Dhaka ০৪:৩৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
১৪ টাকায় ডিম, ২০০ টাকায় শিম: চাপে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত সিফাতের গ্রেফতার প্রসঙ্গে, ক্ষমতাসীন কাউকে গালি দিলে সেটা অপরাধ: জারা রাজপথে হুমকি নয়, সংসদে গ্যাস-বিদ্যুৎ নিয়ে পরামর্শ দিন পুলিশের অভিযানে হামলা, গোপন সুড়ঙ্গ দিয়ে পালাল ‘শীর্ষ সন্ত্রাসী’ বগা নেপালে নিখোঁজ ৫ হাজার ৮৩: বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১ হাজার ২৮৭ টিকা না পাওয়া শিশুদের খুঁজে বের করে আবারও ক্যাম্পেইন যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় ইরানের তিন পাইলট নিহত হাসপাতালের বাথরুম নিজেই পরিষ্কার করতে চাইলেন কৃষিমন্ত্রী সিগন্যালে ত্রুটি থাকায় তিন ঘণ্টায় ১৮ ট্রেন বিলম্বিত আটলান্টিক মহাসাগরে প্রাণ গেল ৮০ জনেরও বেশি অভিবাসীর

ইরানি নারী ফুটবল দলের অধিনায়কের বাজেয়াপ্ত সম্পদ ফেরত দিচ্ছে সরকার

12 / 100 SEO Score

 

ইরান নারী ফুটবল দলের অধিনায়ক জহরা কানবারির ওপর থেকে সব বিধিনিষেধ তুলে নিয়েছে দেশটির বিচার বিভাগ। অস্ট্রেলিয়ায় রাজনৈতিক আশ্রয় চাওয়ার কারণে এই নারী ফুটবলারের সম্পদ ও স্থাবর সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছিল, আদালতের নির্দেশে তা ফিরিয়ে দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এক প্রতিবেদনে এমনটা জানিয়েছে বার্তা সংস্থা এএফপি।

মার্চে এএফসি নারী এশিয়ান কাপ খেলতে অস্ট্রেলিয়ায় গিয়েছিল ইরান দল। ঠিক সেই সময়েই ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের যুদ্ধ শুরু হয়। দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতির কারণে কানবারিসহ দলের ছয় ফুটবলার ও একজন কর্মকর্তা অস্ট্রেলিয়ায় রাজনৈতিক আশ্রয়ের আবেদন করেন। তবে পরে সেই মত পালটে ফেলেন কানবারি। চার সতীর্থকে নিয়ে গত ১৯ মার্চ তেহরানে ফিরে যান তিনি। বিমানবন্দরে তাদের বীরোচিত সংবর্ধনাও দেওয়া হয়।

ইরান নারী ফুটবল দলের অধিনায়ক জহরা কানবারি। ইরানের বিচার বিভাগীয় সংবাদ সংস্থা ‘মিজান’ জানিয়েছে, আচরণে ইতিবাচক পরিবর্তন আসায় ও নিজেকে নির্দোষ ঘোষণা করার পর আদালত কানবারির সম্পদ হস্তান্তরের আদেশ দিয়েছেন।

তবে এর মাত্র দুই দিন আগে গত শনিবার ইরানের গণমাধ্যমগুলো একটি তালিকা প্রকাশ করেছিল। সেখানে যুদ্ধ শুরুর পর যারা দেশের সঙ্গে ‘বিশ্বাসঘাতকতা’ করেছেন, তাদের তালিকা প্রকাশ করা হয়। সেই তালিকায় অধিনায়ক কানবারির নামও ছিল।

মানবাধিকার সংস্থাগুলোর অভিযোগ, বিদেশে খেলতে যাওয়া অ্যাথলেটরা যেন দলছুট না হন, সে জন্য তাদের পরিবারের ওপর মানসিক চাপ সৃষ্টি বা সম্পদ বাজেয়াপ্ত করার মতো কৌশল নেয় ইরান সরকার। এ ক্ষেত্রে ফুটবলারদের মা–বাবাকে গোয়েন্দা সংস্থা জিজ্ঞাসাবাদ করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। তবে ইরান সরকার পাল্টা দাবি করেছে, অস্ট্রেলিয়াই ফুটবলারদের সে দেশে থেকে যেতে প্ররোচিত করেছিল।

অস্ট্রেলিয়া থেকে সেই সাতজনের মধ্যে পাঁচজন ফিরে এলেও অন্য দুজন এখনো দেশটিতেই অবস্থান করছেন। তারা বর্তমানে ব্রিসবেন রোর ক্লাবের হয়ে অনুশীলন চালিয়ে যাচ্ছেন।

 

Tag :

Recent Comments

No comments to show.

