Dhaka ০৯:৩৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আইপিএলে ইতিহাস, ১ রানের সুপার ওভারে কলকাতা নাইট রাইডার্সের জয়

12 / 100 SEO Score

 

আইপিএলে দুই ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান মুখোমুখি এবং টুর্নামেন্টের ইতিহাসে সর্বনিম্ন রানের সুপার ওভার হয়ে গেল, যেখানে ১২ বছর পর ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ঘটিয়ে ফের নায়ক হলেন সুনীল নারিন।

রোববার (২৬ এপ্রিল) রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে লখনউ সুপার জায়ান্টস ও কলকাতা নাইট রাইডার্সের ম্যাচে হয়ে গেল এই অভাবনীয় ঘটনা। লখনউ সুপার জায়ান্টসকে হারাল কলকাতা নাইট রাইডার্স।

সুপার ওভার যেন শুরু হওয়ার আগেই শেষ। পুরান প্রথম বল মোকাবিলা করছিলেন, অন্য প্রান্তে ছিলেন এইডেন মার্করাম। নারিনের হাতে ছিল বল এবং শুরুতেই স্বদেশী ব্যাটারের উইকেট নেন। স্লগ সুইপ করতে গিয়ে মিস করেন এবং হন বোল্ড। মার্করাম তৃতীয় বলে ডিপে ধরা পড়ার আগে রিশাভ পান্ত সিঙ্গেল নেন।

সুপার ওভারে মাত্র ১ রান, যা আইপিএল ইতিহাসে সর্বনিম্ন। তারপর রোভম্যান পাওয়েল ও রিংকু সিং ২ রানের লক্ষ্যে নামেন। রিংকু প্রিন্স যাদবের ডেলিভারি পয়েন্ট দিয়ে বাউন্ডারির বাইরে পাঠান। কলকাতা জেতে সুপার ওভারে।

শেষ পাঁচ ওভারে লখনউর দরকার ছিল ৬৪ রান। মুকুল চৌধুরীর উইকেট নিয়ে কলকাতাকে সুবিধাজনক অবস্থানে রাখেন অনুকূল রায়। ১৬তম ওভারে স্বাগতিকদের স্কোর ৫ উইকেটে ৯৩ রান। তবে আয়ুশ বাদোনি ঝড় তোলেন। অনুকূলকে ছক্কা মারেন, তারপর ত্যাগিকে আরও দুটি। হিম্মদ সিংয়ের ছয়ও লখনউকে লড়াইয়ে ফেরায়।

শেষের দিকে লড়াইয়ে টানটান উত্তেজনা ছিল। বাদোনিকে ফেরান বরুণ, দুটি চার মেরে একই ওভারে অরোরার শিকার হন লিন্ডে। শামি ও হিম্মত ওই ওভার শেষ করেন দুটি চার মেরে। তাতে শেষ ওভারে প্রয়োজন দাঁড়ায় ১৭ রানের।

আর শেষ ছয় বল ছিল নাটকীয়তায় ভরা। একটি বাই, দুটি নো বল ও পরে চার, লখনউর লক্ষ্য ছিল ৪ বলে ৮ রান। এমন সময়ে হিম্মত ত্যাগীর কাছে উইকেট হারান। শেষ বলে দরকার সাত রান। কলকাতা আশায় বুক বেঁধেছিল। কিন্তু শামির ছিল ভিন্ন পরিকল্পনা। ফুল ডেলিভারি লং অফ দিয়ে উড়িয়ে মেরে ম্যাচ সুপার ওভারে নেন।

কিন্তু সুপার ওভারে সুবিধা করতে পারেনি লখনউ। আইপিএলের সর্বনিম্ন সুপার ওভার জিতে ৫ পয়েন্ট নিয়ে তলানি থেকে আটে উঠে গেছে কলকাতা। লখনউ চার পয়েন্ট নিয়ে সবার শেষে।

কলকাতা প্রতিপক্ষের মাঠে খেলতে নেমে রিংকু সিংয়ের ৫১ বলে ৮৩ রানের সুবাদে ৭ উইকেটে ১৫৫ রান করে। লখনউ করে ৮ উইকেটে ১৫৫ রান। সর্বোচ্চ স্কোরার পান্ত (৪২)।

 

Tag :

Recent Comments

No comments to show.

