Dhaka ০৬:৪৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ব্রয়লার-ডিমের দাম কমলেও বেড়েছে মাছের দাম

নিজস্ব প্রতিবেদক
4 / 100 SEO Score

 

আর মাত্র সপ্তাহখানেক পরেই ঈদুল আজহা। ঈদের আগের সপ্তাহে রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে ব্রয়লার মুরগি ও ডিমের দাম কিছুটা কমেছে। তবে উল্টো চিত্র দেখা গেছে মাছের বাজারে। গত এক সপ্তাহের তুলনায় ডিমের দামের ডজনে ১০ থেকে ১৫ টাকা ও ব্রয়লার কেজিতে ১০ টাকা কমেছে। গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে কেজি ৮০০ টাকায়।

আজ (শুক্রবার) সকালে রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা যায়। বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, ব্রয়লার মুরগি বর্তমানে প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৭০ থেকে ১৮০ টাকায়, যা কয়েক দিন আগেও ছিল ১৯৫ টাকার ওপরে। একইভাবে দর কমেছে সোনালি জাতের মুরগির। এ জাতের মুরগি কিনতে ক্রেতাকে কেজিতে গুনতে হবে ৩৩০ টাকা। ডজন প্রতি ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৩৫ থেকে ১৪০ টাকায়। সরবরাহ কিছুটা বাড়ায় দাম কমেছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।

রায়ের বাজারে ব্রয়লার মুরগি কিনতে আসা রমিজ উদ্দিন বলেন, “ঈদের পর কিনেছিলাম। তখন ২০০ টাকা কেজি ছিল। আজকে নিলাম ১৭৫ টাকা করে। দাম কিছুটা কমেছে।’’

মুরগী বিক্রেতা আনিসুর রহমান বলেন, গত সপ্তাহের তুলনায় সরবরাহ বেশি রয়েছে। তাই মুরগির দাম কিছুটা কমেছে। মাছের বাজার ঘুরে দেখা যায়, প্রতি কেজি পাঙাশ ১৮০ থেকে ২০০ টাকা, তেলাপিয়া ২০০ থেকে ২৩০ টাকা (জীবিত ও মৃতের উপরেও দাম নির্ধারণ), রুই ২৪০ থেকে ৩৫০ টাকা, মৃগেল ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা, দেশি টেংরা ৬০০ টাকা, বেলে ৩৫০ টাকা, বাইন ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা, চিংড়ি ৯০০ টাকা, পাবদা ৩৫০, কই ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা, শিং ৪০০ টাকা, পোয়া ২৬০ টাকা, সইল ৭০০ টাকা, টাকি ৪০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। তবে চিংড়ির দাম বেশি দেখা গেছে। আকার ও জাতভেদে প্রতি কেজিতে খরচ করতে হচ্ছে ৫৫০ থেকে ৯০০ টাকা। তবে মাছের বাজারে পাঁচ মিশালি কেজি ২৫০ থেকে ৩৫০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা যায়।

এ ছাড়া ১ কেজি সাইজের ইলিশ ২ হাজার ৫০০ থেকে ৩ হাজার টাকা, ৬০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ কেজি ১ হাজার ৮০০ থেকে ২ হাজার টাকায় বিক্রি করা হয়, পাশাপাশি ছোট জাটকা সাইজের ইলিশ (২০০ গ্রাম সাইজের ছোট মাছ) বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৮০০ টাকায়। ইলিশের দাম সাইজের উপর নির্ভর করছে বলে জানান বিক্রেতারা।

মাছ ব্যবসায়ী ইউসুফ মিয়া বলেন, মাছের দাম আগে যেমন ছিল, এখন তেমনই রয়েছে। এখন যে দাম দিয়ে কিনবেন, বিকেলে কিন্তু সেই দাম লাগবে না। মাছের দাম সব সময় একই থাকে না। বাজারে বেশি মাছ আসলে দাম কমে। আজ পাঙাশ বেশি এসেছে, তাই ১৮০ থেকে ২০০ টাকাতেও বিক্রি করেছি। তেলাপিয়া ২৩০ টাকা। এ ছাড়া সব মাছের দাম আগের মতোই আছে।

 

Recent Comments

No comments to show.

