Dhaka ০৮:৫১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬, ৩০ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

২-০ গোলে এগিয়ে থেকেও থাইল্যান্ডের কাছে হারল বাংলাদেশ

12 / 100 SEO Score

এএফসি অনূর্ধ্ব-২০ নারী চ্যাম্পিয়নশিপের ম্যাচে শক্তিশালী থাইল্যান্ডের বিপক্ষে জয়ের সুবর্ণ সুযোগ হাতছাড়া করেছে বাংলাদেশ। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) থাইল্যান্ডের ননথাবুরি প্রদেশ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে ২-০ গোলে এগিয়ে থেকেও শেষ পর্যন্ত ৩-২ ব্যবধানে হার মানতে হয়েছে লাল-সবুজদের।

ফিফা র‍্যাঙ্কিং ও ফুটবলীয় ঐতিহ্যে এগিয়ে থাকা থাইল্যান্ডের বিপক্ষে মোসাম্মাৎ সাগরিকার জোড়া গোলে জয়ের স্বপ্ন দেখছিল পিটার বাটলারের শিষ্যরা। তবে ম্যাচের শেষ ১০ মিনিটে রক্ষণভাগের খেই হারিয়ে ফেলা এবং টানা দুটি পেনাল্টি হজম করার মাশুল দিতে হয়েছে সফরকারী দলটিকে। এই পরাজয়ের ফলে এশিয়ার বড় মঞ্চে একটি স্মরণীয় জয়বঞ্চিত থাকল বাংলাদেশের নারী ফুটবলাররা।

ম্যাচের শুরু থেকেই থাইল্যান্ড ফেভারিট হিসেবে মাঠে নামলেও ৩৬তম মিনিটে তাদের স্তব্ধ করে দেন বাংলাদেশের ফরোয়ার্ড মোসাম্মাৎ সাগরিকা। জাতীয় দলে খেলার অভিজ্ঞতাসম্পন্ন এই স্ট্রাইকার প্রথমার্ধেই বাংলাদেশকে ১-০ গোলে এগিয়ে নেন। বিরতির পর ৫০তম মিনিটে আবারও নিজের দক্ষতার প্রমাণ দেন সাগরিকা, তার দ্বিতীয় গোলে স্কোরলাইন ২-০ হয়ে দাঁড়ালে জয়ের পথে অনেকটা এগিয়ে যায় বাংলাদেশ।

এশীয় পর্যায়ে নিয়মিত খেলা থাইল্যান্ডের মতো প্রতিপক্ষের বিপক্ষে দুই গোলের লিড পাওয়া ছিল বাংলাদেশের জন্য এক বিশাল অর্জন। কিন্তু ৬৯ মিনিট থেকে ৭৯ মিনিটের মধ্যে ম্যাচের চিত্রপট পুরোপুরি বদলে যায় এবং থাইল্যান্ডের খেলোয়াড়দের আক্রমণাত্মক ফুটবলের সামনে রক্ষণভাগ ভেঙে পড়ে।

থাইল্যান্ডের এই নাটকীয় প্রত্যাবর্তনের শুরু হয় ৬৯তম মিনিটে, যখন পেনাল্টি থেকে গোল করে ব্যবধান ২-১ এ কমিয়ে আনেন কুরিসারা লিমপাওয়ানিচ। এর মাত্র সাত মিনিট পর, অর্থাৎ ৭৬তম মিনিটে আবারও একটি পেনাল্টি পায় স্বাগতিকরা। রিনইয়াপাত মুন্ডং সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে ২-২ সমতা ফেরান।

সমতায় ফেরার পর স্বাগতিক দর্শকরা উজ্জীবিত হয়ে উঠলে বাংলাদেশকে আরও চাপে ফেলে দেয় থাইল্যান্ড। এর তিন মিনিট পরেই অর্থাৎ ৭৯তম মিনিটে জয়ের চূড়ান্ত গোলটি আদায় করে নেয় তারা। মাত্র ১০ মিনিটের ব্যবধানে তিন গোল হজম করে জয়ের বন্দর থেকে পরাজয়ের গ্লানি নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয় বাংলাদেশের কিশোরীদের।

