Dhaka ১১:২৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

এ বছরই এয়ারবাসের অন্তত একটি উড়োজাহাজ চায় বাংলাদেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক
8 / 100 SEO Score

 

বিমানের বহর আধুনিকায়নের অংশ হিসেবে চলতি বছরের মধ্যেই এয়ারবাসের অন্তত একটি উড়োজাহাজ সরবরাহের অনুরোধ জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত।

তিনি বলেছেন, এয়ারবাসের নতুন প্রজন্মের উড়োজাহাজ যুক্ত হলে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের সক্ষমতা বাড়বে এবং আন্তর্জাতিক বাজারে আরও কার্যকরভাবে প্রতিযোগিতা করা সম্ভব হবে।

বুধবার (৭ অক্টোবর) রাতে রাজধানীর র‌্যাডিসন ব্লু ঢাকা ওয়াটার গার্ডেন হোটেলে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস ও ইউরোপীয় উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান এয়ারবাসের মধ্যে চুক্তি সই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, এয়ারবাসের সঙ্গে চুক্তি বাংলাদেশের এভিয়েশন খাতের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। এটি শুধু একটি বাণিজ্যিক চুক্তি নয়। এর মাধ্যমে বিমানকে আধুনিক, প্রতিযোগিতামূলক ও বিশ্বব্যাপী সংযুক্ত একটি এয়ারলাইন হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্য এগিয়ে যাবে। বিমানের একটি উড়োজাহাজ যখন বিশ্বের কোনো আন্তর্জাতিক গন্তব্যে পৌঁছায়, তখন তার সঙ্গে বাংলাদেশের নামও সেখানে পৌঁছে যায়। দেশের অর্থনীতি বাড়ার সঙ্গে নিরাপদ ও নির্ভরযোগ্য আকাশপথের চাহিদাও বাড়ছে।

বর্তমানে দেশের মাত্র প্রায় ২০ শতাংশ যাত্রী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের মাধ্যমে পরিবহন করা হয় উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, বাকি প্রায় ৮০ শতাংশ যাত্রী অন্য এয়ারলাইনসের মাধ্যমে যাতায়াত করেন। তাই দেশের নাগরিকদের আন্তর্জাতিক গন্তব্যে আরও বেশি পরিবহন করতে বিমানের নিজস্ব বহর বাড়ানো ও আধুনিকায়ন করা জরুরি।

তিনি বলেন, এয়ারবাসের নতুন প্রজন্মের উড়োজাহাজ বিমানের জন্য এমন একটি বহর গড়ে তুলতে সহায়তা করবে, যা বিভিন্ন রুটের চাহিদা ও যাত্রীসংখ্যার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে পরিচালনা করা যাবে। বর্তমানে উড়োজাহাজের স্বল্পতার কারণে যাত্রীদের চাহিদা পূরণে বিমানকে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে।

এ কারণে এয়ারবাসের আঞ্চলিক পর্যায়ের শীর্ষ কর্মকর্তার প্রতি অনুরোধ জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ২০২৬ সালের মধ্যেই অন্তত একটি উড়োজাহাজ সরবরাহ করা হোক। এটি বাংলাদেশের পক্ষ থেকে তার বিশেষ অনুরোধ।

বিমানের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরে এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, লক্ষ্য হচ্ছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসকে বিশ্বের অন্যতম সেরা ক্যারিয়ারে পরিণত করা। এ জন্য এয়ারবাসের পাশাপাশি বোয়িংয়ের সঙ্গেও কাজ করে প্রয়োজন অনুযায়ী সঠিক বহর, রুট ও অবকাঠামো গড়ে তুলতে হবে।

তিনি আরও বলেন, সরকারের লক্ষ্য বাংলাদেশকে একটি আঞ্চলিক এভিয়েশন হাবে পরিণত করা। এ উদ্দেশ্যে দেশে মেইনটেন্যান্স, রিপেয়ার অ্যান্ড ওভারহল বা এমআরও সুবিধা গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ প্রকল্পে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্বের (পিপিপি) ভিত্তিতে ইউরোপীয় বিনিয়োগকারীদের অংশ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

বাংলাদেশের এয়ার কার্গো খাতের একটি দীর্ঘদিনের সমস্যার কথাও তুলে ধরেন বিমানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ২০১৭ সালের জুন থেকে ইউরোপীয় ইউনিয়ন বাংলাদেশ থেকে যাওয়া কার্গো ও মেইলকে উচ্চঝুঁকির তালিকায় রেখেছে। এ বিষয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়নের উদ্বেগ দূর করতে বাংলাদেশ ইতোমধ্যে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে।

