Dhaka ০৪:০৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬, ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মুখ্যমন্ত্রী বিজয়ের সংগ্রামের গল্প শোনালেন বাবা

নিজস্ব প্রতিবেদক
12 / 100 SEO Score

 

দক্ষিণী তারকা থেকে তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রীর আসনে বসা থালাপতি বিজয়ের সাফল্যের পেছনে লুকিয়ে আছে দীর্ঘ সংগ্রাম ও অভাবের গল্প। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে সেই কঠিন সময়ের স্মৃতি তুলে ধরে আবেগঘন অভিজ্ঞতা শোনালেন বিজয়ের বাবা ও নির্মাতা এস এ চন্দ্রশেখর।

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, বিজয়ের শৈশব ছিল নানা আর্থিক অনটন ও সংগ্রামের মধ্য দিয়ে ভরা। একসময় এমন অবস্থাও এসেছে যখন পরিবারের জন্য খাবার জোগাড় করাও কঠিন ছিল। সহকারী পরিচালক হিসেবে কাজ করেও সংসারের চাপ সামলাতে হয়েছে তাকে।

এস এ চন্দ্রশেখর বলেন, সেই কঠিন সময়েই তিনি স্বপ্ন দেখতেন তার ছেলে একদিন বড় কিছু করবে এবং মানুষের জন্য কাজ করবে। আজ সেই স্বপ্ন বাস্তবে পরিণত হয়েছে বলে মনে করছেন তিনি।

বিজয়ের শপথগ্রহণের মুহূর্ত স্মরণ করে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন তার বাবা। তিনি বলেন, ‘ও আমার স্বপ্ন পূরণ করেছে। একজন বাবা হিসেবে এর চেয়ে বড় আনন্দ আর কিছু হতে পারে না।’

তিনি আরও জানান, ১৯৭৩ সালে তাদের বিয়ে হয় এবং ১৯৭৪ সালে বিজয়ের জন্ম। সেই সময় থেকেই জীবন ছিল সংগ্রামের। কিন্তু বিজয় কখনো সেই কঠিন সময় ভুলে যাননি।

বাবার কথায়, কঠোর পরিশ্রম, শৃঙ্খলা এবং মানুষের প্রতি ভালোবাসাই আজ বিজয়কে এই অবস্থানে পৌঁছে দিয়েছে। অভিনয়ে দীর্ঘ সাফল্যের পর রাজনীতিতেও দ্রুত জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন তিনি।

অতীতের দারিদ্র্য থেকে বর্তমানের মুখ্যমন্ত্রীর আসন-বিজয়ের এই যাত্রা এখন অনুপ্রেরণা হয়ে উঠেছে অনেকের কাছেই।

Tag :

Recent Comments

No comments to show.

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

মুখ্যমন্ত্রী বিজয়ের সংগ্রামের গল্প শোনালেন বাবা

Update Time : ০৪:১৪:১৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২৬
12 / 100 SEO Score

 

দক্ষিণী তারকা থেকে তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রীর আসনে বসা থালাপতি বিজয়ের সাফল্যের পেছনে লুকিয়ে আছে দীর্ঘ সংগ্রাম ও অভাবের গল্প। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে সেই কঠিন সময়ের স্মৃতি তুলে ধরে আবেগঘন অভিজ্ঞতা শোনালেন বিজয়ের বাবা ও নির্মাতা এস এ চন্দ্রশেখর।

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, বিজয়ের শৈশব ছিল নানা আর্থিক অনটন ও সংগ্রামের মধ্য দিয়ে ভরা। একসময় এমন অবস্থাও এসেছে যখন পরিবারের জন্য খাবার জোগাড় করাও কঠিন ছিল। সহকারী পরিচালক হিসেবে কাজ করেও সংসারের চাপ সামলাতে হয়েছে তাকে।

এস এ চন্দ্রশেখর বলেন, সেই কঠিন সময়েই তিনি স্বপ্ন দেখতেন তার ছেলে একদিন বড় কিছু করবে এবং মানুষের জন্য কাজ করবে। আজ সেই স্বপ্ন বাস্তবে পরিণত হয়েছে বলে মনে করছেন তিনি।

বিজয়ের শপথগ্রহণের মুহূর্ত স্মরণ করে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন তার বাবা। তিনি বলেন, ‘ও আমার স্বপ্ন পূরণ করেছে। একজন বাবা হিসেবে এর চেয়ে বড় আনন্দ আর কিছু হতে পারে না।’

তিনি আরও জানান, ১৯৭৩ সালে তাদের বিয়ে হয় এবং ১৯৭৪ সালে বিজয়ের জন্ম। সেই সময় থেকেই জীবন ছিল সংগ্রামের। কিন্তু বিজয় কখনো সেই কঠিন সময় ভুলে যাননি।

বাবার কথায়, কঠোর পরিশ্রম, শৃঙ্খলা এবং মানুষের প্রতি ভালোবাসাই আজ বিজয়কে এই অবস্থানে পৌঁছে দিয়েছে। অভিনয়ে দীর্ঘ সাফল্যের পর রাজনীতিতেও দ্রুত জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন তিনি।

অতীতের দারিদ্র্য থেকে বর্তমানের মুখ্যমন্ত্রীর আসন-বিজয়ের এই যাত্রা এখন অনুপ্রেরণা হয়ে উঠেছে অনেকের কাছেই।