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

ব্রয়লার-ডিমের দাম কমলেও বেড়েছে মাছের দাম

Update Time : ০৯:২৩:৩৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬
4 / 100 SEO Score

 

আর মাত্র সপ্তাহখানেক পরেই ঈদুল আজহা। ঈদের আগের সপ্তাহে রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে ব্রয়লার মুরগি ও ডিমের দাম কিছুটা কমেছে। তবে উল্টো চিত্র দেখা গেছে মাছের বাজারে। গত এক সপ্তাহের তুলনায় ডিমের দামের ডজনে ১০ থেকে ১৫ টাকা ও ব্রয়লার কেজিতে ১০ টাকা কমেছে। গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে কেজি ৮০০ টাকায়।

আজ (শুক্রবার) সকালে রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা যায়। বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, ব্রয়লার মুরগি বর্তমানে প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৭০ থেকে ১৮০ টাকায়, যা কয়েক দিন আগেও ছিল ১৯৫ টাকার ওপরে। একইভাবে দর কমেছে সোনালি জাতের মুরগির। এ জাতের মুরগি কিনতে ক্রেতাকে কেজিতে গুনতে হবে ৩৩০ টাকা। ডজন প্রতি ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৩৫ থেকে ১৪০ টাকায়। সরবরাহ কিছুটা বাড়ায় দাম কমেছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।

রায়ের বাজারে ব্রয়লার মুরগি কিনতে আসা রমিজ উদ্দিন বলেন, “ঈদের পর কিনেছিলাম। তখন ২০০ টাকা কেজি ছিল। আজকে নিলাম ১৭৫ টাকা করে। দাম কিছুটা কমেছে।’’

মুরগী বিক্রেতা আনিসুর রহমান বলেন, গত সপ্তাহের তুলনায় সরবরাহ বেশি রয়েছে। তাই মুরগির দাম কিছুটা কমেছে। মাছের বাজার ঘুরে দেখা যায়, প্রতি কেজি পাঙাশ ১৮০ থেকে ২০০ টাকা, তেলাপিয়া ২০০ থেকে ২৩০ টাকা (জীবিত ও মৃতের উপরেও দাম নির্ধারণ), রুই ২৪০ থেকে ৩৫০ টাকা, মৃগেল ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা, দেশি টেংরা ৬০০ টাকা, বেলে ৩৫০ টাকা, বাইন ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা, চিংড়ি ৯০০ টাকা, পাবদা ৩৫০, কই ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা, শিং ৪০০ টাকা, পোয়া ২৬০ টাকা, সইল ৭০০ টাকা, টাকি ৪০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। তবে চিংড়ির দাম বেশি দেখা গেছে। আকার ও জাতভেদে প্রতি কেজিতে খরচ করতে হচ্ছে ৫৫০ থেকে ৯০০ টাকা। তবে মাছের বাজারে পাঁচ মিশালি কেজি ২৫০ থেকে ৩৫০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা যায়।

এ ছাড়া ১ কেজি সাইজের ইলিশ ২ হাজার ৫০০ থেকে ৩ হাজার টাকা, ৬০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ কেজি ১ হাজার ৮০০ থেকে ২ হাজার টাকায় বিক্রি করা হয়, পাশাপাশি ছোট জাটকা সাইজের ইলিশ (২০০ গ্রাম সাইজের ছোট মাছ) বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৮০০ টাকায়। ইলিশের দাম সাইজের উপর নির্ভর করছে বলে জানান বিক্রেতারা।

মাছ ব্যবসায়ী ইউসুফ মিয়া বলেন, মাছের দাম আগে যেমন ছিল, এখন তেমনই রয়েছে। এখন যে দাম দিয়ে কিনবেন, বিকেলে কিন্তু সেই দাম লাগবে না। মাছের দাম সব সময় একই থাকে না। বাজারে বেশি মাছ আসলে দাম কমে। আজ পাঙাশ বেশি এসেছে, তাই ১৮০ থেকে ২০০ টাকাতেও বিক্রি করেছি। তেলাপিয়া ২৩০ টাকা। এ ছাড়া সব মাছের দাম আগের মতোই আছে।