Dhaka ০৫:২৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
১৪ টাকায় ডিম, ২০০ টাকায় শিম: চাপে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত সিফাতের গ্রেফতার প্রসঙ্গে, ক্ষমতাসীন কাউকে গালি দিলে সেটা অপরাধ: জারা রাজপথে হুমকি নয়, সংসদে গ্যাস-বিদ্যুৎ নিয়ে পরামর্শ দিন পুলিশের অভিযানে হামলা, গোপন সুড়ঙ্গ দিয়ে পালাল ‘শীর্ষ সন্ত্রাসী’ বগা নেপালে নিখোঁজ ৫ হাজার ৮৩: বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১ হাজার ২৮৭ টিকা না পাওয়া শিশুদের খুঁজে বের করে আবারও ক্যাম্পেইন যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় ইরানের তিন পাইলট নিহত হাসপাতালের বাথরুম নিজেই পরিষ্কার করতে চাইলেন কৃষিমন্ত্রী সিগন্যালে ত্রুটি থাকায় তিন ঘণ্টায় ১৮ ট্রেন বিলম্বিত আটলান্টিক মহাসাগরে প্রাণ গেল ৮০ জনেরও বেশি অভিবাসীর

হামের চিকিৎসায় বরাদ্দ অপ্রতুল বললেন জামায়াত আমির

নিজেস্ব প্রতিবেদক
12 / 100 SEO Score

 

হামের চিকিৎসা কার্যক্রম পরিচালনায় বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটে সরকারি বরাদ্দ অপ্রতুল বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।

তিনি বলেন, সীমিত বরাদ্দের কারণে হাসপাতালটি পর্যাপ্ত সেবা দিতে হিমশিম খাচ্ছে এবং এ খাতে আরও সরকারি নজরদারি ও সহায়তা বাড়ানো প্রয়োজন।

শনিবার (১৮ এপ্রিল) দুপুরে শিশু হাসপাতাল পরিদর্শন শেষে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, এই হাসপাতালটা সরকারি না, এটা সংবিধিবদ্ধ একটা হাসপাতাল। সরকার আগে প্রতি বছর দিত ৩০ কোটি, এবার দিচ্ছে ২৮ কোটি। সেই ২৮ কোটির মধ্যে এ পর্যন্ত তারা ফার্স্ট কোয়ার্টারে ৭ কোটি টাকা পেয়েছেন, বাকিটা হয়তো তারা পাবেন; কিন্তু এ দিয়ে হাসপাতাল চলে না।

এখানে ৭০০টি শয্যা আছে, এর মধ্যে ২৫০ শয্যা হলো ফ্রি। বাকিগুলোতে রোগীদের সব খরচ দিয়ে থাকতে হয়। সেভাবে তারা চালাচ্ছেন এবং যেটুকু সম্ভব তাদের পক্ষে সর্বোচ্চ চেষ্টা করছেন।

পরিদর্শনের অভিজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন- আমরা বুঝতে পেরেছি, এখানে আরও অনেক গুরুত্ব দেওয়া দরকার সরকারের।

জামায়াত আমির বলেন, বর্তমানে হাম নিয়ে যে বিব্রতকর অবস্থায় দেশবাসী আছে, এটা বোঝার জন্য আমরা মূলত গিয়েছিলাম। সেখানে গিয়ে আমরা দেখলাম, এটা সরকারিভাবে বাংলাদেশের একমাত্র স্পেশালাইজড ডেডিকেটেড শিশু হাসপাতাল।

এজন্য সারা দেশ থেকে এখানে রোগী চলে আসে। তারা (হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ) এর চাপ নিতে পারছেন না। অনেক রোগী এখান থেকে চিকিৎসা না পেয়ে ফেরত যাচ্ছেন। তারা কোথায় যাচ্ছেন, তারা তো বলতে পারবেন না।

হাম রোগীর চিকিৎসায় একটি আইসিইউ (নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র) করে দেওয়ায় সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়ে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, এই হাসপাতালের বেড বাড়ানো দরকার এবং সেই সুযোগ আছে। যদি শিশু হাসপাতালের শয্যা বাড়িয়ে দুই হাজার করা হয় তাহলে মানুষ কিছুটা স্বস্তি পাবে।

এ সময় জামায়াতের পক্ষ থেকে শিশু হাসপাতালের পাশে দাঁড়ানোর প্রতিশ্রুতি দেন জামায়াতের আমির।

Recent Comments

No comments to show.

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

1 × four =

About Author Information

হামের চিকিৎসায় বরাদ্দ অপ্রতুল বললেন জামায়াত আমির

Update Time : ০৩:১৫:৪৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬
12 / 100 SEO Score

 

হামের চিকিৎসা কার্যক্রম পরিচালনায় বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটে সরকারি বরাদ্দ অপ্রতুল বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।

তিনি বলেন, সীমিত বরাদ্দের কারণে হাসপাতালটি পর্যাপ্ত সেবা দিতে হিমশিম খাচ্ছে এবং এ খাতে আরও সরকারি নজরদারি ও সহায়তা বাড়ানো প্রয়োজন।

শনিবার (১৮ এপ্রিল) দুপুরে শিশু হাসপাতাল পরিদর্শন শেষে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, এই হাসপাতালটা সরকারি না, এটা সংবিধিবদ্ধ একটা হাসপাতাল। সরকার আগে প্রতি বছর দিত ৩০ কোটি, এবার দিচ্ছে ২৮ কোটি। সেই ২৮ কোটির মধ্যে এ পর্যন্ত তারা ফার্স্ট কোয়ার্টারে ৭ কোটি টাকা পেয়েছেন, বাকিটা হয়তো তারা পাবেন; কিন্তু এ দিয়ে হাসপাতাল চলে না।

এখানে ৭০০টি শয্যা আছে, এর মধ্যে ২৫০ শয্যা হলো ফ্রি। বাকিগুলোতে রোগীদের সব খরচ দিয়ে থাকতে হয়। সেভাবে তারা চালাচ্ছেন এবং যেটুকু সম্ভব তাদের পক্ষে সর্বোচ্চ চেষ্টা করছেন।

পরিদর্শনের অভিজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন- আমরা বুঝতে পেরেছি, এখানে আরও অনেক গুরুত্ব দেওয়া দরকার সরকারের।

জামায়াত আমির বলেন, বর্তমানে হাম নিয়ে যে বিব্রতকর অবস্থায় দেশবাসী আছে, এটা বোঝার জন্য আমরা মূলত গিয়েছিলাম। সেখানে গিয়ে আমরা দেখলাম, এটা সরকারিভাবে বাংলাদেশের একমাত্র স্পেশালাইজড ডেডিকেটেড শিশু হাসপাতাল।

এজন্য সারা দেশ থেকে এখানে রোগী চলে আসে। তারা (হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ) এর চাপ নিতে পারছেন না। অনেক রোগী এখান থেকে চিকিৎসা না পেয়ে ফেরত যাচ্ছেন। তারা কোথায় যাচ্ছেন, তারা তো বলতে পারবেন না।

হাম রোগীর চিকিৎসায় একটি আইসিইউ (নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র) করে দেওয়ায় সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়ে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, এই হাসপাতালের বেড বাড়ানো দরকার এবং সেই সুযোগ আছে। যদি শিশু হাসপাতালের শয্যা বাড়িয়ে দুই হাজার করা হয় তাহলে মানুষ কিছুটা স্বস্তি পাবে।

এ সময় জামায়াতের পক্ষ থেকে শিশু হাসপাতালের পাশে দাঁড়ানোর প্রতিশ্রুতি দেন জামায়াতের আমির।