Dhaka ০৭:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬, ১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
২০৩০ লক্ষ্য নিয়ে রেলের রোডম্যাপ দাউদকান্দিতে চালবোঝাই ট্রাক উল্টে নিহত ৭ শেষ হলো বৈশাখী শোভাযাত্রা, ‘ফ্রি প্যালেস্টাইন’ প্ল্যাকার্ডে ভিন্ন বার্তা মার্কিন নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে হরমুজ পার করলো চীনা জাহাজ শুরু বৈশাখী শোভাযাত্রা, চারুকলা থেকে বর্ণিল আয়োজনে মানুষের ঢল ইরানি নারী ফুটবল দলের অধিনায়কের বাজেয়াপ্ত সম্পদ ফেরত দিচ্ছে সরকার আজও সাতসকালে ‘অস্বাস্থ্যকর’ ঢাকার বাতাস রমনার বটমূলে ছায়ানটের বর্ষবরণ: ‘জাগো আলোক-লগ্নে’ গানে নববর্ষের সূচনা টাঙ্গাইলে আজ ‘কৃষক কার্ড’ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী বৈশাখী শোভাযাত্রা ঘিরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কড়া নিরাপত্তা

সচিবালয়ে দেলোয়ারের দৌরাত্ম্য:বিভিন্ন সংগঠনের পরিচয়ে প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ

স্টাফ রিপোর্টার
10 / 100 SEO Score

রাজধানীর প্রশাসনিক কেন্দ্র সচিবালয়ে মোঃ দেলোয়ার হোসেন নামে এক ব্যক্তির নিয়মিত উপস্থিতি ঘিরে নতুন করে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। নিজেকে “সাংগঠনিক সম্পাদক, বাংলাদেশ আওয়ামী তথ্য-প্রযুক্তি লীগ” পরিচয়দানকারী এই ব্যক্তি কখনো সাংবাদিক, কখনো রাজনৈতিক সংগঠক পরিচয়ে সক্রিয় বলে অভিযোগ উঠেছে।

সম্প্রতি তিনি জাতির পিতা শেখ মুজিবুর রহমান ও তাঁর পরিবারের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে একটি শোকবার্তা প্রকাশ করেন। ওই বার্তায় তার সাংগঠনিক পরিচয় স্পষ্টভাবে উল্লেখ ছিল। এর পরপরই সচিবালয়ে নতুন মন্ত্রিসভার কয়েকজন মন্ত্রীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ উপস্থিতি নিয়ে নানা প্রশ্ন সামনে আসে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একাধিক ব্যক্তি দাবি করেছেন, দেলোয়ার বিভিন্ন সংগঠনের নাম ব্যবহার করে প্রভাব খাটানোর চেষ্টা করছেন। কিছু পোস্টে তাকে একটি “সঙ্ঘবদ্ধ প্রতারক চক্রের” সদস্য বলেও উল্লেখ করা হয়েছে। তবে এসব অভিযোগের পক্ষে এখনো পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক মামলা বা তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ্যে আসেনি।

ভুক্তভোগী দাবি করা কয়েকজন লিখেছেন, সচিবালয়ের প্রবেশপত্র বা ‘পাস’ ইস্যুকে কেন্দ্র করে তিনি প্রভাব বিস্তার করছেন এবং নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে নিজস্ব উদ্দেশ্য হাসিলের চেষ্টা করছেন। সচিবালয়ে তার নিয়মিত যাতায়াতের কারণ ও ভিত্তি নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন অনেকে।

প্রশ্ন উঠেছে কোন পরিচয়ে এবং কী প্রক্রিয়ায় তিনি সচিবালয়ে প্রবেশাধিকার পাচ্ছেন? সরকারি দপ্তরের নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী পাস ইস্যু হয়ে থাকলে তার নথি কোথায়? সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে এখনো কোনো ব্যাখ্যা দেয়নি।

অভিযোগকারীদের দাবি, বিষয়টি সামাজিক মাধ্যমে বহুবার আলোচিত হলেও প্রশাসন কার্যত নীরব। “দেখেও না দেখার ভান” করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। তবে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের পক্ষ থেকে কোনো লিখিত বা আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

