Dhaka ০৮:৫০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

৭.৭ মাত্রার ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল পানামা, ভয়াবহ ক্ষতির শঙ্কা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
10 / 100 SEO Score

 

পানামার দক্ষিণ উপকূলে ৭ দশমিক ৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এতে বিভিন্ন এলাকার বাড়িঘর ও ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। দেশটির ছয়টি প্রদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেছে। প্রধান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরেও সাময়িকভাবে ফ্লাইট চলাচল স্থগিত করা হয়েছে। মূল ভূমিকম্পের পর এক ডজনের বেশি পরাঘাত অনুভূত হওয়ায় আতঙ্কিত মানুষ ঘরবাড়ি ছেড়ে রাস্তায় ও খোলা জায়গায় আশ্রয় নিয়েছেন।

শুক্রবার (৯ অক্টোবর) বিকালে পানামার দক্ষিণাঞ্চলে এ ভূমিকম্প আঘাত হানে বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শুক্রবার বিকেলে পানামার দক্ষিণাঞ্চলে ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) জানিয়েছে, ভূমিকম্পটির উৎপত্তি ভূপৃষ্ঠের প্রায় ৭ দশমিক ৮ মাইল গভীরে। এতে হতাহতের আশঙ্কাও রয়েছে।

টেলিভিশনে প্রচারিত দৃশ্যে দেখা গেছে, পরপর মৃদু কম্পন অনুভূত হওয়ায় আতঙ্কিত বাসিন্দারা রাস্তায় জড়ো হয়েছেন। এ সময় কয়েকজন বয়স্ক ব্যক্তিকে কান্নায় ভেঙে পড়তেও দেখা যায়।

দক্ষিণ পানামার হেরেরা প্রদেশের ৭৪ বছর বয়সী বাসিন্দা রিকার্ডো ব্রাউন বলেন, ‘আমরা ভয়ে আছি। এখানে আমরা দুজন বয়স্ক মানুষ ছাড়া আর কেউ নেই। বাড়িতে ফাটল ধরেছে। ভয় হচ্ছে, এটি আমাদের ওপর ভেঙে পড়তে পারে।’

তিনি জানান, লাস মিনাস এলাকায় ভূমিকম্পে বেশ কয়েকটি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

বিদ্যুৎ, বিমান ও গণপরিবহনে বিঘ্ন
বিদ্যুৎ সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান নাতুরগির তথ্য অনুযায়ী, ভূমিকম্পের কারণে পানামার ছয়টি প্রদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। আঞ্চলিক বিমান যোগাযোগের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র টোকুমেন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ফ্লাইট চলাচলও বন্ধ রাখা হয়।

রাজধানী পানামা সিটিতে ভূমিকম্পের পর সড়কে যানবাহনের দীর্ঘ জট তৈরি হয়। ভবনগুলোর নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগের মধ্যে বিভিন্ন অফিস থেকে কর্মীদের নির্ধারিত সময়ের আগেই ছুটি দেওয়া হয়। বন্ধ রাখা হয় শহরের মেট্রো রেল পরিষেবাও। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো আগেভাগে ছুটি ঘোষণা করায় ইউনিফর্ম পরা শিক্ষার্থীদের রাস্তায় নেমে আসতে দেখা যায়। দেশজুড়েও ক্লাস স্থগিত করা হয়।

ইউএসজিএসের প্রাথমিক মূল্যায়নে বলা হয়েছে, ভূমিকম্পের ফলে পানামার মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ১ থেকে ১০ শতাংশের সমপরিমাণ অর্থনৈতিক ক্ষতি হতে পারে।

রাজধানীর বিভিন্ন ভবন থেকে লোকজনকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়। ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল থেকে প্রায় ২০০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত পানামা সিটিতে কম্পন থামার অপেক্ষায় অনেককে রাস্তায় ও আশপাশের পার্কে অবস্থান করতে দেখা যায়।

