Dhaka ০৬:৫৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আইএমএফের ঋণ স্থগিতের খবর নাকচ করলো সরকার

12 / 100 SEO Score

 

বিশ্বব্যাংক-আইএমএফের স্প্রিং মিটিং-এর সাইডলাইনে অনুষ্ঠিত বৈঠকের পর আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) বাংলাদেশের ঋণের পরবর্তী কিস্তি স্থগিত করেছে। শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) গণমাধ্যমে আসা এই খবরকে নাকচ করে দিয়েছে সরকার।

ওয়াশিংটনস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসের প্রেস উইং থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিবৃতিতে বলা হয়, শুক্রবার অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর নেতৃত্বে বাংলাদেশ প্রতিনিধি দল আইএমএফ কর্মকর্তাদের সঙ্গে দুটি বৈঠক করেছেন।

জানা যায়, এদিন সকালে প্রথম বৈঠকটি আইএমএফের এশিয়া ও প্যাসিফিক বিভাগের পরিচালক কৃষ্ণা শ্রীনিবাসন ও তার দলের সঙ্গে অনুষ্ঠিত হয়।

একইদিন বিকেলে আইএমএফের ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর (ডিএমডি) নাইজেল ক্লার্ক ও তার টিমের সঙ্গে দ্বিতীয় বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়।

বিবৃতিতে বলা হয়, সংস্কার বাস্তবায়নে ব্যর্থতার কারণ দেখিয়ে আইএমএফ ঋণের পরবর্তী কিস্তি স্থগিত করেছে বলে গণমাধ্যমে যে খবরটি প্রকাশিত হয়েছে, তা ‘সম্পূর্ণ অসত্য’।

বিবৃতিতে আরও স্পষ্ট করা হয় যে, এ ধরনের কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। এমনকি আগের দিন আইএমএফের সঙ্গে বাংলাদেশের কোনো বৈঠকই অনুষ্ঠিত হয়নি বলে দাবি করা হয় প্রতিবেদনে।

এতে বলা হয়, বৈঠকগুলোতেও এ ধরনের কোনো আলোচনা বা সিদ্ধান্ত হয়নি। বরং আলোচনাগুলো অত্যন্ত ‘ইতিবাচক ও প্রাণবন্ত’ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

জানা যায়, বৈঠক চলাকালে নবনির্বাচিত সরকারের নীতিগত দিকনির্দেশনা এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) প্রধান নির্বাচনী প্রতিশ্রুতিগুলো তুলে ধরেন অর্থমন্ত্রী।

এসময় রাজস্ব আদায় বৃদ্ধি এবং ব্যাংক ও আর্থিক খাতের সংস্কার নিয়ে আলোচনা করেন উভয় পক্ষ। অধিকাংশ বিষয়ে উভয় পক্ষ একমত হলেও কিছু ক্ষেত্রে আরও আলোচনার প্রয়োজনীয়তা চিহ্নিত করা হয়েছে।

মন্ত্রী বিশেষ করে জনস্বার্থের ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলে এমন বিষয়গুলোতে সরকারের দৃঢ় অবস্থানের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন।

বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, উভয় পক্ষই একমত হয়েছে যে আলোচনা অব্যাহত থাকবে এবং সংলাপের মাধ্যমে অমীমাংসিত বিষয়গুলো সমাধান করা সম্ভব হবে।

এদিকে কিছু বিষয়ে মতভিন্নতা থাকলেও ধারাবাহিক আলোচনার মাধ্যমে ঐকমত্যে পৌঁছানোর ব্যাপারে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন উভয় পক্ষই।

 

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

আইএমএফের ঋণ স্থগিতের খবর নাকচ করলো সরকার

Update Time : ০৬:৫৫:২৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬
12 / 100 SEO Score

 

বিশ্বব্যাংক-আইএমএফের স্প্রিং মিটিং-এর সাইডলাইনে অনুষ্ঠিত বৈঠকের পর আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) বাংলাদেশের ঋণের পরবর্তী কিস্তি স্থগিত করেছে। শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) গণমাধ্যমে আসা এই খবরকে নাকচ করে দিয়েছে সরকার।

ওয়াশিংটনস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসের প্রেস উইং থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিবৃতিতে বলা হয়, শুক্রবার অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর নেতৃত্বে বাংলাদেশ প্রতিনিধি দল আইএমএফ কর্মকর্তাদের সঙ্গে দুটি বৈঠক করেছেন।

জানা যায়, এদিন সকালে প্রথম বৈঠকটি আইএমএফের এশিয়া ও প্যাসিফিক বিভাগের পরিচালক কৃষ্ণা শ্রীনিবাসন ও তার দলের সঙ্গে অনুষ্ঠিত হয়।

একইদিন বিকেলে আইএমএফের ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর (ডিএমডি) নাইজেল ক্লার্ক ও তার টিমের সঙ্গে দ্বিতীয় বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়।

বিবৃতিতে বলা হয়, সংস্কার বাস্তবায়নে ব্যর্থতার কারণ দেখিয়ে আইএমএফ ঋণের পরবর্তী কিস্তি স্থগিত করেছে বলে গণমাধ্যমে যে খবরটি প্রকাশিত হয়েছে, তা ‘সম্পূর্ণ অসত্য’।

বিবৃতিতে আরও স্পষ্ট করা হয় যে, এ ধরনের কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। এমনকি আগের দিন আইএমএফের সঙ্গে বাংলাদেশের কোনো বৈঠকই অনুষ্ঠিত হয়নি বলে দাবি করা হয় প্রতিবেদনে।

এতে বলা হয়, বৈঠকগুলোতেও এ ধরনের কোনো আলোচনা বা সিদ্ধান্ত হয়নি। বরং আলোচনাগুলো অত্যন্ত ‘ইতিবাচক ও প্রাণবন্ত’ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

জানা যায়, বৈঠক চলাকালে নবনির্বাচিত সরকারের নীতিগত দিকনির্দেশনা এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) প্রধান নির্বাচনী প্রতিশ্রুতিগুলো তুলে ধরেন অর্থমন্ত্রী।

এসময় রাজস্ব আদায় বৃদ্ধি এবং ব্যাংক ও আর্থিক খাতের সংস্কার নিয়ে আলোচনা করেন উভয় পক্ষ। অধিকাংশ বিষয়ে উভয় পক্ষ একমত হলেও কিছু ক্ষেত্রে আরও আলোচনার প্রয়োজনীয়তা চিহ্নিত করা হয়েছে।

মন্ত্রী বিশেষ করে জনস্বার্থের ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলে এমন বিষয়গুলোতে সরকারের দৃঢ় অবস্থানের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন।

বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, উভয় পক্ষই একমত হয়েছে যে আলোচনা অব্যাহত থাকবে এবং সংলাপের মাধ্যমে অমীমাংসিত বিষয়গুলো সমাধান করা সম্ভব হবে।

এদিকে কিছু বিষয়ে মতভিন্নতা থাকলেও ধারাবাহিক আলোচনার মাধ্যমে ঐকমত্যে পৌঁছানোর ব্যাপারে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন উভয় পক্ষই।