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

19 + 17 =

About Author Information

ইরানি নারী ফুটবল দলের অধিনায়কের বাজেয়াপ্ত সম্পদ ফেরত দিচ্ছে সরকার

Update Time : ০৫:২৫:৫২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬
12 / 100 SEO Score

 

ইরান নারী ফুটবল দলের অধিনায়ক জহরা কানবারির ওপর থেকে সব বিধিনিষেধ তুলে নিয়েছে দেশটির বিচার বিভাগ। অস্ট্রেলিয়ায় রাজনৈতিক আশ্রয় চাওয়ার কারণে এই নারী ফুটবলারের সম্পদ ও স্থাবর সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছিল, আদালতের নির্দেশে তা ফিরিয়ে দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এক প্রতিবেদনে এমনটা জানিয়েছে বার্তা সংস্থা এএফপি।

মার্চে এএফসি নারী এশিয়ান কাপ খেলতে অস্ট্রেলিয়ায় গিয়েছিল ইরান দল। ঠিক সেই সময়েই ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের যুদ্ধ শুরু হয়। দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতির কারণে কানবারিসহ দলের ছয় ফুটবলার ও একজন কর্মকর্তা অস্ট্রেলিয়ায় রাজনৈতিক আশ্রয়ের আবেদন করেন। তবে পরে সেই মত পালটে ফেলেন কানবারি। চার সতীর্থকে নিয়ে গত ১৯ মার্চ তেহরানে ফিরে যান তিনি। বিমানবন্দরে তাদের বীরোচিত সংবর্ধনাও দেওয়া হয়।

ইরান নারী ফুটবল দলের অধিনায়ক জহরা কানবারি। ইরানের বিচার বিভাগীয় সংবাদ সংস্থা ‘মিজান’ জানিয়েছে, আচরণে ইতিবাচক পরিবর্তন আসায় ও নিজেকে নির্দোষ ঘোষণা করার পর আদালত কানবারির সম্পদ হস্তান্তরের আদেশ দিয়েছেন।

তবে এর মাত্র দুই দিন আগে গত শনিবার ইরানের গণমাধ্যমগুলো একটি তালিকা প্রকাশ করেছিল। সেখানে যুদ্ধ শুরুর পর যারা দেশের সঙ্গে ‘বিশ্বাসঘাতকতা’ করেছেন, তাদের তালিকা প্রকাশ করা হয়। সেই তালিকায় অধিনায়ক কানবারির নামও ছিল।

মানবাধিকার সংস্থাগুলোর অভিযোগ, বিদেশে খেলতে যাওয়া অ্যাথলেটরা যেন দলছুট না হন, সে জন্য তাদের পরিবারের ওপর মানসিক চাপ সৃষ্টি বা সম্পদ বাজেয়াপ্ত করার মতো কৌশল নেয় ইরান সরকার। এ ক্ষেত্রে ফুটবলারদের মা–বাবাকে গোয়েন্দা সংস্থা জিজ্ঞাসাবাদ করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। তবে ইরান সরকার পাল্টা দাবি করেছে, অস্ট্রেলিয়াই ফুটবলারদের সে দেশে থেকে যেতে প্ররোচিত করেছিল।

অস্ট্রেলিয়া থেকে সেই সাতজনের মধ্যে পাঁচজন ফিরে এলেও অন্য দুজন এখনো দেশটিতেই অবস্থান করছেন। তারা বর্তমানে ব্রিসবেন রোর ক্লাবের হয়ে অনুশীলন চালিয়ে যাচ্ছেন।