Dhaka ০৭:২২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬, ১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :

যানবাহনের তীব্র চাপেও ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে নেই যানজট

12 / 100 SEO Score

ঈদের আনন্দ পরিবার ও আত্মীয়-স্বজনদের সঙ্গে ভাগ করে নিতে বাড়ি ফিরছে মানুষ। এতে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে যানবাহনের চাপ বাড়লেও নেই চিরচেনা যানজট। স্বাভাবিক গতিতেই চলছে যানবাহন।

ঢাকা-টাঙ্গাইল যমুনা সেতু মহাসড়কের এলেঙ্গা বাস স্টেশন, রাবনা বাইপাস, আশেকপুর বাইপাসসহ বিভিন্ন পয়েন্টে দেখা যায়, যাত্রীরা যাত্রীবাহী বাস ছাড়াও ট্রাক, পিকআপ করে যাচ্ছে। এছাড়া মহাসড়কে বাসের চেয়ে প্রাইভেটকার ও মোটরসাইকেলেই বেশি দেখা গেছে। যাত্রীরা পরিবহন করছে ভাড়ায়চালিত মোটরসাইকেল, মাইক্রোবাস ও প্রাইভেটকারে।

পুলিশ জানায়, সোমবার বিকেল থেকে সরকারি ছুটি হওয়ার পর মহাসড়কে যানবাহনের চাপ বেড়ে যায়। বুধবার (১৮ মার্চ) সকাল পর্যন্ত মহাসড়কের কোথাও যানজটের সৃষ্টি হয়নি। মহাসড়কের গাজীপুর থেকে টাঙ্গাইল এলেঙ্গা পর্যন্ত চারলেন সুবিধা পাচ্ছে যাত্রীরা। এতে নির্বিঘ্নেই যাত্রীরা যেতে পারছে। এলেঙ্গা থেকে যমুনা সেতু পর্যন্ত সাড়ে ১৩ কিলোমিটার যানজটের আশঙ্কা করলেও এখন পর্যন্ত যানজট সৃষ্টি হয়নি। চালক ও যাত্রীরা নির্বিঘ্নে গন্তব্যে পৌঁছাচ্ছে।

এদিকে যমুনা সেতু কর্তৃপক্ষ জানায়, সোমবার রাত ১২টা থেকে মঙ্গলবার রাত ১২টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় ৪৬ হাজার ৯৬৩টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এর মধ্যে ঢাকাগামী ১৯ হাজার ৪৪৫টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এতে টোল আদায় হয়েছে ১ কোটি ৬৬ লাখ ৪ হাজার ৮০০ টাকা। অপরদিকে উত্তরবঙ্গগামী ২৭ হাজার ৪৯৮টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এর বিপরীত টোল আদায় ১ কোটি ৭২ লাখ ৯৯ হাজার ৮৫০ টাকা। একদিনে ৩ কোটি ৩৯ লাখ ৪ হাজার ৬৫০ টাকা টোল আদায় হয়েছে।

যমুনা সেতু সাইট অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী সৈয়দ রিয়াজ উদ্দিন বলেন, মহাসড়কে যানবাহনের চাপ থাকলেও এখনো কোন যানজট সৃষ্টি হয়নি। ঈদযাত্রায় যমুনা সেতুর দুই পাশ দিয়ে ৯টি করে মোট ১৮ বুথ দিয়ে যানবাহন পারাপার হচ্ছে। এর মধ্যে দুইপাশেই ২টি করে বুথ দিয়ে আলাদাভাবে মোটরসাইকেলের জন্য পারাপারের জন্য ব্যবস্থা করা হয়েছে। সেতুর দুই প্রান্তে যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা রাখা হয়েছে এবং সার্বক্ষণিকভাবে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

এলেঙ্গা হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মুহাম্মদ শরীফ বলেন, গত দুই দিনের মতো যানবাহনের চাপ থাকলেও কোন যানজট সৃষ্টি হয়নি। যানবাহন স্বাভাবিক গতিতেই চলাচল করছে। ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে মহাসড়কে পর্যাপ্ত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মোতায়েন রয়েছে। যানজট যাতে না হয় সেজন্য আমরা কাজ করে যাচ্ছি। চালক ও যাত্রীরা নির্বিঘ্নে গন্তব্যে পৌঁছাচ্ছে।

 

