টে মামলা হয়েছে।আগামী সপ্তাহে বিচারপতি গৌরাঙ্গ কান্তের এজলাসে মামলাটির শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে। ভোটের আগে নিজ দলের প্রার্থীর বিরুদ্ধে এমন অভিযোগে কিছুটা অস্বস্তিতে পড়েছে তৃণমূল শিবির।সোহমের বিরুদ্ধে অভিযোগ, ধার নেওয়া টাকা ফেরত দেননি তিনি। এ ঘটনায় শাহিদ ইমাম নামের এক ব্যক্তি আদালতের শরণাপন্ন হয়েছেন। সোহম চক্রবর্তী চণ্ডীপুরের বিদায়ী বিধায়ক। আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে দল তার আসন পরিবর্তন করে নদিয়ার করিমপুর থেকে প্রার্থী করেছে।

মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, ২০২১ সালে একটি চলচ্চিত্র নির্মাণের জন্য শাহিদ ইমামের সঙ্গে সোহমের এক কোটি টাকার চুক্তি হয়েছিল। সেই চুক্তি অনুযায়ী অভিনেতা ৬৮ লাখ টাকা গ্রহণ করেন। তবে শেষ পর্যন্ত ছবিটি নির্মিত হয়নি এবং অভিযোগ অনুযায়ী পুরো টাকা ফেরতও দেওয়া হয়নি। এ অর্থ ফেরত না পেয়ে আদালতের দ্বারস্থ হন শাহিদ।এর আগে একই বিষয়ে আদালতে মামলা করেছিলেন শাহিদ। বাদীর দাবি, টাকা দেওয়ার সময় তিনি যুব তৃণমূলের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। পরে ২০২২ সালে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার হয়ে প্রায় দুবছর কারাভোগের পর জামিনে মুক্তি পান। জেল থেকে বেরিয়ে তিনি সোহমের কাছে ধার করা টাকা ফেরত চান। কিন্তু সেই টাকা আর ফেরত পাননি।এর আগে আদালত উভয় পক্ষকে সালিশি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বিষয়টি মেটানোর নির্দেশ দিয়েছিল। তবে কোনো সমাধান না হওয়ায় পুনরায় মামলা করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন শাহিদ। টাকা চাইতে গেলে তাকে সোহম হুমকিও দিয়েছেন বলে অভিযোগ বাদীর। এদিকে করিমপুরে তৃণমূল প্রার্থীর বিরুদ্ধে আর্থিক প্রতারণার অভিযোগ সামনে আসতেই রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে। বিজেপির প্রার্থী সমরেন্দ্রনাথ ঘোষ বলেন, যিনি লাখ লাখ টাকার দুর্নীতির অভিযোগে অভিযুক্ত, তিনি নির্বাচিত হলে সাধারণ মানুষের দুর্দশা বাড়বে। মানুষ তাকে ভোট দেবেন না বলেই আমার বিশ্বাস।

অন্যদিকে তৃণমূলের করিমপুর ২ ব্লকের সভাপতি সৌমেন বিশ্বাস অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, এটি সম্পূর্ণ রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র। ভোটের আগে প্রার্থীর ভাবমূর্তি নষ্ট করতেই পুরোনো বিষয় সামনে আনা হচ্ছে।
সূত্র: আনন্দবাজার