সুশাসন ও প্রশাসনিক স্বচ্ছতার স্বার্থে সচিবালয়ে প্রবেশ ও প্রভাব বিস্তার সংক্রান্ত অভিযোগগুলো তদন্ত হওয়া প্রয়োজন বলে মনে করছেন সচেতন মহল। অভিযোগ প্রমাণিত হলে আইনগত ব্যবস্থা, আর অভিযোগ ভিত্তিহীন হলে সেটিও স্পষ্টভাবে জানানো উভয় ক্ষেত্রেই কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব রয়েছে।

দেলোয়ার হোসেনের বক্তব্য জানতে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত তার কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

সচিবালয়ে দেলোয়ারের দৌরাত্ম্য:বিভিন্ন সংগঠনের পরিচয়ে প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ

Update Time : ০৫:৩২:১৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
10 / 100 SEO Score

রাজধানীর প্রশাসনিক কেন্দ্র সচিবালয়ে মোঃ দেলোয়ার হোসেন নামে এক ব্যক্তির নিয়মিত উপস্থিতি ঘিরে নতুন করে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। নিজেকে “সাংগঠনিক সম্পাদক, বাংলাদেশ আওয়ামী তথ্য-প্রযুক্তি লীগ” পরিচয়দানকারী এই ব্যক্তি কখনো সাংবাদিক, কখনো রাজনৈতিক সংগঠক পরিচয়ে সক্রিয় বলে অভিযোগ উঠেছে।

সম্প্রতি তিনি জাতির পিতা শেখ মুজিবুর রহমান ও তাঁর পরিবারের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে একটি শোকবার্তা প্রকাশ করেন। ওই বার্তায় তার সাংগঠনিক পরিচয় স্পষ্টভাবে উল্লেখ ছিল। এর পরপরই সচিবালয়ে নতুন মন্ত্রিসভার কয়েকজন মন্ত্রীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ উপস্থিতি নিয়ে নানা প্রশ্ন সামনে আসে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একাধিক ব্যক্তি দাবি করেছেন, দেলোয়ার বিভিন্ন সংগঠনের নাম ব্যবহার করে প্রভাব খাটানোর চেষ্টা করছেন। কিছু পোস্টে তাকে একটি “সঙ্ঘবদ্ধ প্রতারক চক্রের” সদস্য বলেও উল্লেখ করা হয়েছে। তবে এসব অভিযোগের পক্ষে এখনো পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক মামলা বা তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ্যে আসেনি।

ভুক্তভোগী দাবি করা কয়েকজন লিখেছেন, সচিবালয়ের প্রবেশপত্র বা ‘পাস’ ইস্যুকে কেন্দ্র করে তিনি প্রভাব বিস্তার করছেন এবং নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে নিজস্ব উদ্দেশ্য হাসিলের চেষ্টা করছেন। সচিবালয়ে তার নিয়মিত যাতায়াতের কারণ ও ভিত্তি নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন অনেকে।

প্রশ্ন উঠেছে কোন পরিচয়ে এবং কী প্রক্রিয়ায় তিনি সচিবালয়ে প্রবেশাধিকার পাচ্ছেন? সরকারি দপ্তরের নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী পাস ইস্যু হয়ে থাকলে তার নথি কোথায়? সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে এখনো কোনো ব্যাখ্যা দেয়নি।

অভিযোগকারীদের দাবি, বিষয়টি সামাজিক মাধ্যমে বহুবার আলোচিত হলেও প্রশাসন কার্যত নীরব। “দেখেও না দেখার ভান” করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। তবে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের পক্ষ থেকে কোনো লিখিত বা আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

সুশাসন ও প্রশাসনিক স্বচ্ছতার স্বার্থে সচিবালয়ে প্রবেশ ও প্রভাব বিস্তার সংক্রান্ত অভিযোগগুলো তদন্ত হওয়া প্রয়োজন বলে মনে করছেন সচেতন মহল। অভিযোগ প্রমাণিত হলে আইনগত ব্যবস্থা, আর অভিযোগ ভিত্তিহীন হলে সেটিও স্পষ্টভাবে জানানো উভয় ক্ষেত্রেই কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব রয়েছে।

দেলোয়ার হোসেনের বক্তব্য জানতে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত তার কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।