দক্ষতা অর্জনেই দূর হবে দারিদ্র্য: ভূমিমন্ত্রী
কারিগরি ও পেশাভিত্তিক প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষতা অর্জনই দারিদ্র্য দূরীকরণ এবং অর্থনৈতিক স্বাবলম্বিতার অন্যতম প্রধান উপায় বলে মন্তব্য করেছেন ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু (এমপি)।
রাজশাহীতে নারীদের দক্ষতা বৃদ্ধি ও অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করে গড়ে তোলার লক্ষ্যে জাতীয় মানব সম্পদ উন্নয়ন তহবিল (এনএইচআরডিএফ) প্রকল্পের আওতায় তিনটি প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ভূমিমন্ত্রী বলেন, বর্তমান প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলার কোনো বিকল্প নেই। কারিগরি প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষতা অর্জন করলে নারীরা আর পিছিয়ে থাকবে না এবং অর্থনৈতিক সংকটও তাদের বাধাগ্রস্ত করতে পারবে না।
তিনি বলেন, “তোমরা প্রশিক্ষিত হও, তোমাদের পাশে সরকার আছে। বিভিন্ন ব্যাংকও প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করবে।”
প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান মারুফ হোসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে জাতীয় মানব সম্পদ উন্নয়ন তহবিলের পরিচালক ও সিইও তৌহিদুর রহমান, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অবসরপ্রাপ্ত অতিরিক্ত সচিব ও বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ডের সাবেক মহাপরিচালক আব্দুল হাকিম, এনএইচআরডিএফের সহকারী প্রোগ্রামার ভাস্কর হালদার, জীবনতরী টেকনিক্যাল ট্রেনিং একাডেমির প্রিন্সিপাল খাদিজা খাতুন, মহানগর বিএনপির সহ-সভাপতি ও একাডেমির সভাপতি ওয়ালিউল হক রানা এবং অর্থ সম্পাদক শাহিনুর ইসলাম মুকুলসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তৌহিদুর রহমান বলেন, নারীদের দক্ষতা উন্নয়ন শুধু পরিবার নয়, পুরো সমাজের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। প্রশিক্ষণের মাধ্যমে নারীরা উদ্যোক্তা হতে পারবেন এবং কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ সৃষ্টি করতে সক্ষম হবেন।
পরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে একাডেমির নির্বাহী পরিচালক মারুফ হোসান জানান, সরকারি সহযোগিতা পেলে আরও হাজারো নারীকে প্রশিক্ষণের আওতায় আনা সম্ভব হবে।
তিনি বলেন, তিন মাস মেয়াদি এ প্রশিক্ষণে ১৮ থেকে ৪৫ বছর বয়সী নারীরা অংশ নিতে পারবেন। দরিদ্র, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী, প্রতিবন্ধী ও সুবিধাবঞ্চিত নারীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।
উল্লেখ্য, অর্থ বিভাগ ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় বাস্তবায়িত এ প্রকল্পের সার্বিক তত্ত্বাবধান করছে জাতীয় মানব সম্পদ উন্নয়ন তহবিল (এনএইচআরডিএফ)।



















