Dhaka ০৬:৪৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

অংশীদারি চুক্তিতে বাংলাদেশ ইইউ একমত

নিজেস্ব প্রতিবেদক
12 / 100 SEO Score

 

বাংলাদেশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) মধ্যে সমন্বিত অংশীদারিত্ব ও সহযোগিতা কাঠামোর প্রাথমিক চুক্তি (পিসিএ) স্বাক্ষর হয়েছে। স্থানীয় সময় সোমবার সকালে ব্রাসেলসে এ চুক্তি সম্পন্ন হয়।

বাংলাদেশের পক্ষে সচিব (পূর্ব ও পশ্চিম) ড. মু. নজরুল ইসলাম এবং ইইউর পক্ষে ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর (এশিয়া ও প্যাসিফিক) পাওলা পাম্পালনি সই করেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান, প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির এবং ইউরোপিয়ান কমিশনের হাই রিপ্রেজেনটেটিভ/ভাইস প্রেসিডেন্ট কাজা কাল্লাস এসময় উপস্থিত ছিলেন।

চুক্তির প্রাথমিক অংশে স্বাক্ষরের আগে উভয় পক্ষের মধ্যে একটি ফলপ্রসূ বৈঠক হয়। সেখানে বাণিজ্য ও বিনিয়োগকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও উন্নয়ন সহযোগিতা, ইন্দো-প্যাসিফিক সহযোগিতা, অভিবাসন, দক্ষতা উন্নয়ন, শ্রমমান এবং রোহিঙ্গা সংকটসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।

উভয় পক্ষ বাংলাদেশের স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে উত্তরণ, অগ্রাধিকারমূলক বাজার প্রবেশাধিকারের গুরুত্ব এবং একটি মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) ও বিনিয়োগ সুরক্ষা চুক্তি (আইপিএ) নিয়ে আলোচনা শুরুর ওপর গুরুত্বারোপ করে। তারা একটি ভবিষ্যতমুখী অংশীদারিত্বের প্ল্যাটফর্ম হিসেবে নতুন বাংলাদেশ-ইইউ অংশীদারিত্ব ও সহযোগিতা চুক্তি (পিসিএ)-কে স্বাগত জানায়।

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

অংশীদারি চুক্তিতে বাংলাদেশ ইইউ একমত

Update Time : ০৫:৩৬:১৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬
12 / 100 SEO Score

 

বাংলাদেশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) মধ্যে সমন্বিত অংশীদারিত্ব ও সহযোগিতা কাঠামোর প্রাথমিক চুক্তি (পিসিএ) স্বাক্ষর হয়েছে। স্থানীয় সময় সোমবার সকালে ব্রাসেলসে এ চুক্তি সম্পন্ন হয়।

বাংলাদেশের পক্ষে সচিব (পূর্ব ও পশ্চিম) ড. মু. নজরুল ইসলাম এবং ইইউর পক্ষে ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর (এশিয়া ও প্যাসিফিক) পাওলা পাম্পালনি সই করেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান, প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির এবং ইউরোপিয়ান কমিশনের হাই রিপ্রেজেনটেটিভ/ভাইস প্রেসিডেন্ট কাজা কাল্লাস এসময় উপস্থিত ছিলেন।

চুক্তির প্রাথমিক অংশে স্বাক্ষরের আগে উভয় পক্ষের মধ্যে একটি ফলপ্রসূ বৈঠক হয়। সেখানে বাণিজ্য ও বিনিয়োগকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও উন্নয়ন সহযোগিতা, ইন্দো-প্যাসিফিক সহযোগিতা, অভিবাসন, দক্ষতা উন্নয়ন, শ্রমমান এবং রোহিঙ্গা সংকটসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।

উভয় পক্ষ বাংলাদেশের স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে উত্তরণ, অগ্রাধিকারমূলক বাজার প্রবেশাধিকারের গুরুত্ব এবং একটি মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) ও বিনিয়োগ সুরক্ষা চুক্তি (আইপিএ) নিয়ে আলোচনা শুরুর ওপর গুরুত্বারোপ করে। তারা একটি ভবিষ্যতমুখী অংশীদারিত্বের প্ল্যাটফর্ম হিসেবে নতুন বাংলাদেশ-ইইউ অংশীদারিত্ব ও সহযোগিতা চুক্তি (পিসিএ)-কে স্বাগত জানায়।