Dhaka ০৮:৪৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬, ৩০ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

প্রশিক্ষণার্থী নারী পাইলটকে শারীরিক ও মানষিক নির্যাতনের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক
14 / 100 SEO Score

তথ্য সূত্রে জানা যায়,পাইলট সাদিফ হোসন পতিত আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী চিফ অব প্ল্যানিং অ্যান্ড শিডিউলিং ক্যাপ্টেন ইশতিয়াক হোসেন এর ছেলে। তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সে তার বাবার ক্ষমতায় ঐ নারী পাইলট কে  শারীরিক, মানসিক নির্যাতন ও অহেতুক হয়রানি অভিযোগ উঠেছে।এবিষয়ে ওই নারী পাইলট জানান,সাদিফ তাকে মৌখিক এবং আচরণগত অসদাচরণের পাশাপাশি, শারীরিকভাবেও আক্রমণ করে,এমনকি একাধিক বার যৌন হয়রানি করার ইশারা ইঙ্গিত করে।এছাড়া  বার বার  অবাঞ্ছিত ফোন কলের মাধ্যমে তাকে ক্রমাগত বিরক্ত করে।এ থেকে পরিত্রাণ পেতে সে তার চিফ অফ ট্রেনিং ক‍্যাপেটন সাজ্জাদ এর কাছে  অভিযোগ করেও কোন প্রতিকার পায়নি। উল্টো ক‍্যাপটেন সাজ্জাদ তাকে দোষারোপ করে এবং তার  ট্রেনিং নিয়ে সমস্যার জটিলতা তৈরি হবে বলে ভয় দেখায়।

এ বিষয়ে পাইলট সাদিফ হোসেনের মুঠোফোনে ফোন করা হলে সে গণমাধ্যম কর্মীর পরিচয় পেয়ে  ফোন কেটে মোবাইল বন্ধ করে দেয়।বিমানের ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত ২৮৫তম বোর্ড মিটিংয়ে সিদ্ধান্ত হয় যে, ২৪ মাসে ধাপে ধাপে মোট ৪৮ জন ক্যাডেট পাইলট নিয়োগ দেওয়া হবে। অর্থাৎ প্রতি ছয় মাসে ১২ জন করে চারটি ধাপে এই নিয়োগ সম্পন্ন করার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়। উক্ত সভার কার্যবিবরণী বোর্ডের চেয়ারম্যান কর্তৃক স্বাক্ষরিত।

এই সিদ্ধান্তটি তৎকালীন চিফ অব প্ল্যানিং অ্যান্ড স্কেজিউলিং ক্যাপ্টেন শাহাদাত হোসেনের প্রস্তাবের ভিত্তিতে এবং ফ্লাইট অপারেশনস ডিরেক্টরেটের মাধ্যমে উপস্থাপিত হয়। এটি একটি বাস্তবসম্মত ও কার্যকর সিদ্ধান্ত ছিল, কারণ এতে ধাপে ধাপে যোগ্য প্রার্থী বাছাই, প্রতিযোগিতামূলক নিয়োগ এবং প্রশিক্ষণ বিভাগের সক্ষমতার মধ্যে থেকে দক্ষ পাইলট তৈরির সুযোগ নিশ্চিত করা হয়েছিল।

নিয়োগ প্রক্রিয়াটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার মাধ্যমে সম্পন্ন হওয়ার কথা ছিল, যাতে যোগ্য প্রার্থীদের বাছাই করা যায় এবং যারা প্রথমবার নির্বাচিত হবে না তারা ভবিষ্যতে আবারও সুযোগ পেতে পারে। পাশাপাশি প্রশিক্ষণ কার্যক্রম চলমান রেখে ধাপে ধাপে নতুন পাইলট প্রস্তুত করার পরিকল্পনা ছিল

তৎকালীন CPPS অনুযায়ী, একজন ক্যাডেট পাইলটকে সম্পূর্ণ প্রস্তুত করতে প্রায় এক বছর সময় লাগে। ফলে একসাথে বড় সংখ্যায় ক্যাডেট নিয়োগ দিয়ে তাৎক্ষণিক প্রয়োজন পূরণ করা সম্ভব নয়।

কিন্তু পরবর্তীতে ক্যাপ্টেন ইশতিয়াক হোসেন চিফ অব প্ল্যানিং অ্যান্ড স্কেজিউলিং হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর বোর্ডের এই সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের উদ্যোগ নেন। সে সময় তার ছেলে সিপিএল (CPL) অর্জন করেনি, ফলে তিনি নিয়োগ প্রক্রিয়া বিলম্বিত করতে আগ্রহী ছিলেন যাতে তার ছেলে পরবর্তীতে অংশগ্রহণ করতে পারে।

