Dhaka ০৪:১০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জ্বালানি তেল আমদানিতে বড় অনুমোদন

নিজস্ব প্রতিবেদক
8 / 100 SEO Score

 

দেশের জ্বালানি চাহিদা মেটাতে বড় পরিসরে তেল আমদানির অনুমোদন দিয়েছে সরকার। চলতি বছরের সেপ্টেম্বর থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান থেকে পরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানিতে ব্যয় হবে ১২ হাজার ৫৩৭ কোটি ৪৯ লাখ টাকা। পাশাপাশি অতিরিক্ত ৬ লাখ ৯৫ হাজার মেট্রিক টন গ্যাস অয়েল ও জেট ফুয়েল আমদানির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এ প্রস্তাবগুলো নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়।

বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ডিসেম্বর সময়ে জিটুজি পদ্ধতি ও আন্তর্জাতিক দরপত্রের মাধ্যমে ৫০:৫০ অনুপাতে জ্বালানি তেল আমদানির শর্ত শিথিলের প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়। একই সঙ্গে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান থেকে জিটুজি চুক্তির আওতায় পরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানির লক্ষ্যে নেগোসিয়েশনে সম্মত প্রিমিয়াম, পরিমাণ ও বর্তমান রেফারেন্স প্রাইস অনুযায়ী ক্রয়প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

এ প্রস্তাবের মোট চুক্তিমূল্য ১২ হাজার ৫৩৭ কোটি ৪৯ লাখ ৭০ হাজার টাকা। এতে সুপারিশকৃত দরদাতা হিসেবে রয়েছে চীনের ইউনিপেক, ইন্দোনেশিয়ার বিএসপি এবং চীনের পেট্রোচায়না। প্রস্তাবটি উত্থাপন করে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ।

অন্যদিকে, কাতার এনার্জি ট্রেডিং এলএলসি থেকে দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির আওতায় আগামী ১০ নভেম্বর একটি অতিরিক্ত কার্গো এলএনজি (তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস) কেনার দর প্রস্তাবও অনুমোদনের জন্য সুপারিশ করেছে কমিটি।

এ ক্ষেত্রে এলএনজির একক দর নির্ধারণ করা হয়েছে জেকেএম ০.০২ মার্কিন ডলার প্রতি এমএমবিটিইউ। সুপারিশকৃত দরদাতা কাতার এনার্জি ট্রেডিং এলএলসি। প্রস্তাবটি উত্থাপন করে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ।

জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের একটি প্রস্তাবে বলা হয়, ২০২৬ পঞ্জিকাবর্ষের জন্য অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি জি-টু-জি প্রক্রিয়ায় জ্বালানি তেল আমদানির পরিমাণ অনুমোদন করেছে। সেই অনুমোদিত পরিমাণের অতিরিক্ত সেপ্টেম্বর-ডিসেম্বর মেয়াদে আরও ৬ লাখ ৯৫ হাজার মেট্রিক টন জ্বালানি তেল আমদানির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

প্রস্তাবনায় অতিরিক্ত এ পরিমাণকে অনুমোদিত পরিমাণের ১০ শতাংশ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। আমদানির আওতায় থাকবে গ্যাস অয়েল ও জেট ফুয়েল।

বৈঠকে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের প্রস্তাবটি নীতিগত অনুমোদনের জন্য সুপারিশ করা হয়। পরে অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি প্রস্তাবটিতে নীতিগত অনুমোদন দেয়।

বৈঠকে আলোচনার পর প্রস্তাবগুলো অনুমোদনের জন্য সুপারিশ করা হয়।

 

Recent Comments

No comments to show.

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

18 − 14 =

About Author Information

জ্বালানি তেল আমদানিতে বড় অনুমোদন

Update Time : ০৬:১৭:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
8 / 100 SEO Score

 

দেশের জ্বালানি চাহিদা মেটাতে বড় পরিসরে তেল আমদানির অনুমোদন দিয়েছে সরকার। চলতি বছরের সেপ্টেম্বর থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান থেকে পরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানিতে ব্যয় হবে ১২ হাজার ৫৩৭ কোটি ৪৯ লাখ টাকা। পাশাপাশি অতিরিক্ত ৬ লাখ ৯৫ হাজার মেট্রিক টন গ্যাস অয়েল ও জেট ফুয়েল আমদানির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এ প্রস্তাবগুলো নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়।

বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ডিসেম্বর সময়ে জিটুজি পদ্ধতি ও আন্তর্জাতিক দরপত্রের মাধ্যমে ৫০:৫০ অনুপাতে জ্বালানি তেল আমদানির শর্ত শিথিলের প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়। একই সঙ্গে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান থেকে জিটুজি চুক্তির আওতায় পরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানির লক্ষ্যে নেগোসিয়েশনে সম্মত প্রিমিয়াম, পরিমাণ ও বর্তমান রেফারেন্স প্রাইস অনুযায়ী ক্রয়প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

এ প্রস্তাবের মোট চুক্তিমূল্য ১২ হাজার ৫৩৭ কোটি ৪৯ লাখ ৭০ হাজার টাকা। এতে সুপারিশকৃত দরদাতা হিসেবে রয়েছে চীনের ইউনিপেক, ইন্দোনেশিয়ার বিএসপি এবং চীনের পেট্রোচায়না। প্রস্তাবটি উত্থাপন করে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ।

অন্যদিকে, কাতার এনার্জি ট্রেডিং এলএলসি থেকে দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির আওতায় আগামী ১০ নভেম্বর একটি অতিরিক্ত কার্গো এলএনজি (তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস) কেনার দর প্রস্তাবও অনুমোদনের জন্য সুপারিশ করেছে কমিটি।

এ ক্ষেত্রে এলএনজির একক দর নির্ধারণ করা হয়েছে জেকেএম ০.০২ মার্কিন ডলার প্রতি এমএমবিটিইউ। সুপারিশকৃত দরদাতা কাতার এনার্জি ট্রেডিং এলএলসি। প্রস্তাবটি উত্থাপন করে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ।

জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের একটি প্রস্তাবে বলা হয়, ২০২৬ পঞ্জিকাবর্ষের জন্য অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি জি-টু-জি প্রক্রিয়ায় জ্বালানি তেল আমদানির পরিমাণ অনুমোদন করেছে। সেই অনুমোদিত পরিমাণের অতিরিক্ত সেপ্টেম্বর-ডিসেম্বর মেয়াদে আরও ৬ লাখ ৯৫ হাজার মেট্রিক টন জ্বালানি তেল আমদানির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

প্রস্তাবনায় অতিরিক্ত এ পরিমাণকে অনুমোদিত পরিমাণের ১০ শতাংশ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। আমদানির আওতায় থাকবে গ্যাস অয়েল ও জেট ফুয়েল।

বৈঠকে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের প্রস্তাবটি নীতিগত অনুমোদনের জন্য সুপারিশ করা হয়। পরে অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি প্রস্তাবটিতে নীতিগত অনুমোদন দেয়।

বৈঠকে আলোচনার পর প্রস্তাবগুলো অনুমোদনের জন্য সুপারিশ করা হয়।