তিনি জানান, যুক্তরাজ্যের ডিপার্টমেন্ট ফর ট্রান্সপোর্টসের সাম্প্রতিক মূল্যায়নে ২০২৬ সালের ১৭ জুলাই ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ৯৮ শতাংশ এবং হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ৯৪ শতাংশ স্কোর পেয়েছে। এ পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ থেকে কার্গো পরিবহনের ওপর থাকা বিধিনিষেধ দ্রুত তুলে নিতে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সহযোগিতা চান তিনি।

বিমানের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উদ্দেশে মন্ত্রী বলেন, নতুন এয়ারবাস বিমানের বহরকে শক্তিশালী করবে, কিন্তু শুধু উড়োজাহাজ দিয়ে একটি এয়ারলাইনকে ভালো করা সম্ভব নয়। বিমানের ভবিষ্যৎ নির্ভর করবে কর্মীদের পেশাদারত্ব, শৃঙ্খলা, দক্ষতা ও দায়িত্ববোধের ওপর। প্রতিটি যাত্রীকে সেবা দেওয়া, প্রতিটি ফ্লাইট পরিচালনা এবং প্রতিটি সিদ্ধান্তের সঙ্গে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি জড়িত। তাই বিমানে নিরাপত্তা, দক্ষতা, সময়ানুবর্তিতা, সততা ও উৎকর্ষের সংস্কৃতি গড়ে তুলতে হবে।

অনুষ্ঠানে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির এবং এয়ারবাস ইন্ডিয়া ও দক্ষিণ এশিয়ার প্রেসিডেন্ট ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক জুর্গেন ওয়েস্টারমায়ারসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন- ঢাকায় নিযুক্ত ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার, বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাজ্যের রাষ্ট্রদূত সারাহ কুক, বাংলাদেশে নিযুক্ত জার্মানির রাষ্ট্রদূত রুডিগার লোটজ, বাংলাদেশে নিযুক্ত ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত জ্যঁ-মার্ক সেরে-শারলে, বাংলাদেশে নিযুক্ত স্পেনের রাষ্ট্রদূত গ্যাব্রিয়েল মারিয়া সিসতিয়েগা ওচহোওয়া দি চিনচিত্রু, এয়ারবাস ইন্ডিয়া ও দক্ষিণ এশিয়ার প্রেসিডেন্ট ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক জুর্গেন ওয়েস্টারমায়ার, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান রুমি এ হোসেন, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) কাইজার সোহেল আহমেদ, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ।

এ সময় ভিডিও বার্তায় বক্তব্য দেন এয়ারবাসের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা গিয়োম ফোরি।

 

Recent Comments

No comments to show.

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

1 × five =

About Author Information

এ বছরই এয়ারবাসের অন্তত একটি উড়োজাহাজ চায় বাংলাদেশ

Update Time : ০৭:২০:৩৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬
8 / 100 SEO Score

 

বিমানের বহর আধুনিকায়নের অংশ হিসেবে চলতি বছরের মধ্যেই এয়ারবাসের অন্তত একটি উড়োজাহাজ সরবরাহের অনুরোধ জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত।

তিনি বলেছেন, এয়ারবাসের নতুন প্রজন্মের উড়োজাহাজ যুক্ত হলে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের সক্ষমতা বাড়বে এবং আন্তর্জাতিক বাজারে আরও কার্যকরভাবে প্রতিযোগিতা করা সম্ভব হবে।

বুধবার (৭ অক্টোবর) রাতে রাজধানীর র‌্যাডিসন ব্লু ঢাকা ওয়াটার গার্ডেন হোটেলে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস ও ইউরোপীয় উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান এয়ারবাসের মধ্যে চুক্তি সই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, এয়ারবাসের সঙ্গে চুক্তি বাংলাদেশের এভিয়েশন খাতের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। এটি শুধু একটি বাণিজ্যিক চুক্তি নয়। এর মাধ্যমে বিমানকে আধুনিক, প্রতিযোগিতামূলক ও বিশ্বব্যাপী সংযুক্ত একটি এয়ারলাইন হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্য এগিয়ে যাবে। বিমানের একটি উড়োজাহাজ যখন বিশ্বের কোনো আন্তর্জাতিক গন্তব্যে পৌঁছায়, তখন তার সঙ্গে বাংলাদেশের নামও সেখানে পৌঁছে যায়। দেশের অর্থনীতি বাড়ার সঙ্গে নিরাপদ ও নির্ভরযোগ্য আকাশপথের চাহিদাও বাড়ছে।

বর্তমানে দেশের মাত্র প্রায় ২০ শতাংশ যাত্রী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের মাধ্যমে পরিবহন করা হয় উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, বাকি প্রায় ৮০ শতাংশ যাত্রী অন্য এয়ারলাইনসের মাধ্যমে যাতায়াত করেন। তাই দেশের নাগরিকদের আন্তর্জাতিক গন্তব্যে আরও বেশি পরিবহন করতে বিমানের নিজস্ব বহর বাড়ানো ও আধুনিকায়ন করা জরুরি।