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক সভায় তিনি সাময়িকভাবে গারুদা ইন্দোনেশিয়া থেকে পাইলট নিয়োগ এবং পরবর্তীতে একসাথে বড় সংখ্যায় ক্যাডেট পাইলট নিয়োগের প্রস্তাব দেন। মন্ত্রী তাকে এই প্রস্তাব বোর্ডে উপস্থাপন করে অনুমোদন নেওয়ার পরামর্শ দেন।

এই প্রস্তাবের ফলে নিয়োগ প্রক্রিয়া বিলম্বিত হয়, ক্রু সংকট তৈরি হয় এবং বিমানের অনেক ফ্লাইট বাতিল করতে হয়। একইসাথে বিদেশি পাইলট (গারুদা ইন্দোনেশিয়া থেকে) যথাযথ যাচাই-বাছাই ছাড়া নিয়োগ দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে, যেখানে স্থানীয় বাজারে বিশেষ করে B737 পাইলটের প্রাপ্যতা থাকা সত্ত্বেও বৈদেশিক মুদ্রা ব্যয় করা হয়েছে।

তার ছেলে সিপিএল অর্জন করার পর একসাথে বড় সংখ্যায় ক্যাডেট নিয়োগের জন্য চাপ সৃষ্টি করা হয়েছিল যাতে অধিকাংশ প্রার্থীকে অন্তর্ভুক্ত করা যায়। এতে পেশাগত মান ক্ষুণ্ণ হয়েছে এবং যোগ্য প্রার্থীরা বঞ্চিত হয়েছে ।

উল্লেখযোগ্যভাবে, পূর্বে তিনি নিজেই বলেছেন একজন ক্যাডেট পাইলটকে প্রস্তুত করতে প্রায় এক বছর সময় লাগে, কিন্তু পরবর্তীতে তিনি বোর্ডের ধাপে ধাপে ১২ জন করে নিয়োগের সিদ্ধান্তের বিপরীতে একসাথে বড় সংখ্যায় নিয়োগের পক্ষে অবস্থান নিয়েছিলেন যা তার নিজ বক্তব্যের সাথেও সাংঘর্ষিক ।

উল্লেখ্য যে ক‍্যডেট পাইলট ছাদিফের মা অর্থাৎ ক‍্যাপেটন শাহানা ২০০৪ সালে সিলেটে ফকার-২৮ বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় পাইলট ইন কমান্ড হিসেবে নিয়োজিত ছিলেন। উল্লেখ্য যে একই ফ্লাইটে আব্দুল মুয়ীদ চৌধুরি যিনি কিনা পরবর্তী তে বিমানের চেয়ারম্যান ছিলেন তাকে দুর্ঘটনা পরবর্তী উদ্ধার অভিযানে ককপিট থেকে পাওয়া যায় যা আইন পরিপন্থী। পরবর্তীতে ক‍্যাপটেন ইশতিয়াক গতবছর বিমান চেয়ারম্যান মুইদ চৌধুরির সহযোগিতায় ক্ষমতার অপব্যবহার করে স্বেচ্ছায় অবসরে চলে যাওয়া নিজ স্ত্রী ক্যাপ্টেন শাহানা কে বিমানে অন্তর্ভুক্ত করান। বিমান বিধ্বস্তের মত স্পর্শ কাতর ঘটনার পরও কিভাবে ক‍্যাপেটন শাহানা বিমানে নিয়োগ পেল তা খতিয়ে দেখা উচিত কর্তৃপক্ষের।

ক‍্যাপেটন ইশতিয়াক হোসেন ২০২৪ এর গন অভুথানের সময় ফ‍্যাসিসট আওয়ামী লীগের খুনি শেখ হাসিনার বোন শেখ রেহানা কে লন্ডন থেকে দেশে আনতে বিমান নিয়ে মরিয়া হয়ে যায়। ৩ আগস্ট ২০২৪ সালে নিজের ফ্লাইট না থাকা সত্বেও বদলি ফ্লাইটে নিজের ক্ষমতা (চিফ অব সিডিউলিং)অপব্যবহার করে শেষ মুহূর্তে নিজের নাম লন্ডন ফ্লাইটে অন্তর্ভুক্তির মাধ্যমে শেখ রেহানা কে দেশে নিয়ে আসে আওয়ামী পন্থী এই ক‍্যাপটেন ইশতিয়াক হোসেন।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

