Dhaka ০৯:৫৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
হাসপাতালের বাথরুম নিজেই পরিষ্কার করতে চাইলেন কৃষিমন্ত্রী সিগন্যালে ত্রুটি থাকায় তিন ঘণ্টায় ১৮ ট্রেন বিলম্বিত আটলান্টিক মহাসাগরে প্রাণ গেল ৮০ জনেরও বেশি অভিবাসীর পরকীয়ায় বাধা,পার্কে একত্রিত হয়ে বিষপান নতুন সংসার শুরু করেছেন হিরো আলমের সাবেক স্ত্রী রিয়া মনি অর্ধেক ঋণ, অর্ধেক অনুদানে উদ্যোক্তাদের সর্বোচ্চ ২০ লাখ টাকা অর্থায়ন তরুণ উদ্যোক্তাদের সর্বোচ্চ ২০ লাখ টাকা দেবে বাংলাদেশ ব্যাংক মানবতাবিরোধী অপরাধ: কাদের-সাদ্দামসহ ৭ জনের মামলার রায় আগামী সপ্তাহে মস্কোর দিয়ে ধেয়ে আসা ৩৭ ড্রোন ধ্বংস করল রাশিয়া সংখ্যালঘু বা সংখ্যাগুরু নয়, সবাইকে বাংলাদেশি ভাবার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

বিএমইউতে হামের পুনরুত্থান নিয়ে আলোচনা

নিজেস্ব প্রতিবেদক
12 / 100 SEO Score

 

রাজধানীর বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএমইউ) হামের পুনরুত্থান প্রতিরোধ ও ব্যবস্থাপনার চ্যালেঞ্জ নিয়ে সিএমই ও গোলটেবিল আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রবিবার (১২ এপ্রিল) বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ ডা. মিল্টন হলে শিশু বিভাগের উদ্যোগে এ কর্মসূচি আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপাচার্য অধ্যাপক ডা. এফ এম সিদ্দিকী। সভায় দেশে হামের প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় টিকাদান জোরদার, রোগী আইসোলেশন এবং কার্যকর চিকিৎসা ব্যবস্থাপনার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

বক্তারা বলেন, হামের টিকাদান কর্মসূচি শক্তিশালী করা, কেসভিত্তিক নজরদারি, দ্রুত শনাক্তকরণ, জটিলতা মোকাবিলা, জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং গবেষণাভিত্তিক নীতিনির্ধারণ জরুরি।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, ইউনিসেফ ও আইসিডিডিআরবিসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা এতে অংশ নেন।

উপাচার্য বলেন, হাম প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় সুপারিশগুলো নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে পৌঁছানো দরকার। পাশাপাশি টিকার সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা এবং প্রয়োজনে কিশোরীদের বুস্টার ডোজ দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনার আহ্বান জানান তিনি।

সভায় জানানো হয়, বর্তমানে ৬ মাসের কম বয়সী শিশুর মধ্যেও হাম সংক্রমণ দেখা যাচ্ছে, যা নতুন উদ্বেগ তৈরি করেছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, মাতৃগর্ভ থেকে প্রাপ্ত রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা সব ক্ষেত্রে কার্যকর না হওয়ায় এ পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে।

মূল প্রবন্ধে শিশু বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. জেসমিন মোরশেদ জানান, হামে আক্রান্তদের চিকিৎসায় বিএমইউতে আইসোলেটেড ওয়ার্ড চালু রয়েছে এবং সময়মতো টিকা গ্রহণই এ রোগ প্রতিরোধের সবচেয়ে কার্যকর উপায়।

আলোচনায় অংশ নেওয়া বিশেষজ্ঞরা আরও বলেন, জ্বর দেখা দিলেই হাম ধরে নেওয়া ঠিক নয়; তবে কয়েকদিন পর র‌্যাশ দেখা দিলে রোগীকে আইসোলেশনে নেওয়া প্রয়োজন। এছাড়া চিকিৎসা সরঞ্জাম নিশ্চিতকরণ এবং কমিউনিটি সম্পৃক্ততার ওপরও জোর দেওয়া হয়।

Recent Comments

No comments to show.

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

three + sixteen =

About Author Information

বিএমইউতে হামের পুনরুত্থান নিয়ে আলোচনা

Update Time : ০৩:১৫:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬
12 / 100 SEO Score

 

রাজধানীর বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএমইউ) হামের পুনরুত্থান প্রতিরোধ ও ব্যবস্থাপনার চ্যালেঞ্জ নিয়ে সিএমই ও গোলটেবিল আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রবিবার (১২ এপ্রিল) বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ ডা. মিল্টন হলে শিশু বিভাগের উদ্যোগে এ কর্মসূচি আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপাচার্য অধ্যাপক ডা. এফ এম সিদ্দিকী। সভায় দেশে হামের প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় টিকাদান জোরদার, রোগী আইসোলেশন এবং কার্যকর চিকিৎসা ব্যবস্থাপনার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

বক্তারা বলেন, হামের টিকাদান কর্মসূচি শক্তিশালী করা, কেসভিত্তিক নজরদারি, দ্রুত শনাক্তকরণ, জটিলতা মোকাবিলা, জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং গবেষণাভিত্তিক নীতিনির্ধারণ জরুরি।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, ইউনিসেফ ও আইসিডিডিআরবিসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা এতে অংশ নেন।

উপাচার্য বলেন, হাম প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় সুপারিশগুলো নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে পৌঁছানো দরকার। পাশাপাশি টিকার সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা এবং প্রয়োজনে কিশোরীদের বুস্টার ডোজ দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনার আহ্বান জানান তিনি।

সভায় জানানো হয়, বর্তমানে ৬ মাসের কম বয়সী শিশুর মধ্যেও হাম সংক্রমণ দেখা যাচ্ছে, যা নতুন উদ্বেগ তৈরি করেছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, মাতৃগর্ভ থেকে প্রাপ্ত রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা সব ক্ষেত্রে কার্যকর না হওয়ায় এ পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে।

মূল প্রবন্ধে শিশু বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. জেসমিন মোরশেদ জানান, হামে আক্রান্তদের চিকিৎসায় বিএমইউতে আইসোলেটেড ওয়ার্ড চালু রয়েছে এবং সময়মতো টিকা গ্রহণই এ রোগ প্রতিরোধের সবচেয়ে কার্যকর উপায়।

আলোচনায় অংশ নেওয়া বিশেষজ্ঞরা আরও বলেন, জ্বর দেখা দিলেই হাম ধরে নেওয়া ঠিক নয়; তবে কয়েকদিন পর র‌্যাশ দেখা দিলে রোগীকে আইসোলেশনে নেওয়া প্রয়োজন। এছাড়া চিকিৎসা সরঞ্জাম নিশ্চিতকরণ এবং কমিউনিটি সম্পৃক্ততার ওপরও জোর দেওয়া হয়।