Dhaka ০৪:৪১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৯ মে ২০২৬, ২৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পশ্চিমবঙ্গে বড় জয়ের পথে বিজেপি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
8 / 100 SEO Score

 

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে বড় ব্যবধানে এগিয়ে বিজেপি। ২৯৩টি আসনের মধ্যে ১৯২টিতে তাদের লিড, যেখানে তৃণমূল কংগ্রেস এগিয়ে আছে ৯৫টিতে। অন্যদিকে সিপিএম একটি আসনে এবং অন্যান্য প্রার্থীরা ৫টি আসনে এগিয়ে রয়েছে।

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় মোট আসনসংখ্যা ২৯৪টি। গত ২৩ এবং ২৯ এপ্রিল দুই দফায় হয়েছে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার ভোটগ্রহণ। আজ সোমবার সবগুলো আসনের ফলপ্রকাশের নির্ধারিত দিন ছিল, কিন্তু দক্ষিণ ২৪ পরগনার ফলতায় নির্বাচনী অপরাধ এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া ভঙ্গের অভিযোগে সমগ্র বিধানসভার ভোট বাতিল করে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। ওই কেন্দ্রে ফের ভোট হবে ২১ মে, গণনা হবে ২৪ মে। তাই সোমবার ফলতা বাদে বাকি ২৯৩টি আসনের ভোটগণনা চলছে।

সোমবার সোমবার ভারতের স্থানীয় সময় সকাল ৮টা (বাংলাদেশ সময় সাড়ে ৮টা) থেকে শুরু হয়েছে গণনা। প্রথমে পোস্টাল ব্যালট এবং পরে ইভিএম-এর কাউন্টিং শুরু হয়েছে।

গণনায় দিনের শুরুতে তেমন পার্থক্য না থাকলেও সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে বাড়তে থাকে বিজেপি-তৃণমূল কংগ্রেসের ব্যবধান এবং বর্তমানে তৃণমূলের থেকে প্রায় ১০০ আসনে এগিয়ে আছে বিজেপি।

আজকের ফলাফল থেকেই নির্ধারিত হবে যে আগামী ৫ বছর পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য রাজনীতির মূল নিয়ন্ত্রণ থাকবে কাদের কাছে।

ভোট গণনা সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করতে নির্বাচন কমিশন পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নিয়েছে। তিন স্তরের নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে ফেলা হয়েছে গণনাকেন্দ্র। গণনাকেন্দ্রে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের কাউন্টিং এজেন্টদের (গণনাকারী প্রতিনিধি) ঢোকার অনুমতি প্রদান করা হয়েছে এবং অনুমোদনপ্রাপ্ত এই এজেন্টদের ‘কিউআর কোড’–সংবলিত পরিচয়পত্র দেওয়া হয়েছে। কোনো ‘কাউন্টিং এজেন্ট’ গণনাকেন্দ্রে মুঠোফোন নিয়ে ঢুকতে পারবেন না। কেবল নির্বাচনী কর্মকর্তাদের মুঠোফোন ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

ভোট গণনায় বিশেষ নজরে আছে ভবানীপুরে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তার প্রতিদ্বন্দ্বী বিধানসভার বিরোধীদলীয় নেতা শুভেন্দু অধিকারীর ফলাফলের ওপর। এ ছাড়া তৃণমূলের তারকা প্রার্থীদের মধ্যে কলকাতা বন্দর আসনে ফিরহাদ হাকিম, রাসবিহারী আসনে দেবাশীষ কুমার, চৌরঙ্গীতে নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়, বেলেঘাটায় কুণাল ঘোষ, শ্যামপুকুরে শশী পাঁজা, উত্তর চব্বিশ পরগনার বাগদা আসনে মধুপর্ণা ঠাকুরের ফলাফলও নজরে রয়েছে

বিজেপির অন্য প্রার্থীদের মধ্যে শিবপুরে রুদ্রনীল ঘোষ, আসানসোল দক্ষিণে অগ্নিমিত্রা পাল, নোয়াপাড়ায় অর্জুন সিং, রাজারহাট-গোপালপুরে তরুণজ্যোতি তিওয়ারি, পানিহাটিতে আর জি কর হাসপাতালে খুন হওয়া ছাত্রীর মা রত্না দেবনাথের ফলাফলে আগ্রহ রয়েছে সাধারণ ভোটারদের।

এ ছাড়া বাম ও অন্যান্য দলের মধ্যে পরিচিত ‘তারকা’ প্রার্থীরা হলেন বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্য, মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায় ও সায়নদীপ মিত্র; কংগ্রেসের প্রার্থীদের মধ্যে অধীর চৌধুরী, মৌসুম বেনজীর নূর, শুভংকর সরকার, মনোজ চক্রবর্তী, শাহনাজ বেগম ও আবদুর রাজ্জাক মোল্লা এবং ইন্ডিয়ান সেক্যুলার ফ্রন্টের (আইএসএফ) নওশাদ সিদ্দিকী।

সূত্র : আনন্দবাজার

ডিবি/এল 

Recent Comments

No comments to show.

