Dhaka ০৪:১৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পাকিস্তানকে ব্যবহার করে যুদ্ধবিরতি চুক্তি করেছে যুক্তরাষ্ট্র

9 / 100 SEO Score

 

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে শর্তসাপেক্ষে দুই সপ্তাহের জন্য যুদ্ধবিরতি চলছে। তবে যুদ্ধবিরতির পরেও ইসরায়েল ও লেবাননের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ব্যাপক হামলা হয়েছে। ইরান বলছে, যুদ্ধবিরতির আওতায় লেবাননও আছে, অন্যদিকে ইসরায়েলের দাবি লেবানন নেই। এনিয়ে এই যুদ্ধবিরতি স্থায়িত্ব নিয়ে শঙ্কা দেখা দিয়েছে।

এদিকে যুদ্ধবিরতি নিয়ে চাঞ্চল্যকর রিপোর্ট প্রকাশ করেছে ফিন্যান্সিয়াল টাইমস। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুদ্ধ নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রকাশ্যে কঠোর হুঁশিয়ারি বার্তা দিলেও তার প্রশাসন পাকিস্তানকে ব্যবহার করে ইরানের সঙ্গে একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তি করানোর চেষ্টা চালিয়েছে।

সংবাদমাধ্যমটির বরাতে ইয়েনি শাফাক জানিয়েছে, তেলের দাম দ্রুত বেড়ে যাওয়া এবং ইরানের অপ্রত্যাশিত সামরিক প্রতিরোধ ক্ষমতা যুক্তরাষ্ট্রকে কৌশল পরিবর্তনে বাধ্য করেছে।

টানা ৩৯ দিনের যুদ্ধের কারণে অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলার ছাড়িয়ে যাওয়ায় বৈশ্বিক অর্থনীতি ও মার্কিন অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে চাপ তৈরি হচ্ছিল। এমন অবস্থায় যুক্তরাষ্ট্রের লক্ষ্য ছিল কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি পুনরায় চালু করা। ইরান নিয়ন্ত্রিত এই প্রণালি দিয়ে বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ তেল পরিবাহিত হয়।

রিপোর্টে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র মনে করেছিল মুসলিম-প্রধান ও তুলনামূলক নিরপেক্ষ অবস্থানে থাকা পাকিস্তান তেহরানকে যুদ্ধবিরতিতে রাজি করাতে কার্যকর ভূমিকা রাখবে। এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন দেশটির সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির। তিনি ও তার দল ইরান এবং যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ কর্মকর্তাদের মধ্যে বার্তা আদান-প্রদান করেন।

প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, এই গোপন আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে ট্রাম্প ছাড়াও মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এবং ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ যুক্ত ছিলেন।

 

Tag :

Recent Comments

No comments to show.

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

পাকিস্তানকে ব্যবহার করে যুদ্ধবিরতি চুক্তি করেছে যুক্তরাষ্ট্র

Update Time : ০৬:৫০:০৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল ২০২৬
9 / 100 SEO Score

 

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে শর্তসাপেক্ষে দুই সপ্তাহের জন্য যুদ্ধবিরতি চলছে। তবে যুদ্ধবিরতির পরেও ইসরায়েল ও লেবাননের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ব্যাপক হামলা হয়েছে। ইরান বলছে, যুদ্ধবিরতির আওতায় লেবাননও আছে, অন্যদিকে ইসরায়েলের দাবি লেবানন নেই। এনিয়ে এই যুদ্ধবিরতি স্থায়িত্ব নিয়ে শঙ্কা দেখা দিয়েছে।

এদিকে যুদ্ধবিরতি নিয়ে চাঞ্চল্যকর রিপোর্ট প্রকাশ করেছে ফিন্যান্সিয়াল টাইমস। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুদ্ধ নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রকাশ্যে কঠোর হুঁশিয়ারি বার্তা দিলেও তার প্রশাসন পাকিস্তানকে ব্যবহার করে ইরানের সঙ্গে একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তি করানোর চেষ্টা চালিয়েছে।

সংবাদমাধ্যমটির বরাতে ইয়েনি শাফাক জানিয়েছে, তেলের দাম দ্রুত বেড়ে যাওয়া এবং ইরানের অপ্রত্যাশিত সামরিক প্রতিরোধ ক্ষমতা যুক্তরাষ্ট্রকে কৌশল পরিবর্তনে বাধ্য করেছে।

টানা ৩৯ দিনের যুদ্ধের কারণে অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলার ছাড়িয়ে যাওয়ায় বৈশ্বিক অর্থনীতি ও মার্কিন অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে চাপ তৈরি হচ্ছিল। এমন অবস্থায় যুক্তরাষ্ট্রের লক্ষ্য ছিল কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি পুনরায় চালু করা। ইরান নিয়ন্ত্রিত এই প্রণালি দিয়ে বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ তেল পরিবাহিত হয়।

রিপোর্টে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র মনে করেছিল মুসলিম-প্রধান ও তুলনামূলক নিরপেক্ষ অবস্থানে থাকা পাকিস্তান তেহরানকে যুদ্ধবিরতিতে রাজি করাতে কার্যকর ভূমিকা রাখবে। এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন দেশটির সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির। তিনি ও তার দল ইরান এবং যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ কর্মকর্তাদের মধ্যে বার্তা আদান-প্রদান করেন।

প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, এই গোপন আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে ট্রাম্প ছাড়াও মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এবং ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ যুক্ত ছিলেন।