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

আইপিএলে ইতিহাস, ১ রানের সুপার ওভারে কলকাতা নাইট রাইডার্সের জয়

Update Time : ০৫:৩২:৫৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬
12 / 100 SEO Score

 

আইপিএলে দুই ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান মুখোমুখি এবং টুর্নামেন্টের ইতিহাসে সর্বনিম্ন রানের সুপার ওভার হয়ে গেল, যেখানে ১২ বছর পর ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ঘটিয়ে ফের নায়ক হলেন সুনীল নারিন।

রোববার (২৬ এপ্রিল) রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে লখনউ সুপার জায়ান্টস ও কলকাতা নাইট রাইডার্সের ম্যাচে হয়ে গেল এই অভাবনীয় ঘটনা। লখনউ সুপার জায়ান্টসকে হারাল কলকাতা নাইট রাইডার্স।

সুপার ওভার যেন শুরু হওয়ার আগেই শেষ। পুরান প্রথম বল মোকাবিলা করছিলেন, অন্য প্রান্তে ছিলেন এইডেন মার্করাম। নারিনের হাতে ছিল বল এবং শুরুতেই স্বদেশী ব্যাটারের উইকেট নেন। স্লগ সুইপ করতে গিয়ে মিস করেন এবং হন বোল্ড। মার্করাম তৃতীয় বলে ডিপে ধরা পড়ার আগে রিশাভ পান্ত সিঙ্গেল নেন।

সুপার ওভারে মাত্র ১ রান, যা আইপিএল ইতিহাসে সর্বনিম্ন। তারপর রোভম্যান পাওয়েল ও রিংকু সিং ২ রানের লক্ষ্যে নামেন। রিংকু প্রিন্স যাদবের ডেলিভারি পয়েন্ট দিয়ে বাউন্ডারির বাইরে পাঠান। কলকাতা জেতে সুপার ওভারে।

শেষ পাঁচ ওভারে লখনউর দরকার ছিল ৬৪ রান। মুকুল চৌধুরীর উইকেট নিয়ে কলকাতাকে সুবিধাজনক অবস্থানে রাখেন অনুকূল রায়। ১৬তম ওভারে স্বাগতিকদের স্কোর ৫ উইকেটে ৯৩ রান। তবে আয়ুশ বাদোনি ঝড় তোলেন। অনুকূলকে ছক্কা মারেন, তারপর ত্যাগিকে আরও দুটি। হিম্মদ সিংয়ের ছয়ও লখনউকে লড়াইয়ে ফেরায়।

শেষের দিকে লড়াইয়ে টানটান উত্তেজনা ছিল। বাদোনিকে ফেরান বরুণ, দুটি চার মেরে একই ওভারে অরোরার শিকার হন লিন্ডে। শামি ও হিম্মত ওই ওভার শেষ করেন দুটি চার মেরে। তাতে শেষ ওভারে প্রয়োজন দাঁড়ায় ১৭ রানের।

আর শেষ ছয় বল ছিল নাটকীয়তায় ভরা। একটি বাই, দুটি নো বল ও পরে চার, লখনউর লক্ষ্য ছিল ৪ বলে ৮ রান। এমন সময়ে হিম্মত ত্যাগীর কাছে উইকেট হারান। শেষ বলে দরকার সাত রান। কলকাতা আশায় বুক বেঁধেছিল। কিন্তু শামির ছিল ভিন্ন পরিকল্পনা। ফুল ডেলিভারি লং অফ দিয়ে উড়িয়ে মেরে ম্যাচ সুপার ওভারে নেন।

কিন্তু সুপার ওভারে সুবিধা করতে পারেনি লখনউ। আইপিএলের সর্বনিম্ন সুপার ওভার জিতে ৫ পয়েন্ট নিয়ে তলানি থেকে আটে উঠে গেছে কলকাতা। লখনউ চার পয়েন্ট নিয়ে সবার শেষে।

কলকাতা প্রতিপক্ষের মাঠে খেলতে নেমে রিংকু সিংয়ের ৫১ বলে ৮৩ রানের সুবাদে ৭ উইকেটে ১৫৫ রান করে। লখনউ করে ৮ উইকেটে ১৫৫ রান। সর্বোচ্চ স্কোরার পান্ত (৪২)।