Dhaka ০২:০১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৯ মে ২০২৬, ২৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রিজার্ভ বেড়ে এখন ৩৫.৩৩ বিলিয়ন ডলার

নিজস্ব প্রতিবেদক
12 / 100 SEO Score

 

দেশের বৈদেশিক মুদ্রার মোট রিজার্ভ ৩৫ দশমিক ৩৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে দাঁড়িয়েছে। বুধবার (৬ মে) বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানায়, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) ব্যালান্স অব পেমেন্টস অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল ইনভেস্টমেন্ট পজিশন ম্যানুয়াল (বিপিএম-৬) হিসাব মানদণ্ড অনুযায়ী দেশের বর্তমান রিজার্ভ ৩০.৬৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

আরিফ হোসেন খান জানান, রিজার্ভের এই সামান্য বৃদ্ধি মূলত ধারাবাহিক রেমিট্যান্স প্রবাহের ফল। গতকাল ৫ মে একদিনেই প্রবাসী আয় এসেছে ১৬১ মিলিয়ন ডলার। আর মে মাসের প্রথম পাঁচ দিনে মোট রেমিট্যান্স এসেছে ৬১৬ মিলিয়ন ডলার, যা গত বছরের একই সময়ের ৪৭৭ মিলিয়ন ডলারের তুলনায় প্রায় ২৯ দশমিক ১ শতাংশ বেশি।

চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জুলাই থেকে ৫ মে পর্যন্ত সময়ে মোট রেমিট্যান্স প্রবাহ দাঁড়িয়েছে ২৯ দশমিক ৯৫ বিলিয়ন ডলার। আগের অর্থবছরের একই সময়ে যা ছিল ২৫ দশমিক ০১ বিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ, এক বছরের ব্যবধানে প্রবৃদ্ধি হয়েছে প্রায় ১৯ দশমিক ৭ শতাংশ।

এর আগে, গত ২৩ এপ্রিল বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে দেশে রিজার্ভ ছিল তিন হাজার ৪৮ কোটি ৪০ লাখ ১০ হাজার ডলার। অন্যদিকে, বাংলাদেশ ব্যাংকের নিজস্ব হিসাবে মোট রিজার্ভের পরিমাণ ছিল তিন হাজার ৫১১ কোটি ৭৫ লাখ ডলার।

গত ১৬ এপ্রিল বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে দেশে রিজার্ভ দাঁড়িয়েছিল তিন হাজার ৩৬ কোটি ৬২ লাখ ৪০ হাজার ডলার। অন্যদিকে, বাংলাদেশ ব্যাংকের নিজস্ব হিসাবে মোট রিজার্ভের পরিমাণ ছিল তিন হাজার ৫০৩ কোটি ৮০ লাখ ডলার।

এরও আগে ১৫ এপ্রিল বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে দেশে রিজার্ভ ছিল তিন হাজার ২০ কোটি ১৭ লাখ ১০ হাজার ডলার। অন্যদিকে, বাংলাদেশ ব্যাংকের নিজস্ব হিসাবে মোট রিজার্ভের পরিমাণ ছিল তিন হাজার ৪৮৭ কোটি ৩৩ লাখ ২০ হাজার ডলার। গত ৯ এপ্রিল বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে রিজার্ভ ছিল দুই হাজার ৯৯৫ কোটি ২৬ লাখ ৬০ হাজার ডলার ও বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাবে ছিল তিন হাজার ৪৬৪ কোটি ৫০ লাখ ৪০ হাজার ডলার।

চার মাসে আগে গত ৮ জানুয়ারি আইএমএফের হিসাব অনুযায়ী, রিজার্ভ ছিল দুই হাজার ৭৮৪ কোটি ৫৩ লাখ ৮০ হাজার ডলার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নিজস্ব হিসাবে ছিল তিন হাজার ২৪৩ কোটি ৯৫ লাখ ১০ হাজার ডলার।

 

Recent Comments

No comments to show.