প্রশিক্ষণার্থী নারী পাইলটকে শারীরিক ও মানষিক নির্যাতনের অভিযোগ

Update Time : ১১:৪০:৪৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬
14 / 100 SEO Score

তথ্য সূত্রে জানা যায়,পাইলট সাদিফ হোসন পতিত আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী চিফ অব প্ল্যানিং অ্যান্ড শিডিউলিং ক্যাপ্টেন ইশতিয়াক হোসেন এর ছেলে। তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সে তার বাবার ক্ষমতায় ঐ নারী পাইলট কে  শারীরিক, মানসিক নির্যাতন ও অহেতুক হয়রানি অভিযোগ উঠেছে।এবিষয়ে ওই নারী পাইলট জানান,সাদিফ তাকে মৌখিক এবং আচরণগত অসদাচরণের পাশাপাশি, শারীরিকভাবেও আক্রমণ করে,এমনকি একাধিক বার যৌন হয়রানি করার ইশারা ইঙ্গিত করে।এছাড়া  বার বার  অবাঞ্ছিত ফোন কলের মাধ্যমে তাকে ক্রমাগত বিরক্ত করে।এ থেকে পরিত্রাণ পেতে সে তার চিফ অফ ট্রেনিং ক‍্যাপেটন সাজ্জাদ এর কাছে  অভিযোগ করেও কোন প্রতিকার পায়নি। উল্টো ক‍্যাপটেন সাজ্জাদ তাকে দোষারোপ করে এবং তার  ট্রেনিং নিয়ে সমস্যার জটিলতা তৈরি হবে বলে ভয় দেখায়।

এ বিষয়ে পাইলট সাদিফ হোসেনের মুঠোফোনে ফোন করা হলে সে গণমাধ্যম কর্মীর পরিচয় পেয়ে  ফোন কেটে মোবাইল বন্ধ করে দেয়।বিমানের ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত ২৮৫তম বোর্ড মিটিংয়ে সিদ্ধান্ত হয় যে, ২৪ মাসে ধাপে ধাপে মোট ৪৮ জন ক্যাডেট পাইলট নিয়োগ দেওয়া হবে। অর্থাৎ প্রতি ছয় মাসে ১২ জন করে চারটি ধাপে এই নিয়োগ সম্পন্ন করার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়। উক্ত সভার কার্যবিবরণী বোর্ডের চেয়ারম্যান কর্তৃক স্বাক্ষরিত।

এই সিদ্ধান্তটি তৎকালীন চিফ অব প্ল্যানিং অ্যান্ড স্কেজিউলিং ক্যাপ্টেন শাহাদাত হোসেনের প্রস্তাবের ভিত্তিতে এবং ফ্লাইট অপারেশনস ডিরেক্টরেটের মাধ্যমে উপস্থাপিত হয়। এটি একটি বাস্তবসম্মত ও কার্যকর সিদ্ধান্ত ছিল, কারণ এতে ধাপে ধাপে যোগ্য প্রার্থী বাছাই, প্রতিযোগিতামূলক নিয়োগ এবং প্রশিক্ষণ বিভাগের সক্ষমতার মধ্যে থেকে দক্ষ পাইলট তৈরির সুযোগ নিশ্চিত করা হয়েছিল।

নিয়োগ প্রক্রিয়াটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার মাধ্যমে সম্পন্ন হওয়ার কথা ছিল, যাতে যোগ্য প্রার্থীদের বাছাই করা যায় এবং যারা প্রথমবার নির্বাচিত হবে না তারা ভবিষ্যতে আবারও সুযোগ পেতে পারে। পাশাপাশি প্রশিক্ষণ কার্যক্রম চলমান রেখে ধাপে ধাপে নতুন পাইলট প্রস্তুত করার পরিকল্পনা ছিল

তৎকালীন CPPS অনুযায়ী, একজন ক্যাডেট পাইলটকে সম্পূর্ণ প্রস্তুত করতে প্রায় এক বছর সময় লাগে। ফলে একসাথে বড় সংখ্যায় ক্যাডেট নিয়োগ দিয়ে তাৎক্ষণিক প্রয়োজন পূরণ করা সম্ভব নয়।

কিন্তু পরবর্তীতে ক্যাপ্টেন ইশতিয়াক হোসেন চিফ অব প্ল্যানিং অ্যান্ড স্কেজিউলিং হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর বোর্ডের এই সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের উদ্যোগ নেন। সে সময় তার ছেলে সিপিএল (CPL) অর্জন করেনি, ফলে তিনি নিয়োগ প্রক্রিয়া বিলম্বিত করতে আগ্রহী ছিলেন যাতে তার ছেলে পরবর্তীতে অংশগ্রহণ করতে পারে।

