Dhaka ০৩:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৯ জুন ২০২৬, ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

যুক্তরাষ্ট্রে নিখোঁজ দুই বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর একজনের মরদেহ উদ্ধার

12 / 100 SEO Score

 

যুক্তরাষ্ট্রে গত ১০ দিন ধরে নিখোঁজ দুই বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর মধ্যে জামিল আহমেদ লিমনের (২৭) মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তিনি ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডায় ভূগোল, পরিবেশবিজ্ঞান ও নীতি বিষয়ে পিএইচডি করছিলেন। তার নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় সন্দেহভাজন হিসেবে রুমমেট হিশাম আবুঘরবেহ (২৬) নামের এক ব্যক্তিকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। তবে তার সঙ্গে একই দিন নিখোঁজ হওয়া আরেক বাংলাদেশি শিক্ষার্থী নাহিদা এস বৃষ্টির সন্ধান এখনো পায়নি পুলিশ।

জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) ফ্লোরিডার ট্যাম্পা শহরের হাওয়ার্ড ফ্যাঙ্কল্যান্ড ব্রিজ এলাকা থেকে জামিলের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে হিলসবরো কাউন্টি শেরিফের (পুলিশ) কার্যালয়।

তবে নিখোঁজ হওয়া আরেক শিক্ষার্থী নাহিদা এস বৃষ্টির সন্ধান এখনো পাওয়া যায়নি এবং তার খোঁজ পাওয়ার জন্য তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে কার্যালয়।

নাহিদা ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডায় কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ে পিএইচডি করছেন। বিশ্ববিদ্যালয় পুলিশ বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, জামিল ও নাহিদাকে সর্বশেষ ১৬ এপ্রিল দেখা গিয়েছিল। সেদিন জামিলকে সর্বশেষ দেখা যায় সকাল ৯টার দিকে, বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে তার ছাত্রাবাসে। অন্যদিকে নাহিদাকে সর্বশেষ দেখা যায় সেদিন সকাল ১০টার দিকে, বিশ্ববিদ্যালয়ের ন্যাচারাল অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্সেস ভবনে।

জামিল ও নাহিদার সঙ্গে যোগাযোগ করতে না পেরে তাদের এক পারিবারিক বন্ধু পরদিন ১৭ এপ্রিল বিষয়টি কর্তৃপক্ষকে জানান। এর পরিপ্রেক্ষিতে দুটি নিখোঁজ ডায়েরি করা হয়। এরপর তদন্তে নামে পুলিশ।

ওয়াশিংটনে বাংলাদেশ দূতাবাসের প্রেস মিনিস্টার গোলাম মোর্তোজাও জামিলের লাশ উদ্ধারের তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি এক ফেসবুক পোস্টে লেখেন, ‘অত্যন্ত হৃদয়বিদারক সংবাদটি জানাতে হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডার দুই বাংলাদেশি পিএইচডি শিক্ষার্থী নিখোঁজের ঘটনায় সন্দেহভাজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করে জামিল লিমনের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নাহিদা এস বৃষ্টির বিষয়ে এখনো কিছু জানা যায়নি। তদন্ত চলছে। সন্দেহভাজনকে এখনো জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।’

 

Tag :

Recent Comments

No comments to show.

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

যুক্তরাষ্ট্রে নিখোঁজ দুই বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর একজনের মরদেহ উদ্ধার

Update Time : ১২:১৭:২১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬
12 / 100 SEO Score

 

যুক্তরাষ্ট্রে গত ১০ দিন ধরে নিখোঁজ দুই বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর মধ্যে জামিল আহমেদ লিমনের (২৭) মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তিনি ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডায় ভূগোল, পরিবেশবিজ্ঞান ও নীতি বিষয়ে পিএইচডি করছিলেন। তার নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় সন্দেহভাজন হিসেবে রুমমেট হিশাম আবুঘরবেহ (২৬) নামের এক ব্যক্তিকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। তবে তার সঙ্গে একই দিন নিখোঁজ হওয়া আরেক বাংলাদেশি শিক্ষার্থী নাহিদা এস বৃষ্টির সন্ধান এখনো পায়নি পুলিশ।

জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) ফ্লোরিডার ট্যাম্পা শহরের হাওয়ার্ড ফ্যাঙ্কল্যান্ড ব্রিজ এলাকা থেকে জামিলের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে হিলসবরো কাউন্টি শেরিফের (পুলিশ) কার্যালয়।

তবে নিখোঁজ হওয়া আরেক শিক্ষার্থী নাহিদা এস বৃষ্টির সন্ধান এখনো পাওয়া যায়নি এবং তার খোঁজ পাওয়ার জন্য তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে কার্যালয়।

নাহিদা ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডায় কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ে পিএইচডি করছেন। বিশ্ববিদ্যালয় পুলিশ বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, জামিল ও নাহিদাকে সর্বশেষ ১৬ এপ্রিল দেখা গিয়েছিল। সেদিন জামিলকে সর্বশেষ দেখা যায় সকাল ৯টার দিকে, বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে তার ছাত্রাবাসে। অন্যদিকে নাহিদাকে সর্বশেষ দেখা যায় সেদিন সকাল ১০টার দিকে, বিশ্ববিদ্যালয়ের ন্যাচারাল অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্সেস ভবনে।

জামিল ও নাহিদার সঙ্গে যোগাযোগ করতে না পেরে তাদের এক পারিবারিক বন্ধু পরদিন ১৭ এপ্রিল বিষয়টি কর্তৃপক্ষকে জানান। এর পরিপ্রেক্ষিতে দুটি নিখোঁজ ডায়েরি করা হয়। এরপর তদন্তে নামে পুলিশ।

ওয়াশিংটনে বাংলাদেশ দূতাবাসের প্রেস মিনিস্টার গোলাম মোর্তোজাও জামিলের লাশ উদ্ধারের তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি এক ফেসবুক পোস্টে লেখেন, ‘অত্যন্ত হৃদয়বিদারক সংবাদটি জানাতে হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডার দুই বাংলাদেশি পিএইচডি শিক্ষার্থী নিখোঁজের ঘটনায় সন্দেহভাজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করে জামিল লিমনের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নাহিদা এস বৃষ্টির বিষয়ে এখনো কিছু জানা যায়নি। তদন্ত চলছে। সন্দেহভাজনকে এখনো জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।’