ঈদ ফ্যাশনে নতুনত্বের ছোঁয়া
পোশাকে হালকা নকশা, ঢিলেঢালা কাট আর আরামদায়ক কাপড়—এবারের ঈদের পোশাকে প্রাধান্য পাবে এই তিন বিষয়। উৎসবের কারণে মসলিন, সিল্ক, জর্জেট কাপড়ের তৈরি পোশাকই দেখা যাচ্ছে বেশি। জলপাই সবুজ, চাঁপা সাদা, ফুশিয়া, শর্ষে হলুদ ও প্যাস্টেল শেড রঙের ব্যবহার চোখে পড়ছে বেশি। কামিজ, শাড়ির পাশাপাশি অনেকে বেছে নিচ্ছেন স্কার্ট। এখানে দেখে নিন কিছু পোশাকের নকশা।
উজ্জ্বল জলপাই রঙের মসলিনের কামিজে যোগ করা হয়েছে ফুশিয়া প্যানেল, হ্যান্ড ব্লক প্রিন্ট ও কারচুপির কাজ।
এ-লাইন কাটের পোশাকটির সামনের দিকটি খোলা।
সামু সিল্ক দিয়ে বানানো হয়েছে কো–অর্ডটি। ক্রপ টপ স্টাইলের টপের সঙ্গে স্কার্টটি উৎসবের উচ্ছলতা তুলে ধরেছে। পেইজলি প্রিন্টের নকশাটি পোশাকে ঈদের একটা আমেজও নিয়ে এসেছে।
পারস্য ও দক্ষিণ এশিয়ার ঐতিহ্য থেকে আসা এই নকশা কাশ্মীরি নকশা হিসেবেও পরিচিত। জটিল ও অলংকারধর্মী ডিজাইন হলেও এটি ফুটিয়ে তুলতে পারে বোহেমিয়ান ধাঁচ। ঐতিহ্যবাহী হলেও আধুনি ফ্যাশনেও বেশ মানানসই। চুল খোলা বা বাঁধা—যেকোনোভাবেই রাখতে পারেন। পারস্য ও দক্ষিণ এশিয়ার ঐতিহ্য থেকে আসা এই নকশা কাশ্মীরি নকশা হিসেবেও পরিচিত। জটিল ও অলংকারধর্মী ডিজাইন হলেও এটি ফুটিয়ে তুলতে পারে বোহেমিয়ান ধাঁচ। ঐতিহ্যবাহী হলেও আধুনি ফ্যাশনেও বেশ মানানসই। চুল খোলা বা বাঁধা—যেকোনোভাবেই রাখতে পারেন।
মসলিনের খাটো কামিজে সূক্ষ্ম কারচুপি আর সোনালি জরি সুতার কাজ করা হয়েছে।
সঙ্গে আছে ছাঁট-কাটা ক্রেপ স্কার্ট আর ওড়না।
এই সালোয়ার-কামিজে চাঁপা সাদা ও সোনালি রঙের এমব্রয়ডারি করা হয়েছে। গলায় জরি ও রেশম সুতার সূক্ষ্ম কাজ আছে।
এক রঙের শিফন শাড়ির সঙ্গে লাহরিয়া প্রিন্টের ব্লাউজ। ব্লাউজে ঢেউয়ের মতো তির্যক লাইন বা তরঙ্গাকৃতির ডিজাইনের কারণে পুরো লুকটিতেই চলে এসেছে ভিন্নতা।
রুবি রঙের এই শাড়ি দুপুর বা রাত—যেকোনো সময়ই মানিয়ে যাবে। চুল খোঁপা করা। মেকআপ রাখা হয়েছে হালকা।
সোজা কাট সেমিফিটেড কুর্তিটি সাজে ফুটিয়ে তুলেছে আরামদায়ক এবং পরিপাটি ভাব।
