প্রায় ৪০ সেকেন্ড স্থায়ী হয় কম্পন
পানামার ভূবিজ্ঞান ইনস্টিটিউটের পরিচালক নেস্টর লুক জানিয়েছেন, আজুয়েরো-সোনা ফল্ট সিস্টেমের সক্রিয়তার কারণে ভূমিকম্পটি হয়েছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, দীর্ঘদিন ধরে এই চ্যুতি ব্যবস্থায় চাপ জমা হচ্ছিল। একপর্যায়ে সেই চাপ থেকে বিপুল শক্তি নির্গত হওয়ায় ভূমিকম্পের সৃষ্টি হয়।

নেস্টর লুক বলেন, ‘ভূমিকম্পের কম্পন পুরো ভূখণ্ডজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে। এ কারণেই দেশের সর্বত্র এটি অনুভূত হয়েছে।’

তিনি জানান, রাজধানী পানামা সিটিতে প্রায় ৪০ সেকেন্ড ধরে কম্পন অনুভব করেছেন তিনি। তবে দেশের অন্য কিছু এলাকায় কম্পন আরও দীর্ঘস্থায়ী হয়ে থাকতে পারে।

রাজধানীর একটি পুরোনো মার্কিন সামরিক আমলের ভবনের ষষ্ঠ তলায় অবস্থান করছিলেন সাবিনা রিওস। তার বর্ণনায়, কম্পনটি ছিল অস্বাভাবিক শক্তিশালী ও দীর্ঘস্থায়ী।

তিনি বলেন, ‘ভূমিকম্পটি খুব শক্তিশালী ছিল এবং দীর্ঘ সময় ধরে স্থায়ী হয়েছিল। কয়েক বছরের মধ্যে এত দীর্ঘ কম্পন আমি অনুভব করিনি।’

গির্জা ও বিভিন্ন স্থাপনায় ক্ষয়ক্ষতি
প্রশান্ত মহাসাগরীয় উপকূলের কাছে হেরেরা প্রদেশের তুলনামূলক কম জনবসতিপূর্ণ লা পিতালোজা এলাকার কাছাকাছি ছিল ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল।

রয়টার্সের এক প্রত্যক্ষদর্শী জানিয়েছেন, প্রতিবেশী দেশ কোস্টারিকার রাজধানী সান হোসেতেও কম্পন অনুভূত হয়েছে।

উৎপত্তিস্থল ও রাজধানী পানামা সিটির মাঝামাঝি পেনোনোমে শহরে ক্ষয়ক্ষতির বিভিন্ন দৃশ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। রয়টার্সের যাচাই করা ভিডিওতে একটি গির্জা ও আশপাশের কয়েকটি ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হতে দেখা গেছে। কিছু স্থাপনার অংশ ধসে পড়ার দৃশ্যও রয়েছে।

পানামার বেসামরিক সুরক্ষা সংস্থার প্রধান ওমর স্মিথ সংবাদমাধ্যম টেলিমেত্রো রিপোর্টাকে জানান, হেরেরা প্রদেশের রাজধানী চিত্রে এবং উপকূলীয় লস সান্তোস প্রদেশ থেকেও ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের সুনামি সতর্কীকরণ ব্যবস্থা জানিয়েছে, ভূমিকম্পের পর সুনামির আশঙ্কা কেটে গেছে। বর্তমানে সুনামির কোনো ঝুঁকি নেই বলে সংস্থাটি জানিয়েছে।

পরিস্থিতি মোকাবিলায় সক্রিয় সরকার
আগামী সোমবার পানামায় দেশব্যাপী ভূমিকম্প মোকাবিলায় জরুরি স্থানান্তর মহড়া হওয়ার কথা রয়েছে। জরুরি পরিস্থিতিতে জনগণকে সরিয়ে নেওয়ার প্রস্তুতি ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সক্ষমতা যাচাই করতেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

দেশটির প্রেসিডেন্ট হোসে রাউল মুলিনো জানিয়েছেন, ভূমিকম্পের পর পরিস্থিতি সামাল দিতে সরকারের সব বিভাগকে সক্রিয় করা হয়েছে। একই সঙ্গে আতঙ্ক ও বিশৃঙ্খলা এড়িয়ে চলার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে আতঙ্ক বা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা উচিত নয়।’

 

Recent Comments

No comments to show.