 

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

২-০ গোলে এগিয়ে থেকেও থাইল্যান্ডের কাছে হারল বাংলাদেশ

Update Time : ০৬:১৩:০৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২৬
12 / 100 SEO Score

এএফসি অনূর্ধ্ব-২০ নারী চ্যাম্পিয়নশিপের ম্যাচে শক্তিশালী থাইল্যান্ডের বিপক্ষে জয়ের সুবর্ণ সুযোগ হাতছাড়া করেছে বাংলাদেশ। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) থাইল্যান্ডের ননথাবুরি প্রদেশ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে ২-০ গোলে এগিয়ে থেকেও শেষ পর্যন্ত ৩-২ ব্যবধানে হার মানতে হয়েছে লাল-সবুজদের।

ফিফা র‍্যাঙ্কিং ও ফুটবলীয় ঐতিহ্যে এগিয়ে থাকা থাইল্যান্ডের বিপক্ষে মোসাম্মাৎ সাগরিকার জোড়া গোলে জয়ের স্বপ্ন দেখছিল পিটার বাটলারের শিষ্যরা। তবে ম্যাচের শেষ ১০ মিনিটে রক্ষণভাগের খেই হারিয়ে ফেলা এবং টানা দুটি পেনাল্টি হজম করার মাশুল দিতে হয়েছে সফরকারী দলটিকে। এই পরাজয়ের ফলে এশিয়ার বড় মঞ্চে একটি স্মরণীয় জয়বঞ্চিত থাকল বাংলাদেশের নারী ফুটবলাররা।

ম্যাচের শুরু থেকেই থাইল্যান্ড ফেভারিট হিসেবে মাঠে নামলেও ৩৬তম মিনিটে তাদের স্তব্ধ করে দেন বাংলাদেশের ফরোয়ার্ড মোসাম্মাৎ সাগরিকা। জাতীয় দলে খেলার অভিজ্ঞতাসম্পন্ন এই স্ট্রাইকার প্রথমার্ধেই বাংলাদেশকে ১-০ গোলে এগিয়ে নেন। বিরতির পর ৫০তম মিনিটে আবারও নিজের দক্ষতার প্রমাণ দেন সাগরিকা, তার দ্বিতীয় গোলে স্কোরলাইন ২-০ হয়ে দাঁড়ালে জয়ের পথে অনেকটা এগিয়ে যায় বাংলাদেশ।

এশীয় পর্যায়ে নিয়মিত খেলা থাইল্যান্ডের মতো প্রতিপক্ষের বিপক্ষে দুই গোলের লিড পাওয়া ছিল বাংলাদেশের জন্য এক বিশাল অর্জন। কিন্তু ৬৯ মিনিট থেকে ৭৯ মিনিটের মধ্যে ম্যাচের চিত্রপট পুরোপুরি বদলে যায় এবং থাইল্যান্ডের খেলোয়াড়দের আক্রমণাত্মক ফুটবলের সামনে রক্ষণভাগ ভেঙে পড়ে।

থাইল্যান্ডের এই নাটকীয় প্রত্যাবর্তনের শুরু হয় ৬৯তম মিনিটে, যখন পেনাল্টি থেকে গোল করে ব্যবধান ২-১ এ কমিয়ে আনেন কুরিসারা লিমপাওয়ানিচ। এর মাত্র সাত মিনিট পর, অর্থাৎ ৭৬তম মিনিটে আবারও একটি পেনাল্টি পায় স্বাগতিকরা। রিনইয়াপাত মুন্ডং সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে ২-২ সমতা ফেরান।

সমতায় ফেরার পর স্বাগতিক দর্শকরা উজ্জীবিত হয়ে উঠলে বাংলাদেশকে আরও চাপে ফেলে দেয় থাইল্যান্ড। এর তিন মিনিট পরেই অর্থাৎ ৭৯তম মিনিটে জয়ের চূড়ান্ত গোলটি আদায় করে নেয় তারা। মাত্র ১০ মিনিটের ব্যবধানে তিন গোল হজম করে জয়ের বন্দর থেকে পরাজয়ের গ্লানি নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয় বাংলাদেশের কিশোরীদের।