Dhaka ০৮:৪২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

‘প্রাইভেট কোম্পানি ফ্লাইট অপারেট করতে চাইলে সরকার অবকাঠামো তৈরি করে দেবে’

12 / 100 SEO Score

 

কোনো প্রাইভেট কোম্পানি যদি কুয়াকাটায় ফ্লাইট অপারেট করতে চায়, তাহলে সরকারের পক্ষ থেকে সেখানে অবকাঠামো তৈরি করে দেওয়ার চেষ্টা করা হবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বুধবার (১৫ এপ্রিল) সকালে জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের ১৪তম দিনে পটুয়াখালী-৪ আসনের এমপি এবিএম মোশাররফ হোসেন সম্পূরক প্রশ্নের উত্তরে একথা জানান প্রধানমন্ত্রী।

পটুয়াখালী-৪ আসনের এমপি এবিএম মোশাররফ হোসেন সম্পূরক প্রশ্ন রেখে বলেন, ‘কুয়াকাটায় পর্যটন কেন্দ্র আছে, নৌ একটা ঘাটি আছে। ওখানে একটি ক্যান্টেনমেন্ট আছে, পায়রা বন্দর আছে। এর সঙ্গে যদি দ্রুতগতিতে একটি বিমানবন্দর করা যায় তাহলে কুয়াকাটাকে হয়তো আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন হিসেবে আমরা গড়ে তুলতে পারবো। বিমানবন্দর করা যায় কী না?’

জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, ‘বিমানবন্দরের বিষয়টি অর্থনীতির সঙ্গে সম্পর্কিত। সেখানে বিমানের ফ্লাইট হয়ত পরিচালনা করা যাবে কিন্তু সেটি যদি লস হয় তাহলে পাবলিকের পকেট থেকে পয়সাটা যাবে। কাজেই সেটি বোধহয় বিজনেস ওয়াইজ খুব একটা ভালো হবে না। তবে কোনো প্রাইভেট কোম্পানি যদি সেখানে ফ্লাইট অপারেট করতে চায়, আমরা সরকারের পক্ষ থেকে সেখানে তাকে ইনফ্রাস্ট্রাকচারটা যতটুকু সম্ভব তৈরি করে দেওয়ার জন্য চেষ্টা করব। তবে অবশ্যই যাচাই বাচাইয়ের ভিত্তিতে আমাদের এটি করতে হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘সরকারের যেমন কোনো লোকসান হোক তা আমরা চাই না, তেমনি কোনো উদ্যোক্তা উদ্যোগ গ্রহণ করে ব্যর্থ হোক বা তাদের প্রচেষ্টা বিফলে যাক—সেটিও আমাদের কাম্য নয়।’

 

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

‘প্রাইভেট কোম্পানি ফ্লাইট অপারেট করতে চাইলে সরকার অবকাঠামো তৈরি করে দেবে’

Update Time : ০৭:৩৫:৪৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬
12 / 100 SEO Score

 

কোনো প্রাইভেট কোম্পানি যদি কুয়াকাটায় ফ্লাইট অপারেট করতে চায়, তাহলে সরকারের পক্ষ থেকে সেখানে অবকাঠামো তৈরি করে দেওয়ার চেষ্টা করা হবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বুধবার (১৫ এপ্রিল) সকালে জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের ১৪তম দিনে পটুয়াখালী-৪ আসনের এমপি এবিএম মোশাররফ হোসেন সম্পূরক প্রশ্নের উত্তরে একথা জানান প্রধানমন্ত্রী।

পটুয়াখালী-৪ আসনের এমপি এবিএম মোশাররফ হোসেন সম্পূরক প্রশ্ন রেখে বলেন, ‘কুয়াকাটায় পর্যটন কেন্দ্র আছে, নৌ একটা ঘাটি আছে। ওখানে একটি ক্যান্টেনমেন্ট আছে, পায়রা বন্দর আছে। এর সঙ্গে যদি দ্রুতগতিতে একটি বিমানবন্দর করা যায় তাহলে কুয়াকাটাকে হয়তো আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন হিসেবে আমরা গড়ে তুলতে পারবো। বিমানবন্দর করা যায় কী না?’

জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, ‘বিমানবন্দরের বিষয়টি অর্থনীতির সঙ্গে সম্পর্কিত। সেখানে বিমানের ফ্লাইট হয়ত পরিচালনা করা যাবে কিন্তু সেটি যদি লস হয় তাহলে পাবলিকের পকেট থেকে পয়সাটা যাবে। কাজেই সেটি বোধহয় বিজনেস ওয়াইজ খুব একটা ভালো হবে না। তবে কোনো প্রাইভেট কোম্পানি যদি সেখানে ফ্লাইট অপারেট করতে চায়, আমরা সরকারের পক্ষ থেকে সেখানে তাকে ইনফ্রাস্ট্রাকচারটা যতটুকু সম্ভব তৈরি করে দেওয়ার জন্য চেষ্টা করব। তবে অবশ্যই যাচাই বাচাইয়ের ভিত্তিতে আমাদের এটি করতে হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘সরকারের যেমন কোনো লোকসান হোক তা আমরা চাই না, তেমনি কোনো উদ্যোক্তা উদ্যোগ গ্রহণ করে ব্যর্থ হোক বা তাদের প্রচেষ্টা বিফলে যাক—সেটিও আমাদের কাম্য নয়।’