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

nineteen + 2 =

About Author Information

৭.৭ মাত্রার ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল পানামা, ভয়াবহ ক্ষতির শঙ্কা

Update Time : ০৫:৫৪:০৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬
10 / 100 SEO Score

 

পানামার দক্ষিণ উপকূলে ৭ দশমিক ৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এতে বিভিন্ন এলাকার বাড়িঘর ও ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। দেশটির ছয়টি প্রদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেছে। প্রধান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরেও সাময়িকভাবে ফ্লাইট চলাচল স্থগিত করা হয়েছে। মূল ভূমিকম্পের পর এক ডজনের বেশি পরাঘাত অনুভূত হওয়ায় আতঙ্কিত মানুষ ঘরবাড়ি ছেড়ে রাস্তায় ও খোলা জায়গায় আশ্রয় নিয়েছেন।

শুক্রবার (৯ অক্টোবর) বিকালে পানামার দক্ষিণাঞ্চলে এ ভূমিকম্প আঘাত হানে বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শুক্রবার বিকেলে পানামার দক্ষিণাঞ্চলে ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) জানিয়েছে, ভূমিকম্পটির উৎপত্তি ভূপৃষ্ঠের প্রায় ৭ দশমিক ৮ মাইল গভীরে। এতে হতাহতের আশঙ্কাও রয়েছে।

টেলিভিশনে প্রচারিত দৃশ্যে দেখা গেছে, পরপর মৃদু কম্পন অনুভূত হওয়ায় আতঙ্কিত বাসিন্দারা রাস্তায় জড়ো হয়েছেন। এ সময় কয়েকজন বয়স্ক ব্যক্তিকে কান্নায় ভেঙে পড়তেও দেখা যায়।

দক্ষিণ পানামার হেরেরা প্রদেশের ৭৪ বছর বয়সী বাসিন্দা রিকার্ডো ব্রাউন বলেন, ‘আমরা ভয়ে আছি। এখানে আমরা দুজন বয়স্ক মানুষ ছাড়া আর কেউ নেই। বাড়িতে ফাটল ধরেছে। ভয় হচ্ছে, এটি আমাদের ওপর ভেঙে পড়তে পারে।’

তিনি জানান, লাস মিনাস এলাকায় ভূমিকম্পে বেশ কয়েকটি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

বিদ্যুৎ, বিমান ও গণপরিবহনে বিঘ্ন
বিদ্যুৎ সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান নাতুরগির তথ্য অনুযায়ী, ভূমিকম্পের কারণে পানামার ছয়টি প্রদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। আঞ্চলিক বিমান যোগাযোগের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র টোকুমেন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ফ্লাইট চলাচলও বন্ধ রাখা হয়।

রাজধানী পানামা সিটিতে ভূমিকম্পের পর সড়কে যানবাহনের দীর্ঘ জট তৈরি হয়। ভবনগুলোর নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগের মধ্যে বিভিন্ন অফিস থেকে কর্মীদের নির্ধারিত সময়ের আগেই ছুটি দেওয়া হয়। বন্ধ রাখা হয় শহরের মেট্রো রেল পরিষেবাও। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো আগেভাগে ছুটি ঘোষণা করায় ইউনিফর্ম পরা শিক্ষার্থীদের রাস্তায় নেমে আসতে দেখা যায়। দেশজুড়েও ক্লাস স্থগিত করা হয়।

ইউএসজিএসের প্রাথমিক মূল্যায়নে বলা হয়েছে, ভূমিকম্পের ফলে পানামার মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ১ থেকে ১০ শতাংশের সমপরিমাণ অর্থনৈতিক ক্ষতি হতে পারে।

রাজধানীর বিভিন্ন ভবন থেকে লোকজনকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়। ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল থেকে প্রায় ২০০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত পানামা সিটিতে কম্পন থামার অপেক্ষায় অনেককে রাস্তায় ও আশপাশের পার্কে অবস্থান করতে দেখা যায়।

