Dhaka ০৭:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬, ১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
২০৩০ লক্ষ্য নিয়ে রেলের রোডম্যাপ দাউদকান্দিতে চালবোঝাই ট্রাক উল্টে নিহত ৭ শেষ হলো বৈশাখী শোভাযাত্রা, ‘ফ্রি প্যালেস্টাইন’ প্ল্যাকার্ডে ভিন্ন বার্তা মার্কিন নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে হরমুজ পার করলো চীনা জাহাজ শুরু বৈশাখী শোভাযাত্রা, চারুকলা থেকে বর্ণিল আয়োজনে মানুষের ঢল ইরানি নারী ফুটবল দলের অধিনায়কের বাজেয়াপ্ত সম্পদ ফেরত দিচ্ছে সরকার আজও সাতসকালে ‘অস্বাস্থ্যকর’ ঢাকার বাতাস রমনার বটমূলে ছায়ানটের বর্ষবরণ: ‘জাগো আলোক-লগ্নে’ গানে নববর্ষের সূচনা টাঙ্গাইলে আজ ‘কৃষক কার্ড’ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী বৈশাখী শোভাযাত্রা ঘিরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কড়া নিরাপত্তা

নির্বাচনে ভোট দেবেন না মেসি

12 / 100 SEO Score

ক্লাব প্রেসিডেন্ট জোয়ান লাপোর্তার পদত্যাগের মাধ্যমে স্প্যানিশ ক্লাব বার্সেলোনা–এর সভাপতি নির্বাচন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। নতুন নির্বাচনে আবারও প্রার্থী হচ্ছেন লাপোর্তা, তার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী ভিক্টর ফন্ট। তবে এই নির্বাচনে ভোট বা কোনো পক্ষের পক্ষে অবস্থান না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন লিওনেল মেসি।

সভাপতি নির্বাচনের দৌড়ে সাবেক খেলোয়াড় ও কোচদের ভূমিকা নিয়ে আলোচনা জোরালো হয়েছে। সাবেক কোচ জাভি হার্নান্দেজ প্রকাশ্যে ভিক্টর ফন্টের পক্ষে অবস্থান নিলেও মেসি এ বিষয়ে নীরব ছিলেন।

স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম ডিয়ারিও স্পোর্ট-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নির্বাচন নিয়ে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন মেসি। তিনি সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, এবারের নির্বাচনে ভোট দেবেন না এবং কোনোভাবেই নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় প্রভাব ফেলবেন না। খবরটি প্রকাশ করেছে ইয়াহু স্পোর্টস।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, মেসি কোনো প্রার্থীর সঙ্গেই সাক্ষাৎ করবেন না। এমনকি ভিক্টর ফন্টের সঙ্গেও নয়। যদিও ফন্ট আগেই জানিয়েছেন, নির্বাচনে জয়ী হলে প্রথমেই তিনি মেসিকে ফোন করবেন।

আরও বলা হয়েছে, বর্তমান সভাপতি প্রার্থী জোয়ান লাপোর্তা–র সঙ্গে মেসির সম্পর্ক কার্যত বিচ্ছিন্ন। তবুও তিনি ভোট দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেননি। অতীতে বার্সেলোনার নির্বাচনে নিয়মিত ভোট দেওয়ার তুলনায় এটি মেসির অবস্থানে একটি বড় পরিবর্তন।

বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের ক্লাব ইন্টার মায়ামি–এর হয়ে খেলছেন লিওনেল মেসি। তিনি কোনো প্রার্থীর নাম উল্লেখ করে মন্তব্য করতেও রাজি নন। কারণ তার সামান্য ইঙ্গিতও নির্বাচনের ফলাফলে প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করেন তিনি।

এই নির্বাচনে অংশ না নেওয়ার কারণ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রে তার ব্যস্ত জীবনকেই সামনে আনা হচ্ছে। সক্রিয় ফুটবল ক্যারিয়ারের কারণে এবার বার্সেলোনার অভ্যন্তরীণ রাজনীতি থেকে দূরে থাকছেন মেসি। ভবিষ্যতে পরিস্থিতি বদলাতে পারে বলেও প্রতিবেদনে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।

 

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

নির্বাচনে ভোট দেবেন না মেসি

Update Time : ০৫:০০:৪৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
12 / 100 SEO Score

ক্লাব প্রেসিডেন্ট জোয়ান লাপোর্তার পদত্যাগের মাধ্যমে স্প্যানিশ ক্লাব বার্সেলোনা–এর সভাপতি নির্বাচন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। নতুন নির্বাচনে আবারও প্রার্থী হচ্ছেন লাপোর্তা, তার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী ভিক্টর ফন্ট। তবে এই নির্বাচনে ভোট বা কোনো পক্ষের পক্ষে অবস্থান না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন লিওনেল মেসি।

সভাপতি নির্বাচনের দৌড়ে সাবেক খেলোয়াড় ও কোচদের ভূমিকা নিয়ে আলোচনা জোরালো হয়েছে। সাবেক কোচ জাভি হার্নান্দেজ প্রকাশ্যে ভিক্টর ফন্টের পক্ষে অবস্থান নিলেও মেসি এ বিষয়ে নীরব ছিলেন।

স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম ডিয়ারিও স্পোর্ট-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নির্বাচন নিয়ে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন মেসি। তিনি সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, এবারের নির্বাচনে ভোট দেবেন না এবং কোনোভাবেই নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় প্রভাব ফেলবেন না। খবরটি প্রকাশ করেছে ইয়াহু স্পোর্টস।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, মেসি কোনো প্রার্থীর সঙ্গেই সাক্ষাৎ করবেন না। এমনকি ভিক্টর ফন্টের সঙ্গেও নয়। যদিও ফন্ট আগেই জানিয়েছেন, নির্বাচনে জয়ী হলে প্রথমেই তিনি মেসিকে ফোন করবেন।

আরও বলা হয়েছে, বর্তমান সভাপতি প্রার্থী জোয়ান লাপোর্তা–র সঙ্গে মেসির সম্পর্ক কার্যত বিচ্ছিন্ন। তবুও তিনি ভোট দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেননি। অতীতে বার্সেলোনার নির্বাচনে নিয়মিত ভোট দেওয়ার তুলনায় এটি মেসির অবস্থানে একটি বড় পরিবর্তন।

বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের ক্লাব ইন্টার মায়ামি–এর হয়ে খেলছেন লিওনেল মেসি। তিনি কোনো প্রার্থীর নাম উল্লেখ করে মন্তব্য করতেও রাজি নন। কারণ তার সামান্য ইঙ্গিতও নির্বাচনের ফলাফলে প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করেন তিনি।

এই নির্বাচনে অংশ না নেওয়ার কারণ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রে তার ব্যস্ত জীবনকেই সামনে আনা হচ্ছে। সক্রিয় ফুটবল ক্যারিয়ারের কারণে এবার বার্সেলোনার অভ্যন্তরীণ রাজনীতি থেকে দূরে থাকছেন মেসি। ভবিষ্যতে পরিস্থিতি বদলাতে পারে বলেও প্রতিবেদনে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।