Dhaka ০৭:২২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬, ১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :

আলী লারিজানি নিহত হয়েছেন: ইরান

12 / 100 SEO Score

মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) রাতে দেশটির সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদ আনুষ্ঠানিকভাবে এই খবর নিশ্চিত করেছে।

এর আগে একই দিন সকালে ইসরায়েল দাবি করেছিল যে, তেহরানে এক লক্ষ্যভেদী বিমান হামলার মাধ্যমে তারা লারিজানিকে ‘নির্মূল’ করেছে।

​আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা মেহের নিউজে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, আলী লারিজানি তার দায়িত্ব পালনরত অবস্থায় ‘শাহাদাত’ বরণ করেছেন। এই হামলায় তার ছেলে মোর্তজা লারিজানি এবং তার কার্যালয়ের প্রধান আলিরেজা বায়াতসহ বেশ কয়েকজন দেহরক্ষীও নিহত হয়েছেন। কয়েক দশক ধরে ইরানের পরমাণু নীতি ও কৌশলগত সিদ্ধান্তে লারিজানি ছিলেন অন্যতম প্রধান কারিগর।

​ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর (আইডিএফ) তথ্যমতে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মৃত্যুর পর লারিঞ্জানিই ছিলেন ইরানের ‘ডি ফ্যাক্টো’ বা কার্যত নেতা। তিনি একাধারে দেশটির সাবেক স্পিকার এবং সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের বর্তমান সেক্রেটারি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। তাকে হত্যার বিষয়টিকে ইরানের বর্তমান রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা কাঠামোর জন্য একটি বিশাল ধাক্কা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

​এদিকে, একই দিনের পৃথক এক হামলায় ইরানের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা বাহিনী ‘বাসিজ’-এর প্রধান গোলামরেজা সোলেইমানিও নিহত হয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছে আইআরজিসি। লারিজানি ও সোলেইমানির এই প্রস্থানকে চলমান যুদ্ধে ইরানের জন্য সবচেয়ে বড় ক্ষতি হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এই সফলতাকে ‘সন্ত্রাসী শাসনের’ বিরুদ্ধে বড় বিজয় হিসেবে অভিহিত করেছেন।

 

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

আলী লারিজানি নিহত হয়েছেন: ইরান

Update Time : ০৫:০১:৪৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬
12 / 100 SEO Score

মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) রাতে দেশটির সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদ আনুষ্ঠানিকভাবে এই খবর নিশ্চিত করেছে।

এর আগে একই দিন সকালে ইসরায়েল দাবি করেছিল যে, তেহরানে এক লক্ষ্যভেদী বিমান হামলার মাধ্যমে তারা লারিজানিকে ‘নির্মূল’ করেছে।

​আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা মেহের নিউজে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, আলী লারিজানি তার দায়িত্ব পালনরত অবস্থায় ‘শাহাদাত’ বরণ করেছেন। এই হামলায় তার ছেলে মোর্তজা লারিজানি এবং তার কার্যালয়ের প্রধান আলিরেজা বায়াতসহ বেশ কয়েকজন দেহরক্ষীও নিহত হয়েছেন। কয়েক দশক ধরে ইরানের পরমাণু নীতি ও কৌশলগত সিদ্ধান্তে লারিজানি ছিলেন অন্যতম প্রধান কারিগর।

​ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর (আইডিএফ) তথ্যমতে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মৃত্যুর পর লারিঞ্জানিই ছিলেন ইরানের ‘ডি ফ্যাক্টো’ বা কার্যত নেতা। তিনি একাধারে দেশটির সাবেক স্পিকার এবং সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের বর্তমান সেক্রেটারি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। তাকে হত্যার বিষয়টিকে ইরানের বর্তমান রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা কাঠামোর জন্য একটি বিশাল ধাক্কা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

​এদিকে, একই দিনের পৃথক এক হামলায় ইরানের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা বাহিনী ‘বাসিজ’-এর প্রধান গোলামরেজা সোলেইমানিও নিহত হয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছে আইআরজিসি। লারিজানি ও সোলেইমানির এই প্রস্থানকে চলমান যুদ্ধে ইরানের জন্য সবচেয়ে বড় ক্ষতি হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এই সফলতাকে ‘সন্ত্রাসী শাসনের’ বিরুদ্ধে বড় বিজয় হিসেবে অভিহিত করেছেন।