প্রায় ৪০ সেকেন্ড স্থায়ী হয় কম্পন
পানামার ভূবিজ্ঞান ইনস্টিটিউটের পরিচালক নেস্টর লুক জানিয়েছেন, আজুয়েরো-সোনা ফল্ট সিস্টেমের সক্রিয়তার কারণে ভূমিকম্পটি হয়েছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, দীর্ঘদিন ধরে এই চ্যুতি ব্যবস্থায় চাপ জমা হচ্ছিল। একপর্যায়ে সেই চাপ থেকে বিপুল শক্তি নির্গত হওয়ায় ভূমিকম্পের সৃষ্টি হয়।

নেস্টর লুক বলেন, ‘ভূমিকম্পের কম্পন পুরো ভূখণ্ডজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে। এ কারণেই দেশের সর্বত্র এটি অনুভূত হয়েছে।’

তিনি জানান, রাজধানী পানামা সিটিতে প্রায় ৪০ সেকেন্ড ধরে কম্পন অনুভব করেছেন তিনি। তবে দেশের অন্য কিছু এলাকায় কম্পন আরও দীর্ঘস্থায়ী হয়ে থাকতে পারে।

রাজধানীর একটি পুরোনো মার্কিন সামরিক আমলের ভবনের ষষ্ঠ তলায় অবস্থান করছিলেন সাবিনা রিওস। তার বর্ণনায়, কম্পনটি ছিল অস্বাভাবিক শক্তিশালী ও দীর্ঘস্থায়ী।

তিনি বলেন, ‘ভূমিকম্পটি খুব শক্তিশালী ছিল এবং দীর্ঘ সময় ধরে স্থায়ী হয়েছিল। কয়েক বছরের মধ্যে এত দীর্ঘ কম্পন আমি অনুভব করিনি।’

গির্জা ও বিভিন্ন স্থাপনায় ক্ষয়ক্ষতি
প্রশান্ত মহাসাগরীয় উপকূলের কাছে হেরেরা প্রদেশের তুলনামূলক কম জনবসতিপূর্ণ লা পিতালোজা এলাকার কাছাকাছি ছিল ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল।

রয়টার্সের এক প্রত্যক্ষদর্শী জানিয়েছেন, প্রতিবেশী দেশ কোস্টারিকার রাজধানী সান হোসেতেও কম্পন অনুভূত হয়েছে।

উৎপত্তিস্থল ও রাজধানী পানামা সিটির মাঝামাঝি পেনোনোমে শহরে ক্ষয়ক্ষতির বিভিন্ন দৃশ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। রয়টার্সের যাচাই করা ভিডিওতে একটি গির্জা ও আশপাশের কয়েকটি ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হতে দেখা গেছে। কিছু স্থাপনার অংশ ধসে পড়ার দৃশ্যও রয়েছে।

পানামার বেসামরিক সুরক্ষা সংস্থার প্রধান ওমর স্মিথ সংবাদমাধ্যম টেলিমেত্রো রিপোর্টাকে জানান, হেরেরা প্রদেশের রাজধানী চিত্রে এবং উপকূলীয় লস সান্তোস প্রদেশ থেকেও ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের সুনামি সতর্কীকরণ ব্যবস্থা জানিয়েছে, ভূমিকম্পের পর সুনামির আশঙ্কা কেটে গেছে। বর্তমানে সুনামির কোনো ঝুঁকি নেই বলে সংস্থাটি জানিয়েছে।

পরিস্থিতি মোকাবিলায় সক্রিয় সরকার
আগামী সোমবার পানামায় দেশব্যাপী ভূমিকম্প মোকাবিলায় জরুরি স্থানান্তর মহড়া হওয়ার কথা রয়েছে। জরুরি পরিস্থিতিতে জনগণকে সরিয়ে নেওয়ার প্রস্তুতি ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সক্ষমতা যাচাই করতেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

দেশটির প্রেসিডেন্ট হোসে রাউল মুলিনো জানিয়েছেন, ভূমিকম্পের পর পরিস্থিতি সামাল দিতে সরকারের সব বিভাগকে সক্রিয় করা হয়েছে। একই সঙ্গে আতঙ্ক ও বিশৃঙ্খলা এড়িয়ে চলার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে আতঙ্ক বা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা উচিত নয়।’