তিনি বলেন, এয়ারবাসের নতুন প্রজন্মের উড়োজাহাজ বিমানের জন্য এমন একটি বহর গড়ে তুলতে সহায়তা করবে, যা বিভিন্ন রুটের চাহিদা ও যাত্রীসংখ্যার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে পরিচালনা করা যাবে। বর্তমানে উড়োজাহাজের স্বল্পতার কারণে যাত্রীদের চাহিদা পূরণে বিমানকে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে।

এ কারণে এয়ারবাসের আঞ্চলিক পর্যায়ের শীর্ষ কর্মকর্তার প্রতি অনুরোধ জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ২০২৬ সালের মধ্যেই অন্তত একটি উড়োজাহাজ সরবরাহ করা হোক। এটি বাংলাদেশের পক্ষ থেকে তার বিশেষ অনুরোধ।

বিমানের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরে এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, লক্ষ্য হচ্ছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসকে বিশ্বের অন্যতম সেরা ক্যারিয়ারে পরিণত করা। এ জন্য এয়ারবাসের পাশাপাশি বোয়িংয়ের সঙ্গেও কাজ করে প্রয়োজন অনুযায়ী সঠিক বহর, রুট ও অবকাঠামো গড়ে তুলতে হবে।

তিনি আরও বলেন, সরকারের লক্ষ্য বাংলাদেশকে একটি আঞ্চলিক এভিয়েশন হাবে পরিণত করা। এ উদ্দেশ্যে দেশে মেইনটেন্যান্স, রিপেয়ার অ্যান্ড ওভারহল বা এমআরও সুবিধা গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ প্রকল্পে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্বের (পিপিপি) ভিত্তিতে ইউরোপীয় বিনিয়োগকারীদের অংশ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

বাংলাদেশের এয়ার কার্গো খাতের একটি দীর্ঘদিনের সমস্যার কথাও তুলে ধরেন বিমানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ২০১৭ সালের জুন থেকে ইউরোপীয় ইউনিয়ন বাংলাদেশ থেকে যাওয়া কার্গো ও মেইলকে উচ্চঝুঁকির তালিকায় রেখেছে। এ বিষয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়নের উদ্বেগ দূর করতে বাংলাদেশ ইতোমধ্যে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে।

তিনি জানান, যুক্তরাজ্যের ডিপার্টমেন্ট ফর ট্রান্সপোর্টসের সাম্প্রতিক মূল্যায়নে ২০২৬ সালের ১৭ জুলাই ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ৯৮ শতাংশ এবং হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ৯৪ শতাংশ স্কোর পেয়েছে। এ পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ থেকে কার্গো পরিবহনের ওপর থাকা বিধিনিষেধ দ্রুত তুলে নিতে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সহযোগিতা চান তিনি।

বিমানের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উদ্দেশে মন্ত্রী বলেন, নতুন এয়ারবাস বিমানের বহরকে শক্তিশালী করবে, কিন্তু শুধু উড়োজাহাজ দিয়ে একটি এয়ারলাইনকে ভালো করা সম্ভব নয়। বিমানের ভবিষ্যৎ নির্ভর করবে কর্মীদের পেশাদারত্ব, শৃঙ্খলা, দক্ষতা ও দায়িত্ববোধের ওপর। প্রতিটি যাত্রীকে সেবা দেওয়া, প্রতিটি ফ্লাইট পরিচালনা এবং প্রতিটি সিদ্ধান্তের সঙ্গে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি জড়িত। তাই বিমানে নিরাপত্তা, দক্ষতা, সময়ানুবর্তিতা, সততা ও উৎকর্ষের সংস্কৃতি গড়ে তুলতে হবে।

অনুষ্ঠানে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির এবং এয়ারবাস ইন্ডিয়া ও দক্ষিণ এশিয়ার প্রেসিডেন্ট ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক জুর্গেন ওয়েস্টারমায়ারসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন- ঢাকায় নিযুক্ত ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার, বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাজ্যের রাষ্ট্রদূত সারাহ কুক, বাংলাদেশে নিযুক্ত জার্মানির রাষ্ট্রদূত রুডিগার লোটজ, বাংলাদেশে নিযুক্ত ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত জ্যঁ-মার্ক সেরে-শারলে, বাংলাদেশে নিযুক্ত স্পেনের রাষ্ট্রদূত গ্যাব্রিয়েল মারিয়া সিসতিয়েগা ওচহোওয়া দি চিনচিত্রু, এয়ারবাস ইন্ডিয়া ও দক্ষিণ এশিয়ার প্রেসিডেন্ট ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক জুর্গেন ওয়েস্টারমায়ার, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান রুমি এ হোসেন, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) কাইজার সোহেল আহমেদ, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ।

এ সময় ভিডিও বার্তায় বক্তব্য দেন এয়ারবাসের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা গিয়োম ফোরি।