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক সভায় তিনি সাময়িকভাবে গারুদা ইন্দোনেশিয়া থেকে পাইলট নিয়োগ এবং পরবর্তীতে একসাথে বড় সংখ্যায় ক্যাডেট পাইলট নিয়োগের প্রস্তাব দেন। মন্ত্রী তাকে এই প্রস্তাব বোর্ডে উপস্থাপন করে অনুমোদন নেওয়ার পরামর্শ দেন।

এই প্রস্তাবের ফলে নিয়োগ প্রক্রিয়া বিলম্বিত হয়, ক্রু সংকট তৈরি হয় এবং বিমানের অনেক ফ্লাইট বাতিল করতে হয়। একইসাথে বিদেশি পাইলট (গারুদা ইন্দোনেশিয়া থেকে) যথাযথ যাচাই-বাছাই ছাড়া নিয়োগ দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে, যেখানে স্থানীয় বাজারে বিশেষ করে B737 পাইলটের প্রাপ্যতা থাকা সত্ত্বেও বৈদেশিক মুদ্রা ব্যয় করা হয়েছে।

তার ছেলে সিপিএল অর্জন করার পর একসাথে বড় সংখ্যায় ক্যাডেট নিয়োগের জন্য চাপ সৃষ্টি করা হয়েছিল যাতে অধিকাংশ প্রার্থীকে অন্তর্ভুক্ত করা যায়। এতে পেশাগত মান ক্ষুণ্ণ হয়েছে এবং যোগ্য প্রার্থীরা বঞ্চিত হয়েছে ।

উল্লেখযোগ্যভাবে, পূর্বে তিনি নিজেই বলেছেন একজন ক্যাডেট পাইলটকে প্রস্তুত করতে প্রায় এক বছর সময় লাগে, কিন্তু পরবর্তীতে তিনি বোর্ডের ধাপে ধাপে ১২ জন করে নিয়োগের সিদ্ধান্তের বিপরীতে একসাথে বড় সংখ্যায় নিয়োগের পক্ষে অবস্থান নিয়েছিলেন যা তার নিজ বক্তব্যের সাথেও সাংঘর্ষিক ।

উল্লেখ্য যে ক‍্যডেট পাইলট ছাদিফের মা অর্থাৎ ক‍্যাপেটন শাহানা ২০০৪ সালে সিলেটে ফকার-২৮ বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় পাইলট ইন কমান্ড হিসেবে নিয়োজিত ছিলেন। উল্লেখ্য যে একই ফ্লাইটে আব্দুল মুয়ীদ চৌধুরি যিনি কিনা পরবর্তী তে বিমানের চেয়ারম্যান ছিলেন তাকে দুর্ঘটনা পরবর্তী উদ্ধার অভিযানে ককপিট থেকে পাওয়া যায় যা আইন পরিপন্থী। পরবর্তীতে ক‍্যাপটেন ইশতিয়াক গতবছর বিমান চেয়ারম্যান মুইদ চৌধুরির সহযোগিতায় ক্ষমতার অপব্যবহার করে স্বেচ্ছায় অবসরে চলে যাওয়া নিজ স্ত্রী ক্যাপ্টেন শাহানা কে বিমানে অন্তর্ভুক্ত করান। বিমান বিধ্বস্তের মত স্পর্শ কাতর ঘটনার পরও কিভাবে ক‍্যাপেটন শাহানা বিমানে নিয়োগ পেল তা খতিয়ে দেখা উচিত কর্তৃপক্ষের।

ক‍্যাপেটন ইশতিয়াক হোসেন ২০২৪ এর গন অভুথানের সময় ফ‍্যাসিসট আওয়ামী লীগের খুনি শেখ হাসিনার বোন শেখ রেহানা কে লন্ডন থেকে দেশে আনতে বিমান নিয়ে মরিয়া হয়ে যায়। ৩ আগস্ট ২০২৪ সালে নিজের ফ্লাইট না থাকা সত্বেও বদলি ফ্লাইটে নিজের ক্ষমতা (চিফ অব সিডিউলিং)অপব্যবহার করে শেষ মুহূর্তে নিজের নাম লন্ডন ফ্লাইটে অন্তর্ভুক্তির মাধ্যমে শেখ রেহানা কে দেশে নিয়ে আসে আওয়ামী পন্থী এই ক‍্যাপটেন ইশতিয়াক হোসেন।