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

রিজার্ভ বেড়ে এখন ৩৫.৩৩ বিলিয়ন ডলার

Update Time : ০৫:২৮:১৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ মে ২০২৬
12 / 100 SEO Score

 

দেশের বৈদেশিক মুদ্রার মোট রিজার্ভ ৩৫ দশমিক ৩৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে দাঁড়িয়েছে। বুধবার (৬ মে) বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানায়, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) ব্যালান্স অব পেমেন্টস অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল ইনভেস্টমেন্ট পজিশন ম্যানুয়াল (বিপিএম-৬) হিসাব মানদণ্ড অনুযায়ী দেশের বর্তমান রিজার্ভ ৩০.৬৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

আরিফ হোসেন খান জানান, রিজার্ভের এই সামান্য বৃদ্ধি মূলত ধারাবাহিক রেমিট্যান্স প্রবাহের ফল। গতকাল ৫ মে একদিনেই প্রবাসী আয় এসেছে ১৬১ মিলিয়ন ডলার। আর মে মাসের প্রথম পাঁচ দিনে মোট রেমিট্যান্স এসেছে ৬১৬ মিলিয়ন ডলার, যা গত বছরের একই সময়ের ৪৭৭ মিলিয়ন ডলারের তুলনায় প্রায় ২৯ দশমিক ১ শতাংশ বেশি।

চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জুলাই থেকে ৫ মে পর্যন্ত সময়ে মোট রেমিট্যান্স প্রবাহ দাঁড়িয়েছে ২৯ দশমিক ৯৫ বিলিয়ন ডলার। আগের অর্থবছরের একই সময়ে যা ছিল ২৫ দশমিক ০১ বিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ, এক বছরের ব্যবধানে প্রবৃদ্ধি হয়েছে প্রায় ১৯ দশমিক ৭ শতাংশ।

এর আগে, গত ২৩ এপ্রিল বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে দেশে রিজার্ভ ছিল তিন হাজার ৪৮ কোটি ৪০ লাখ ১০ হাজার ডলার। অন্যদিকে, বাংলাদেশ ব্যাংকের নিজস্ব হিসাবে মোট রিজার্ভের পরিমাণ ছিল তিন হাজার ৫১১ কোটি ৭৫ লাখ ডলার।

গত ১৬ এপ্রিল বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে দেশে রিজার্ভ দাঁড়িয়েছিল তিন হাজার ৩৬ কোটি ৬২ লাখ ৪০ হাজার ডলার। অন্যদিকে, বাংলাদেশ ব্যাংকের নিজস্ব হিসাবে মোট রিজার্ভের পরিমাণ ছিল তিন হাজার ৫০৩ কোটি ৮০ লাখ ডলার।

এরও আগে ১৫ এপ্রিল বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে দেশে রিজার্ভ ছিল তিন হাজার ২০ কোটি ১৭ লাখ ১০ হাজার ডলার। অন্যদিকে, বাংলাদেশ ব্যাংকের নিজস্ব হিসাবে মোট রিজার্ভের পরিমাণ ছিল তিন হাজার ৪৮৭ কোটি ৩৩ লাখ ২০ হাজার ডলার। গত ৯ এপ্রিল বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে রিজার্ভ ছিল দুই হাজার ৯৯৫ কোটি ২৬ লাখ ৬০ হাজার ডলার ও বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাবে ছিল তিন হাজার ৪৬৪ কোটি ৫০ লাখ ৪০ হাজার ডলার।

চার মাসে আগে গত ৮ জানুয়ারি আইএমএফের হিসাব অনুযায়ী, রিজার্ভ ছিল দুই হাজার ৭৮৪ কোটি ৫৩ লাখ ৮০ হাজার ডলার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নিজস্ব হিসাবে ছিল তিন হাজার ২৪৩ কোটি ৯৫ লাখ ১০ হাজার ডলার।