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

যানবাহনের তীব্র চাপেও ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে নেই যানজট

Update Time : ০৫:৫০:৫২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬
12 / 100 SEO Score

ঈদের আনন্দ পরিবার ও আত্মীয়-স্বজনদের সঙ্গে ভাগ করে নিতে বাড়ি ফিরছে মানুষ। এতে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে যানবাহনের চাপ বাড়লেও নেই চিরচেনা যানজট। স্বাভাবিক গতিতেই চলছে যানবাহন।

ঢাকা-টাঙ্গাইল যমুনা সেতু মহাসড়কের এলেঙ্গা বাস স্টেশন, রাবনা বাইপাস, আশেকপুর বাইপাসসহ বিভিন্ন পয়েন্টে দেখা যায়, যাত্রীরা যাত্রীবাহী বাস ছাড়াও ট্রাক, পিকআপ করে যাচ্ছে। এছাড়া মহাসড়কে বাসের চেয়ে প্রাইভেটকার ও মোটরসাইকেলেই বেশি দেখা গেছে। যাত্রীরা পরিবহন করছে ভাড়ায়চালিত মোটরসাইকেল, মাইক্রোবাস ও প্রাইভেটকারে।

পুলিশ জানায়, সোমবার বিকেল থেকে সরকারি ছুটি হওয়ার পর মহাসড়কে যানবাহনের চাপ বেড়ে যায়। বুধবার (১৮ মার্চ) সকাল পর্যন্ত মহাসড়কের কোথাও যানজটের সৃষ্টি হয়নি। মহাসড়কের গাজীপুর থেকে টাঙ্গাইল এলেঙ্গা পর্যন্ত চারলেন সুবিধা পাচ্ছে যাত্রীরা। এতে নির্বিঘ্নেই যাত্রীরা যেতে পারছে। এলেঙ্গা থেকে যমুনা সেতু পর্যন্ত সাড়ে ১৩ কিলোমিটার যানজটের আশঙ্কা করলেও এখন পর্যন্ত যানজট সৃষ্টি হয়নি। চালক ও যাত্রীরা নির্বিঘ্নে গন্তব্যে পৌঁছাচ্ছে।

এদিকে যমুনা সেতু কর্তৃপক্ষ জানায়, সোমবার রাত ১২টা থেকে মঙ্গলবার রাত ১২টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় ৪৬ হাজার ৯৬৩টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এর মধ্যে ঢাকাগামী ১৯ হাজার ৪৪৫টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এতে টোল আদায় হয়েছে ১ কোটি ৬৬ লাখ ৪ হাজার ৮০০ টাকা। অপরদিকে উত্তরবঙ্গগামী ২৭ হাজার ৪৯৮টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এর বিপরীত টোল আদায় ১ কোটি ৭২ লাখ ৯৯ হাজার ৮৫০ টাকা। একদিনে ৩ কোটি ৩৯ লাখ ৪ হাজার ৬৫০ টাকা টোল আদায় হয়েছে।

যমুনা সেতু সাইট অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী সৈয়দ রিয়াজ উদ্দিন বলেন, মহাসড়কে যানবাহনের চাপ থাকলেও এখনো কোন যানজট সৃষ্টি হয়নি। ঈদযাত্রায় যমুনা সেতুর দুই পাশ দিয়ে ৯টি করে মোট ১৮ বুথ দিয়ে যানবাহন পারাপার হচ্ছে। এর মধ্যে দুইপাশেই ২টি করে বুথ দিয়ে আলাদাভাবে মোটরসাইকেলের জন্য পারাপারের জন্য ব্যবস্থা করা হয়েছে। সেতুর দুই প্রান্তে যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা রাখা হয়েছে এবং সার্বক্ষণিকভাবে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

এলেঙ্গা হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মুহাম্মদ শরীফ বলেন, গত দুই দিনের মতো যানবাহনের চাপ থাকলেও কোন যানজট সৃষ্টি হয়নি। যানবাহন স্বাভাবিক গতিতেই চলাচল করছে। ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে মহাসড়কে পর্যাপ্ত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মোতায়েন রয়েছে। যানজট যাতে না হয় সেজন্য আমরা কাজ করে যাচ্ছি। চালক ও যাত্রীরা নির্বিঘ্নে গন্তব্যে পৌঁছাচ্ছে।