Dhaka ০১:১২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬, ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সেনাবাহিনীর মনোবল ভাঙতেই ৫৭ কর্মকর্তাকে হত্যা করা হয়

12 / 100 SEO Score

 

সেনাবাহিনীর মনোবল ভেঙে দিতেই ৫৭ জন কর্মকর্তাকে হত্যা করা হয় বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় (এলজিআরডি) মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর বনানী সামরিক কবরস্থানে শহীদ সেনাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো শেষে তিনি এ মন্তব্য করেন। জাতীয় শহীদ সেনা দিবস উপলক্ষ্যে এ শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।

ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ২০০৯ সালের এই দিনে বিডিআরের চৌকস ৫৭ সেনা কর্মকর্তাসহ প্রায় ৭২ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীকে হত্যা করা হয়। এই দিনটি আমাদের জাতির জন্যে অত্যন্ত লজ্জার ও কলঙ্কজনক একটি অধ্যায় বলে আমরা মনে করি। বাংলাদেশের পুরো নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে ভেঙে দেওয়ার গভীর চক্রান্ত করা হয়েছিল এই দিনে। একইসঙ্গে ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তাকে হত্যা করে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর মনোবল ভেঙে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল। কিন্তু স্বাধীনতার সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্র রক্ষা করার জন্য ঘুরে দাঁড়িয়েছেন দেশের জনগণ।

মন্ত্রী বলেন, নির্বাচনের মধ্য দিয়ে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পেয়ে স্বাধীনতার সার্বভৌমত্বকে সুসংহত ও গণতন্ত্রকে প্রতিষ্ঠা করার বড় সুযোগ পেয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি। অতীতের মতো দেশকে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে পরিণত করাই আমাদের মূল লক্ষ্য বলে বিশ্বাস করি। একইসঙ্গে এই জঘন্য হত্যাকাণ্ডের নিরপেক্ষ তদন্ত করে দায়ী ব্যক্তিদের আইনের আওতায় এনে শাস্তি নিশ্চিত করাও দায়িত্ব।

সবশেষ শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও তাদের পরিবার-পরিজনদের সমবেদনা জানান তিনি।

 

Tag :

Recent Comments

No comments to show.

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

সেনাবাহিনীর মনোবল ভাঙতেই ৫৭ কর্মকর্তাকে হত্যা করা হয়

Update Time : ০৫:৪৫:৩৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
12 / 100 SEO Score

 

সেনাবাহিনীর মনোবল ভেঙে দিতেই ৫৭ জন কর্মকর্তাকে হত্যা করা হয় বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় (এলজিআরডি) মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর বনানী সামরিক কবরস্থানে শহীদ সেনাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো শেষে তিনি এ মন্তব্য করেন। জাতীয় শহীদ সেনা দিবস উপলক্ষ্যে এ শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।

ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ২০০৯ সালের এই দিনে বিডিআরের চৌকস ৫৭ সেনা কর্মকর্তাসহ প্রায় ৭২ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীকে হত্যা করা হয়। এই দিনটি আমাদের জাতির জন্যে অত্যন্ত লজ্জার ও কলঙ্কজনক একটি অধ্যায় বলে আমরা মনে করি। বাংলাদেশের পুরো নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে ভেঙে দেওয়ার গভীর চক্রান্ত করা হয়েছিল এই দিনে। একইসঙ্গে ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তাকে হত্যা করে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর মনোবল ভেঙে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল। কিন্তু স্বাধীনতার সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্র রক্ষা করার জন্য ঘুরে দাঁড়িয়েছেন দেশের জনগণ।

মন্ত্রী বলেন, নির্বাচনের মধ্য দিয়ে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পেয়ে স্বাধীনতার সার্বভৌমত্বকে সুসংহত ও গণতন্ত্রকে প্রতিষ্ঠা করার বড় সুযোগ পেয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি। অতীতের মতো দেশকে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে পরিণত করাই আমাদের মূল লক্ষ্য বলে বিশ্বাস করি। একইসঙ্গে এই জঘন্য হত্যাকাণ্ডের নিরপেক্ষ তদন্ত করে দায়ী ব্যক্তিদের আইনের আওতায় এনে শাস্তি নিশ্চিত করাও দায়িত্ব।

সবশেষ শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও তাদের পরিবার-পরিজনদের সমবেদনা জানান তিনি।