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

পশ্চিমবঙ্গে বড় জয়ের পথে বিজেপি

Update Time : ০১:০৭:৫৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ মে ২০২৬
8 / 100 SEO Score

 

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে বড় ব্যবধানে এগিয়ে বিজেপি। ২৯৩টি আসনের মধ্যে ১৯২টিতে তাদের লিড, যেখানে তৃণমূল কংগ্রেস এগিয়ে আছে ৯৫টিতে। অন্যদিকে সিপিএম একটি আসনে এবং অন্যান্য প্রার্থীরা ৫টি আসনে এগিয়ে রয়েছে।

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় মোট আসনসংখ্যা ২৯৪টি। গত ২৩ এবং ২৯ এপ্রিল দুই দফায় হয়েছে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার ভোটগ্রহণ। আজ সোমবার সবগুলো আসনের ফলপ্রকাশের নির্ধারিত দিন ছিল, কিন্তু দক্ষিণ ২৪ পরগনার ফলতায় নির্বাচনী অপরাধ এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া ভঙ্গের অভিযোগে সমগ্র বিধানসভার ভোট বাতিল করে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। ওই কেন্দ্রে ফের ভোট হবে ২১ মে, গণনা হবে ২৪ মে। তাই সোমবার ফলতা বাদে বাকি ২৯৩টি আসনের ভোটগণনা চলছে।

সোমবার সোমবার ভারতের স্থানীয় সময় সকাল ৮টা (বাংলাদেশ সময় সাড়ে ৮টা) থেকে শুরু হয়েছে গণনা। প্রথমে পোস্টাল ব্যালট এবং পরে ইভিএম-এর কাউন্টিং শুরু হয়েছে।

গণনায় দিনের শুরুতে তেমন পার্থক্য না থাকলেও সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে বাড়তে থাকে বিজেপি-তৃণমূল কংগ্রেসের ব্যবধান এবং বর্তমানে তৃণমূলের থেকে প্রায় ১০০ আসনে এগিয়ে আছে বিজেপি।

আজকের ফলাফল থেকেই নির্ধারিত হবে যে আগামী ৫ বছর পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য রাজনীতির মূল নিয়ন্ত্রণ থাকবে কাদের কাছে।

ভোট গণনা সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করতে নির্বাচন কমিশন পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নিয়েছে। তিন স্তরের নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে ফেলা হয়েছে গণনাকেন্দ্র। গণনাকেন্দ্রে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের কাউন্টিং এজেন্টদের (গণনাকারী প্রতিনিধি) ঢোকার অনুমতি প্রদান করা হয়েছে এবং অনুমোদনপ্রাপ্ত এই এজেন্টদের ‘কিউআর কোড’–সংবলিত পরিচয়পত্র দেওয়া হয়েছে। কোনো ‘কাউন্টিং এজেন্ট’ গণনাকেন্দ্রে মুঠোফোন নিয়ে ঢুকতে পারবেন না। কেবল নির্বাচনী কর্মকর্তাদের মুঠোফোন ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

ভোট গণনায় বিশেষ নজরে আছে ভবানীপুরে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তার প্রতিদ্বন্দ্বী বিধানসভার বিরোধীদলীয় নেতা শুভেন্দু অধিকারীর ফলাফলের ওপর। এ ছাড়া তৃণমূলের তারকা প্রার্থীদের মধ্যে কলকাতা বন্দর আসনে ফিরহাদ হাকিম, রাসবিহারী আসনে দেবাশীষ কুমার, চৌরঙ্গীতে নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়, বেলেঘাটায় কুণাল ঘোষ, শ্যামপুকুরে শশী পাঁজা, উত্তর চব্বিশ পরগনার বাগদা আসনে মধুপর্ণা ঠাকুরের ফলাফলও নজরে রয়েছে

বিজেপির অন্য প্রার্থীদের মধ্যে শিবপুরে রুদ্রনীল ঘোষ, আসানসোল দক্ষিণে অগ্নিমিত্রা পাল, নোয়াপাড়ায় অর্জুন সিং, রাজারহাট-গোপালপুরে তরুণজ্যোতি তিওয়ারি, পানিহাটিতে আর জি কর হাসপাতালে খুন হওয়া ছাত্রীর মা রত্না দেবনাথের ফলাফলে আগ্রহ রয়েছে সাধারণ ভোটারদের।

এ ছাড়া বাম ও অন্যান্য দলের মধ্যে পরিচিত ‘তারকা’ প্রার্থীরা হলেন বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্য, মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায় ও সায়নদীপ মিত্র; কংগ্রেসের প্রার্থীদের মধ্যে অধীর চৌধুরী, মৌসুম বেনজীর নূর, শুভংকর সরকার, মনোজ চক্রবর্তী, শাহনাজ বেগম ও আবদুর রাজ্জাক মোল্লা এবং ইন্ডিয়ান সেক্যুলার ফ্রন্টের (আইএসএফ) নওশাদ সিদ্দিকী।

সূত্র : আনন্দবাজার

ডিবি/এল